| |

অপহরনকারী চক্রের ০১ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৪,সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প।

আপডেটঃ 10:35 pm | June 18, 2017

Ad

১। র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বাংলাদেশের মানুষের কাছে একটি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক। বিভিন্ন ধরনের চাঞ্চল্যকর অপরাধের স্বরুপ উৎঘাটন করে অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার কারনেই এই প্রতিষ্ঠান মানুষের কাছে আস্থা ও নিরাপত্তার অন্য নাম হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেছে।

 

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে অপরাধীরা বিভিন্ন অপরাধ করছে তার মধ্যে অপহরণ অন্যতম। র‌্যাব তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ, মাদক, অস্ত্র, অপহরণ সহ  বিভিন্ন প্রকার অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আপোষহীন অবস্থানে থেকে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে যা দেশের সর্বস্থরের জনসাধারন কর্তৃক ইতোমধ্যেই বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

 

বিগত ২০ মে ২০১৭ তারিখে মোঃ আশিক হাসান হৃদয় (১২), পিতা- শাহজাহান, সাং- সিনেমা হল সড়ক, থানা- বাঞ্ছারামপুর, জেলা- বি-বাড়িয়া এর পিতা অপহরণ সংক্রান্তে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্পে একটি অভিযোগ দাখিল করে। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্পের একটি চৌকশ গোয়েন্দা দল গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংগ্রহ করে।

২। তথ্য অনুসন্ধান করে দেখা যায় যে, বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানা এলাকায় আরও একটি যুবক গত ০২ মে ২০১৭ তারিখে অপহরণ হয়েছে এবং একই অপহরণচক্র তাদের দুজনের পরিবারের নিকট ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা করে সর্বমাটে ৪০,০০,০০০/- (চল্লিশ লক্ষ) টাকা মুক্তিপন দাবি করে, টাকা দেয়া না হলে তাদেরকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি প্রদান করে।

 

গোয়েন্দা অনুসন্ধান ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে জানা যায় যে, চক্রটি সংগঠিত একটি চক্র যারা সারাদেশে বিভিন্ন সময়ে কিশোরদের অপহরণের সাথে জড়িত ও অপহরণের পর মুক্তিপনের টাকা বিকাশের মাধ্যমে লেনদেন করে থাকে।

 

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৪,ভৈরব ক্যাম্প একটি চৌকশ দল মেজর শেখ নাজমুল আরেফিন পরাগ এর নেতৃত্বে গত ০৯ জুন ২০১৭ তারিখে মোঃ রফিক মিয়া (৪০), পিতা- হাজী সোনালী মিয়া, সাং- জগন্নাথপুর, থানা- বাঞ্ছারামপুর, জেলা-বি-বাড়িয়াকে গ্রেফতার করে এবং তার বাসা হতে অপহরনের পর মুক্তিপন দাবীর জন্য ব্যবহৃত মোবাইল সহ মোট ০৪টি মোবাইল উদ্ধার করে তাকে বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানায় মামলা মূলে হস্তান্তর করা হয়।

মামলা নং-০৩ তারিখ ০৯-০৬-১৭ ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৭/৮/৩০ ।

৩। পরবর্তীতে অপহৃতদের উদ্ধার ও অপহরণকারী চক্রের বাকী সদস্যদের গ্রেফতারের কার্যক্রম অব্যাহত থাকে এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ জুন ২০১৭ তারিখে র‌্যাবের একটি চৌকশ দল র‌্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মেজর শেখ নাজমুল আরেফিন পরাগ এর নেতৃত্বে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে অপহৃত হৃদয়ের মোবাইল ফোন সহ ০১জন সন্দেহভাজন আসামী মোঃ মহিউদ্দিন (১৮), পিতা- মৃত মোঃ মনির হোসেন, সাং-ছলিমাবাদ, থানা- বাঞ্ছারামপুর, জেলা- বি-বাড়িয়াকে ঢাকা তেঁজগাও থানাধীন তেঁজকুনি পাড়া হতে গ্রেফতার করে।

৪। উক্ত ঘটনায় অপহরণকারী চক্রের অন্যান্য সন্দেহভাজন সদস্য গ্রেফতার ও অপহৃত কিশোরদের উদ্ধারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। উল্লেখ্য যে, ধৃত আসামীকে বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার মামলা নং-০৩ তারিখ ০৯-০৬-১৭, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৭/৮/৩০ ধারা অনুয়ায়ী পূর্বের মামলা মূলে হস্তান্তর করা হয়।

ব্রেকিং নিউজঃ