| |

সরিষাবাড়ীতে পিডিবি’র ব্যাঙের ছাতার মত অবৈধ বিদ্যুৎ লাইন

আপডেটঃ 10:34 pm | April 23, 2017

Ad

সোহেল রানা. সরিষাবাড়ী ॥ জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলা ব্যাঙের ছাতার মত অবৈধ বিদ্যুৎ লাইন ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে অভিযান চালিয়ে মোনার পাড়া গ্রামে শতাধিক অবৈধ বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করে পিডিবি অফিস। জানা গেছে, উপজেলার মোনারপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে শতাধিক বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করে।

পিডিবি’র কিছু অসাধু কর্মকর্তারা প্রতিটি ইউনিয়নে দালাল তৈরি করে। এসব দালালদের মাধ্যমে মেইন খুটি থেকে বাঁশ অথবা গাছের সাথে ঝুলিয়ে তার টেনে বাড়ি বা মহল্লার একাধিক অবৈধ মিটার সংযোগ দেয়। পিডিবি’র অসাধু কর্মকর্তারা মোনার পাড়া কিছু দালালের মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে প্রায় ১শ থেকে ২শ অবৈধ মিটার সংযোগ দেয়।

পিডিবি আইন অনুসারে খুটি থেকে ১২০ ফিটের মধ্যে লাইন টানতে পারবে এমন নির্দেশনা থাকলেও  বিদ্যুৎ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ৫শ থেকে ১ হাজার ফুট দুরত্বে বিদ্যুৎ লাইন টেনে মিটার সংযোগ দেয়া হয়েছে।

এ লাইনগুলো বাশের খুটি কিংবা গাছের সাথে ঝুলিয়ে আবার নিজেরাই খুটি তৈরি করে টানা হয়েছে বিদ্যুৎ লাইন। এতে করে বাড়ছে লোড়শেড়িং, পরিকল্পনাহীন লাইন নির্মাণে সাবস্টেশনের ওপর বাড়তি চাপে প্রতিদিনই একটি করে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এভাবেই সাধারণ মানুষ দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে প্রতিনিয়ত।

এসব অবৈধ লাইনের গ্রাহকেরা  প্রায় এক বছর ধরে কোন বিল না দিয়ে ব্যবহার করছে বিদ্যুৎ। অপর দিকে পিডিবি’র গ্রাহকেরা অভিযোগ করে জানায়, আমাদের লাইনের জন্য ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার রশিদ আছে। তারা আরও অভিযোগ করে বলে, দালাল আলম, উজ্জল ও রঞ্জুর কাছে প্রতিটি মিটারের জন্য ১৫-১৬ হাজার টাকা দেই। দালাল আলম জানায়, পিডিবি’র কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে এসব লাইন দিয়েছি।

অন্যদিকে মাঠ পরিদর্শন না করেই অর্থের বিনিময়ে এইভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েই চলেছে বলে জানা যায়। আবাসিক সহকারী উপ প্রকৌশলী আরিফুর ইসলাম জানায়, অভিযান শেষে পরবর্তী অভিযানের পূর্বে বৈদ্যুতিক খুটি হতে ১শ ২০ ফুটের বাইরে থাকা গ্রাহকদের নোটিশ করে জানিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান চালানো হবে।

এ ব্যাপারে মুঠো ফোনে আবাসিক উপ-প্রকৌশলী জামাত আলী আকন্দ বলেন, আমি দুরে আছি, আপনাদের সাথে পরে কথা বলবো।

ব্রেকিং নিউজঃ