| |

ফুলবাড়িয়া স্বাস্থ্য কমিটির নির্দেশনা অনিহা! স্বেচ্ছাচারিতার নানা অভিযোগ

আপডেটঃ 8:07 pm | July 04, 2017

Ad

ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডাঃ এ.কে.এম ছিদ্দিকুর রহমান যোগদান করার পর থেকেই উপজেলা চিকিৎসা সেবার মান স্থবিরতার উপক্রম। কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা, অব্যবস্থাপনাসহ নানা অভিযোগ উঠেছে।

 
জানাযায়, কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মনগড়াভাবে হাসপাতাল পরিচালনার কাজে পুরো ব্যস্ত থাকে। অত্র কমপ্লেক্সে যোগদান করার পর তার সু-যোগ্য পুত্র ডাঃ রাইছুল আজম রনিকে ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করে নিয়ে এসেছে।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা এবং ডাক্তার পুত্রসহ দু’জনই প্রাইভেট প্র্যাকটিস্ এ ব্যস্ত। অপরদিকে অন্যান্য ডাক্তারদের উপর অফিসিয়াল ভাবে হয়রানি শুরু করেন। এমনকি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের অন্যত্র বদলি করতে মহাউৎসবে মেতে উঠছে। ফলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ বদলী হতে বাধ্য হচ্ছে।

 

বঙ্গবন্ধুর কন্যা বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাস্থ্য সেবাকে মানুষের দুরগোড়ায় পৌছে দিতে প্রতিঙ্গাবদ্ধ। ডাঃ ছিদ্দিকুর রহমান শুধু তাই নয়, স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন জাতীয় প্রোগ্রামগুলো দায়সাড়া ভাবে পালন করার প্রমানও ইতিমধ্যে বহু মিলেছে।

 

স্বাস্থ্য কমিটির কাউকে তোয়াক্কা করে, কারণ তিনি হলেন বিশ দলীয় জোটের নেতা। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার একই গুন গান করতে তার ভালোলাগে না। এবছর জাতীয় দিবসগুলো পালনে অনিহা প্রকাশ করে আসছে।

 

ড্যাব নেতা ডাঃ ছিদ্দিকুর রহমান ও তার সু-যোগ্য পুত্র পৌরসদরসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রাইভেট প্র্যাকটিস্ করে আসছে। অন্যান্য সুনামধন্য ডাক্তারদের উপর বিভিন্ন ভাবে হয়রানিসহ মিথ্যে দোষারোপ করছে।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের উপর অত্যাচারের কারণে ইতিমধ্যে নাক, কান, ও গলা রোগ বিষেশজ্ঞ সার্জন ডাঃ জিয়াউল মোর্শেদ, হাড় জোড়া রোগ বিষেশজ্ঞ সার্জন ডাঃ জাকির হোসেন জিকু অন্যত্র বদলি হয়েছেন।

 

স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা যদি এইভাবে বিষেশজ্ঞ ডাক্তারদের অত্যাচার শুরু করে, তাহলে ফুলবাড়িয়া উপজেলা গরীব ও হতদরিদ্র রোগিরা স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হবে। কারণ এই ডাক্তার দ্বারা ময়মনসিংহ শহরে চিকিৎসা নিলে অনেক টাকা খরচ করতে হবে। আমরা ফুলবাড়িয়া হাসপাতালে ফ্রি চিকিৎসা নিতে পারতাম।
ডাক্তার পুত্র তিনি বলেন, আমার পোস্টিং বালিয়ান ইউনিয়নে কোন স্থাপনা না থাকায় অত্র ইউনিয়নে যাইনা। আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত অফিস করি।
স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডাঃ এ.কে.এম ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, বদলির দায়িত্ব আমার না এটা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাজ। স্বাস্থ্য দিবসের দিনটি ছিল শুক্রবার বড়ধরনের প্রোগ্রাম করতে পারি না। বিস্তারিত মোবাইলে কি বলব আসুনচা-র দাওয়াত রইল হাসপাতালে।

ব্রেকিং নিউজঃ