| |

নতুন জার্সিতে কেমন হলো বাংলাদেশের প্রস্তুতি ম্যাচ!

আপডেটঃ 2:08 pm | May 28, 2017

Ad

বাংলাদেশ দল পেল নতুন জার্সি কিন্তু ৩৪১ রান করেও জিততে পারলো না বাংলাদেশ।  শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় উল্টো ২ উইকেটে জয় পেয়ে গেলো পাকিস্তান।  তবে হার-জিত বড় কথা নয়, প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিং প্রস্তুতিটা ভালোভাবেই সেরে নিলো দুই দল।

তামিম ইকবালের অসাধারণ সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩৪১ রানের বিশাল স্কোর গড়ে তোলার পর বাংলাদেশ অনায়াসেই জয় পেয়ে যাবে- এমনটাই ভেবেছিল সবাই; কিন্তু ফাহিম আশরাফ নামে এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক না হওয়া এক অলরাউন্ডারের

কাছে হারতে হলো মাশরাফিদের।

৩০ বলে ৬৪ রান করে ফাহিম আশরাফ এবং হাসান আলি ১৫ বলে ২৭ রান করে প্রস্তুতি ম্যাচে পাকিস্তানকে জয় উপহার দেন।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মূল লড়াইয়ের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশকে ২ উইকেটে পরাজিত করল পাকিস্তান।  বার্মিংহ্যামের এজবাস্টনে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট ৩৪১ রান সংগ্রহ করে মাশরাফি বাহিনী।

জবাবে ২ উইকেট আর ৩ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করল পাকিস্তান।  ৩০ মে, মঙ্গলবার লন্ডনের কেনিংটন ওভালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ গত আসরের চ্যাম্পিয়ন ভারত।

শুরুতে দুই উইকেট খোয়ায় পাকিস্তান।  আজহার আলীকে ফেরান তাসকিন আর বাবর আজমকে মাশরাফি।  তৃতীয় শিকার ধরেন সাকিব আল হাসান।  ব্যক্তিগত ৪৪ রানের মাথায় শেহজাদকে সরাসরি বোল্ড করেন সাকিব।

শফিউলের হাত ধরে আসে চতুর্থ সাফল্য।  বাংলাদেশকে পঞ্চম উইকেট উপহার দেন মোসাদ্দেক।  এরপর টানা তিন ব্যাটসম্যানকে বিদায় করেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

৭২ করা শোয়েব মালিককে সাজঘরে পাঠান এই টাইগার স্পিনার।  শাদাব খান মিরাজের রান আউটে কাটা পড়েন।  আর ৪৫ রান করা ইমাদকে মোসাদ্দেকের হাতে ক্যাচ বানিয়ে ফেরান মিরাজ।  শেষ দিকে ফাহিম আর হাসান আলীর ঝড়ো ব্যাটিংয়ের কাছে হারতে হয় বাংলাদেশকে।  ৩০ বলে ৬৪ করেন ফাহিম।  ১৫ বলে ২৭ রান করেন হাসান।

টস জিতে শুরুতেই সৌম্যকে হারায় বাংলাদেশ।  দলীয় ২৭ রানের মাথায় সাজঘরে ফিরে যান সৌম্য।  আউট হওয়ার আগে ২২ বলে ১৯ রান করেছেন তিনি।  সৌম্য ফিরলেও ইমরুলকে নিয়ে দেখেশুনে খেলে যান তামিম।  বলের গুনাগুণ বিবেচনা করে ৪১ বলে ৭ চার ২ ছয়ে ঝড়ো ফিফটি পূর্ণ করেন তামিম ইকবাল।  শেষমেশ ১০২ রানে থেমেছে তামিমের ইনিংস।

অর্ধশতকের দেখা পান ইমরুল কায়েস।  প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে ৬২ বলে ৮ চারে ইমরুল তার ইনিংসটি সাজিয়েছেন।  চার রানের জন্য ফিফটি হয়নি মুশফিকের।  ৪৬ রান করেই আউট হয়েছেন মুশি।  তাছাড়া সাকিব ২৩ আর রিয়াদ দলকে ২৯ করে উপহার দিয়েছেন।

শেষ দিকে মোসাদ্দেকের ২৬ ও মিরাজের ১৩ রান দলের সংগ্রহে অবদান রাখে।  পাক বোলাদের হয়ে একাই ৪টি উইকেট শিকার করেছেন জুনায়েদ খান।  ২টি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন শাদাব খান এবং হাসান আলি।

ব্রেকিং নিউজঃ