| |

সরিষাবাড়ীতে হোম সিষ্টেম সোলার স্থাপনে হরিলুট

আপডেটঃ 10:07 pm | March 21, 2017

Ad

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি ঃ সরিষাবাড়ীতে চলতি ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের কাবিটা-টি-আর প্রকল্পের হোম সিষ্টেম সোলার স্থাপনে ব্যাপক অনিয়ম দূনীতি স্বজনপ্রীতি ও নাম সর্বস্ব তালিকা তৈরীর মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকা হরি লুটের কারখানায় পরিনত হয়েছে।

জানাগেছে, জামালপুর -৪ সরিষাবাড়ীর জাতিয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ জোয়াদ্দারের অনুকুলে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের গ্রামীন অবকাঠামো সংস্কার(কাবিটা) ও (টি-আর) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম দূনীতি স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে বরাদ্দ ৮৪ লক্ষ ৭৯ হাজার একশত ২৪ টাকার নাম সর্বস্ব তালিকা তৈরী করে হরিলুটের কারখানায় পরিনত করেছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কোন কর্মকর্তা কর্মচারী বা কোথায় কি ভাবে প্রকল্পের কাজ চলছে তা এলাকার সাধারন জনগন কেউ জানে না। এমনকি এই জন বিচ্ছিন্ন জাতীয় সংসদ সদস্যকে প্রকল্প সর্ম্পকে কোথাও খোজে পাওয়া যায় না এমনকি সেল ফোনেও চেষ্টা করে পাওয়া যায় না।
সরেজমিনে প্রাপ্ত তর্থের ভিত্তিত্বে জানাগেছে, উপজেলার ২২৪ টি গ্রামের মধ্যে পোগলদিঘা ইউনিয়নের গেন্দারপাড়া(আমতলা)নামক একটি গ্রামে হোম সিষ্টেম সোলার স্থাপন প্রকল্পের উপর অনুসন্ধান চালিয়ে জানা গেছে, একজন ব্যাক্তি সোলার পেতে হলে অফিস খরচ বাবদ ১০ হাজার টাকা লাগে। তারপর ওই ব্যাক্তি তালিকায় নাম যায় বলে এলাকায় বহুল আলোচিত।

এছাড়াও অনেকেই টাকার বিনিময়ে সোলার পেয়েছে আবার অনেকেই পায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। কেউ কেউ পাবে বলে আশায় দিন অতিবাহিত করছে। অপর দিকে যারাই সোলার পেয়েছে তাদের অনেকেই অভিযোগ করছে সোলার অত্যান্ত নিম্মমানের হওয়ায় স্থাপনের পর পরই বিকল হয়ে পড়ে আছে। আবার কেউ কেউ সোলারের ক্রুটি সারাতে ব্যাস্ত কারিগরের খোজে।

এমনি ভুক্তভোগী কিছু লোকের সাথে কথা বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে গেন্দারপাড়া গ্রামের ফুটু মিয়া, দুলাল ফরাজি, হেলাল, নাজিম ও দুলাল ডাক্তারদের টাকার বিনিময়ে সোলার নিতে হয়েছে।

আজাহার আলী সোনা ২টি, তুলু মিয়া ২টি, শাহিন মাষ্টার ৫ টি সোলার পেয়েছে। টাকা দিয়েও যাদের ভাগ্যে জোটেনি সোলার তারা হলেন মাছুদুর রহমান, রুবেল, হাফিজুর রহমান, সুরুজ মিয়া, মোয়াজ্জেম ও হানি মন্ডল।

আবার অনেকেই আছেন যারা আত্মীয়তার বন্ধনের কারনে মুখ খুলছে না। এ ছাড়াও হোম সিষ্টেম সোলার প্রকল্পের অবস্থা উপজেলার আরোও ২২৩ টি গ্রামের চিত্র অত্যান্ত ভয়াবহ বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

হোম সিষ্টেম সোলার প্রকল্প কোন ঠিকাদারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে তা কেউ বলতে পারেনি।

কোথায় এদের অফিস বা কোথায় এদের গোডাউন তাও কেউ জানে না। এক কথায় রাতের অন্ধকারে ২/৪টি করে নিম্মমানের সোলার এনে কোনমতে স্থাপন করে লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যায়। ফলে কেউ কো জিজ্ঞাসা করার সোজোগ থাকে না।

প্রকল্প এর সাথে সংশ্লিষ্ট দপ্তর উপজেলা ত্রান শাখার কর্মকর্তা আঃ হামিদের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, এ উপজেলায় ইডকলের সহযোগী প্রতিষ্টান পান্না গ্রুপ তালিকা মতে সোলার স্থাপন করে থাকেন।

সোলার প্রকল্পের তালিকা তৈরীতে স্থানীয় এমপি মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ জোয়াদ্দার এর চাহিদা মোতাবেক তালিকা হয়ে থাকে।
উপজেলা সম্মনয় ও উন্নয়ন কমিটির সদস্য সচীব ও উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা সাইয়েদ এ জেট মুর্সেদ আলী জানান, সোলার প্রকল্পের ক্রুটিগুলো চিহিৃত করে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।

ব্রেকিং নিউজঃ