| |

ঈশ্বরগঞ্জে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা করলো স্বামী

আপডেটঃ 9:22 pm | April 27, 2017

Ad

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ  ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে হালিমা আক্তার (২৬) নামের এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে তার স্বামী। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী আবদুল্লাহ পলাতক রয়েছে। বুধবার রাতে স্ত্রীকে ব্লেড দিয়ে গলা কেটে দিলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহের একটি কিনিকে মৃত্যু হয় হালিমার। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
উপজেলার রাজীবপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মাইজহাটি গ্রামে বুধবার রাত ৯ টার দিকে গ্রামের আমানত উল্লার ছেলে আবদুল্লাহ নিজের স্ত্রীর গলা কেটে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় আবদুল্লার স্ত্রী হালিমাকে ময়মনসিংহের একটি কিনিকে ভর্তি করা হয়।

পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে হালিমা মারা যায়। হালিমা আক্তারের সাথে প্রায় ৮ বছর পূর্বে বিয়ে হয়েছিলো আবদুল্লার। হালিমা পার্শ্ববর্তি মগটুলা ইউনিয়নের কর্মা গ্রামের সফির উদ্দিনের মেয়ে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, তিন সন্তানের জননী হালিমার ওপর মাসদকেবী আবদুল্লায় নিয়মিত অত্যাচার চালাতো। সম্প্রতি ফকিরের ভক্ত হয়ে স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের খুন করার হুমকি দিতো।

স্বামীর অত্যাচার সইতে না পেরে প্রায় দেড় আসে আগে বাবার বাড়ি চলে যায় হালিমা। সেখান থেকে স্থানীয় লোকজন নিয়ে গত সোমবার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে গত বুধবার রাতে স্ত্রীর গলা ব্লেড দিয়ে কেটে পালিয়ে যায় স্বামী আবদুল্লাহ।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত কয়েক মাস আগে মাকদ সেবনের দায়ে জেলখাটা আবদুল্লাহ ফকিরের ভক্ত হয়ে পাগলামি করতো। তার পাগলামিতে অতিষ্ঠ ছিলো স্থানীয় লোকজন।
নিহতের ভাই নুরুজ্জামান জানান, তার ভগ্নিপতি পাগলামির নামে বোনের ওপর অত্যাচার করায় বোনকে বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে গত সোমবার বোনকে নিয়ে বুধবার রাতে গলা কেটে দেয় ভগ্নিপতি।’

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহের একটি কিনিকে গৃহবধূ হালিমার মৃত্যুর পর বিকেলে লাশ স্বামীর বাড়ি দক্ষিণ মাইজহাটি গ্রামে নিয়ে আসে শ^শুর বাড়ির লোকজন। পরে সেখান থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়মনাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
ঈশ^রগঞ্জ থানার ওসি মো. বদরুল আলম খান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ব্রেকিং নিউজঃ