| |

জামালপুরের শাহবাজপুরে মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকী দেয়ার অভিযোগ

আপডেটঃ 7:09 pm | September 23, 2017

Ad

মোঃ রিয়াজুর রহমান লাভলু : জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহতপক্ষের মামলার বাদী হাফিজুর রহমান হাফিজকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে একই এলাকার প্রতিপক্ষ আসামী আব্দুল আজিজ গংদের বিরুদ্ধে।

 

এ বিষয়ে গতকাল শনিবার হাফিজুর রহমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। মামলার বাদী হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, তিনি জামালপুর শহরস্থ তমালতলার ইউরোপা নামের একটি বেসরকারী হাসপাতালে চাকুরী করেন।

 

ঘটনার দিন গত ১৭ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫ টার দিকে সে বাড়িতে না থাকায় প্রতিবেশী প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় হাফিজুর রহমানের বাড়ি বে-দখল করার চেষ্টা করেন এবং হাফিজকে উদ্যেশ্য করে অশালীন ভাষায় গালি-গালাজ করতে থাকে।

 

পরে হাফিজুর রহমান হাফিজের বোন মোর্শেদা বেগম বাড়ি বে-দখল ও তার ভাইকে অকথ্য ভাষা বকাবকির বিষয়টির প্রতিবাদ করলে আব্দুল আজিজের হুকুমে তার পুত্র রুকন মিয়া মোর্শেদা বেগমকে তার কপালে হত্যা করার উদ্যেশ্যে রাম দা দিয়ে কোপ মারে।

 

এতে মোর্শেদা ও হাফিজুর রহমান হাফিজের স্ত্রী জুথি বেগমসহ ৪ জন গুরুতর আহত হন। আহতরা জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ব্যাপারে হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে গত ১৮ সেপ্টেম্বর জামালপুর কোর্টে ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৬ মামলা দায়ের করেছেন।

 

মামলা করার পর ওই রাতেই ১ নং আসামী আব্দুল আজিজ ও ২ নং আসামী রুকন মিয়াকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেন। এর পর থেকেই বিবাদী পক্ষরা মামলা তুলে নেয়ার জন্য মামলার বাদী শাহবাজপুর এলাকার মৃত: আব্দুল মোতালেবের পুত্র হাফিজুর রহমান সহ তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকী সহ ভিটে ছাড়ার কথা বলে বেড়াচ্ছে।

 

এমনকি হাফিজুর রহমান হাফিজ তার কর্মস্থল ইউরোপা হাসপাতালে যাতায়াতের সময় যে কোন মূহুর্তে সন্ত্রাসীদের হাতে আহত হতে পারেন বলে তিনি জানান। এ ব্যাপারে হাফিজুর রহমান হাফিজ তিনি ও তার পরিবারের আত্মরক্ষার জন্য ৩০৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

 

এ ব্যাপারে শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী খান বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। এ বিষয়ে যেহেতু কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে তারাই এখন এ ব্যাপারে দেখবেন। এ ব্যাপারে নারায়নপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মুহাব্বত কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ মামলায় ঘটনার দিন ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।

ব্রেকিং নিউজঃ