| |

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত

আপডেটঃ 5:38 pm | August 14, 2017

Ad

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলাতে গত ৭দিনের টানা বর্ষণ আর পাহাড়ী ঢলে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত। সদ্য রোপনকৃত আমন ফসলসহ শাক-সবজির ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে।

 

পানি বন্দী হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। অনেক গ্রামাঞ্চলের সঙ্গে যোগযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বন্যার পানির কারণে। উল্লেখ্য, অবিরাম বর্ষণ ও ভারত থেকে প্রবাহিত নদী মহারশী, সোমেশ্বরী, কালঘোষা, কর্ণঝোড়া, ভোগাইসহ অন্যান্য নদী দিয়ে প্রবল বেগে বন্যার পানি নেমে এসেছে।

 

এতে ভারী বর্ষণের পানি ও ঢলের পানি মিলে শেরপুর জেলার প্রায় ২৫-৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত এলাকাগুলি হচ্ছে, কান্দুলী, ধানশাইল, বাগেরভিটা, আয়নাপুর, বিষ্ণপুর, দুপুরিয়া, বগাডুবি, চতল, রামনগর, বনগাঁও, জিগাতলা, সুরিহারা, হাসলিবাতিয়া, হাসলিগাঁও, রাঙ্গামাটিয়াসহ আরও বহু এলাকা।

 

প্রকাশ থাকে যে, এসমস্ত এলাকায় বোরো মৌসুমের সময় সমস্ত পাকা ধান বন্যার পানিতে তলিয়ে নষ্ঠ হয়ে গেছে। বোরো ফসল নষ্টের ক্ষতি কাটিয়ে না উঠতেই আবারও ক্ষতির মুখে পড়ল দরিদ্র কৃষকরা।

 

বর্তমানে আবার চলতি আমন মৌসুমের সদ্য রোপনকৃত ৪-৫ হাজার হেক্টর জমির আমন ধান বন্যার পানিতে আবারও তলিয়ে গেছে। এতে দরিদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের এসমস্ত রোপনকৃত ফসল ক্ষতিগ্রস্থ্য হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

 

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ্য এলাকায় ঝিনাইগাতী উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা পরিদর্শনে যান এবং সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে ত্রান সহায়তা প্রদানের জন্য দাবী জানান।

 

এছাড়াও শেরপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ.কে.এম ফজলুল হক চাঁন দলীয় নেতাকর্মীদের বন্যা দূর্গত পরিবারদের পাশে দাড়াতে নিদের্শ দেন।

 

তবে দূর্গতরা এখনো সরকারী ভাবে কোন ত্রান সহায়তা পায়নি। এব্যাপারে ঝিনাইগাতী প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বন্যা কবলিত দূর্গতদের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

ব্রেকিং নিউজঃ