| |

সরিষাবাড়ীতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ধান কেটে নিল দূস্কৃতিকারীরা

আপডেটঃ 10:27 pm | May 14, 2017

Ad

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি ঃসরিষাবাড়ীতে ভুমি অফিসের দেয়া মিথ্যা রিপোটের দায়ে জমির মালিকে জেল হাজতে প্রেরন করে দূস্কিৃতিকারীরা গতকাল রবিবার দুপুরে প্রায় লক্ষাধিক টাকা মুল্যের ধান কেটে নিয়েছে।
জানাগেছে, উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের হোসনাবাদ গ্রামের নায়েব আলী ও ইন্তাজ আলী গংদের সাথে একই এলাকার অবঃ প্রাপ্ত পুলিশ ফজলুল হক গংদের পূর্ব শত্রুতার জের চলে আসছিল।

এই ধারাবাহিকতায় রবিবার দুপুরে ফজলুল হক গংরা ৮৮ শতাংশ ভুমির পাকা ধান জোর পূর্বক কেটে নিয়ে যায়। এ সময় ইন্তাজ আলীর স্ত্রী আরিফা বেগম প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে ভারবাশ দিয়ে এলোপাথারী পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।

এক পর্যায়ে আরিফা বেগম আহত অবস্থায় থানা পুলিশের আশ্রয় নিলে এস আই মতিউর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে ফজলুল হকের বাড়ী থেকে ওই ধান উদ্ধার করে।

সরেজমিনে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় ইন্তাজ আলী , নায়েব আলী ও শাহিদা বেগমের নামে ৮৮ শতাংশ ভুমি কওলা সুত্রে মালিক হয়ে দীর্ঘদিন  যাবৎ জমি ভোগ দখল করে আসছে।

সুবিধাভোগী আবঃপ্রাপ্ত পুলিশ ফজলুল হক মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করে এবং মহাদান ভুমি সহকারী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফাকে দিয়ে নিজ নামে দখল দেখিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরী করে সি আর ৭৫(১)১৭ মোকদ্দমায় বিজ্ঞ জেলা আদালতে প্রেরন করে।

এই মামলায় বিবাদী ইন্তাজ আলী ও তার ভাই নায়েব আলী গত ২ মে/১৭ আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিজ্ঞ আদালত তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরন করে।
এ ঘটনায় মহাদান ইউনিয়ন ভুমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জানান, ভুমিটি ইন্তাজ আলী ও নায়েব আলীদের আমি জানি। তাদের কওলা দলিল আছে দেখেছি। তবে ফজলুল হক পুলিশ বলেছে ভুমিটি আমার দখলে। আমি তার মুখের কথায় প্রতিবেদনটি দিয়েছি। কিন্ত তিনি কোন কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি।

ব্রেকিং নিউজঃ