| |

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ঈদকে সামনে রেখে মাদক সিন্ডিকেট সক্রীয় হয়ে উঠেছে

আপডেটঃ 8:37 pm | June 19, 2017

Ad

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মাদকের ছড়া ছরি হাত মেলাই মিলছে সকল প্রকার মাদক। মাদক নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ ও আরও সংশ্লিষ্ট যারা তাদেরও যেনও মাদক নিয়ন্ত্রনে কোন উদ্দোগ নেই।

 

যে কারণে মাদকের ব্যাপকতা ব্যাপকভাবে প্রসার লাভ করেছে। মাদকে সয়লাব হয়ে গেছে ঝিনাইগাতী উপজেলা। সরকার মাদক নিয়ন্ত্রনে তৎপর থাকা স্বত্বেও মাদক নিয়ন্ত্রন হচ্ছে না। মাদক নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা/কর্মচারীরা মনে হয় শীত নিদ্রায় রয়েছেন।

 

যে কারণে মাদক নিয়ন্ত্রনের তেমন উল্লেখযোগ্য কোন পদক্ষেপ লক্ষ করা যাচ্ছে না। এই মাদকের প্রসার ও ব্যাপকতা নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এতেও কর্তৃপক্ষের কোন নজরদারি লক্ষ করা যাচ্ছে না।

 

মাদক নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যাও দিন দিন যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি মাদক সেবীর সংখ্যাও আশংকা জনক হারে বাড়ছে। এতে যুক্ত হচ্ছে উঠতি বয়সের কোমলমতি স্কুল-কলেজের ছাত্র/ছাত্রীরা।

 

যে কারণে অভিভাবক মহল উৎবিগ্ন। কারণ দেশ ও জাতীর ভবিষ্যত নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা আর এই সমস্ত ছেলে-মেয়েরা যদি মরন নেশা মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে তাহলে দেশ ও জাতীর ভবিষ্যত অন্ধকার।

 

তাই সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছে বিধায় সরকার মাদক নিয়ন্ত্রনে অত্যান্ত তৎপর নির্দেশনা। কিন্তু তারপরেও মাদক সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা মাদক আমদানী ও বিক্রয়ের নিরাপদ রোড হিসাবে বেছে নিয়েছে।

 

উল্লেখ্য, শেরপুর জেলার ৬০ কি: মি: সীমান্ত ঘেষা ভারত বাংলাদেশ। দীর্ঘ এই ৬০ কি: মি: শেরপুর জেলার ৩টি উপজেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ী দূর্গম সীমান্ত এলাকা।

 

এই দূর্গম সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত থেকে বিভিন্ন জাতের মাদক আমদানী করার নিরাপদ মাধ্যম। কারণ এই ৬০ কি:মি: এলাকার জুড়েই দূর্গম পাহাড়ী এলাকা হওয়ায় মাদক আমদানীর জন্য নিরাপদ রোড হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে।

 

এই সমস্ত মাদক আমদানী করতে গিয়ে বহু মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের হাতে বহু বার গ্রেফতার হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা কিছুদিন জেল হাজত খেটে, জামিনে বেড়িয়ে এসে আবারো মাদক ব্যবসায়ী জড়িয়ে পড়ে।

 

কারণ হিসাবে জানা যায় মাদক ব্যবসা অধিক লাভজনক হওয়ায় মামলা-হামলা উপেক্ষা করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এই মাদক সিন্ডিকেটের লোকেরা। পুলিশের চোখঁকে ফাঁকি দিতে নানা কৌশল ব্যবহার করে।

 

পুলিশের হাতে ধরা পরার পরে মাদক পাঁচারের কৌশল পাল্টিয়ে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করে মাদক ব্যবসা জমযমাট ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে।

 

যে কারণে মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মাদক সেবীর সংখ্যাও আশংকা জনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবক মহল সংকিত। তাই মাদক নিয়ন্ত্রনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন এমন প্রত্যাশা অত্র এলাকাবাসীর।

ব্রেকিং নিউজঃ