| |

ধর্মপাশায় কাঁচা ধানে পছন ধরে বিষাক্ত পানিতে দেশীয় প্রজাতির লাখ লাখ টাকার মাছ মরে ভেসে যাচ্ছে

আপডেটঃ 9:15 pm | April 17, 2017

Ad

মোঃ আবুসায়েম ঃ  ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) অভিরাম বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের পানি বিপদ সীমায় প্রবাহিত হয়ে চৈত্রী মাসের প্রথম সপ্তাহে উপজেলার সবগুলো হাওরের কাঁচা বোরো ধান তলিয়ে যায়। এসব সবুজ (কাঁচা)ধান বন্যার পানিতে তলিয়ে গিয়ে পছন দরে ওই পানি বিষাক্ত হয়ে নাইট্রোজেনের মাত্রা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি হওয়ায় অক্্িরজেন না পাওয়ায় দেশীয় ডিম ওয়ালা মা মাছ সহ সকল প্রজাতির লাখ লাখ টাকার মূল্যবান মাছ মড়ে ভাষমান অবস্থায় রয়েছে।
গতকাল ১৭এপ্রিল সরজমিনে উপজেলা দারাম হাওর, ধানকুনিয়া, কাউনাই, চাঁদরা, কালাপানি, শাসকা, জয়ধনা, সুনই-প্রকাশিত মনাই নদী সহ বিভিন্ন হাওরে গিয়ে দেখা যায়, দেশীয় প্রজাতির রুই, কাতলা, বোয়াল, বাউস,আইড়, বাইম, শোল-গজার,পাবদা, গোলসা,টেংড়া, তারা বাইম, পুটি,লাছু-বাছা, টাকি মাছ সহ ছোট-বড় সকল প্রজাতির মাছ মড়ে ভাষমান অবস্থায় রয়েছে। আর এসব মড়া মাছ তীরবর্তী গ্রামবাসী ধওে নিয়ে লাখ লাখ টাকায় বিক্রি করছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, অকাল বন্যায় উপজেলার সব কটি হাওরের কাছা বোরো ধান পানিতে প্লাবিত হওয়ায় এসব কাঁচা ধান পছে যায়। গত ১৫এপ্রিল দিবাগত রাত অসাভাবিক গুর্ণিঝড়ে এসব পছা ধান উল্ট পাল্ট হওয়ায় জলাশয়ে নাইট্রোজেনের মাত্রা বেড়ে অক্্িরজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় জলাশয়ের মাছ গ্রলো মড়ে যাচ্ছে বিধায় দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশ বিলপ্তির পথে। মা মাছের ডিম সহ মড়ে ভাষমান অবস্থায় রয়েছে।
এব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ আশরাফুল ইসলাম এর সাথে কথা বলে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধর্মপাশা উপজেলা সহ জগন্নাথপুর, ছাতক, দোয়ারা বাজার, দিরাই-শাল্লা সহ বন্যা কবলিত উপজেলা গুলোতেও একই অবস্থা আমরা সরজমিনে গিয়ে মড়া মাছ ও হাওরের পানি পরিক্ষা নিরিক্ষার জন্য পাটিয়েছি।

dha-4

এবং হাওরের পানি জিবানু মুক্ত করার জন্য তাৎক্ষনিক ৫০হাজার টাকার চুন বরাদ্দ পেয়েছি।
গুলোয়া গ্রামের জেলে কামাল এর সাথে যোগাজোগ করলে বলে, সকালে দারাম হাওরে গিয়ে ভাষমান অবস্থায় মড়া ও জেতা মাছ ধরে এনে মাছের আড়তে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। একই কথা বলেন, গুলোয়া গ্রামের জাকির হোসেন, ছদ্দু মিয়া, সামিউল, রাজাপুর গ্রামের জিয়া, রোখন, জসিম, দৌলতপুর গ্রামের রেন্টু মিয়া, ছনু মিয়া, রেহান মিয়া, আবজাল সহ বিভিন্ন গ্রামের শতাধিক জেলে একই কথা বলেন।

ব্রেকিং নিউজঃ