| |

আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে দীর্ঘ ১৭ বছর যাবৎ জড়িয়ে আছেন জেসমিন বেগম মিনু

আপডেটঃ 10:57 pm | September 28, 2017

Ad

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনাকে ভালবেসে ও বিশ্বাস করে এবং অনুপ্রানিত হয়ে এস এস সি পাশা করার পর আলমগীর মনসুর মেমোরিয়াল মিন্টু কলেজে ভর্তি হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগদেন জেসমিন বেগম মিনু।

 

পরে তিনি আলমগীর মনসুর মেমোরিয়াল মিন্টু কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। জেসমিন বেগম মিনু‘র বাড়ী সরকারী আনন্দ মোহন কলেজ সংলগ্ন ৬১.ক কলেজ রোডে।

 

মুসলিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেনীতে লেখাপড়া করা অবস্থায় জেসমিন বেগম মিনু আনন্দ মোহন কলেজের সামনে দিয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে আনন্দ মোহন কলেজের তৎকালীন ছাত্রনেতা এহতেশামুল আলম, সাবেক ভিপি মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, গোলাম ফেরদৌস জিল্লু,

 

কাজী আজাদ জাহান শামীম সহ ছাত্রলীগদের নেতাদের রাজপথে মিটিং, মিছিল, সভা সমাবেশে বক্তব্যে ও সংগ্রামী নেতৃত্ব দেখে আওয়ামীলীগের কর্মী হয়ে রাজপথে নামার জন্য অনুপ্রানিত হন।

 

তার ভিতরে ইচ্ছা ও বাসনা জাগে, সেও একদিন বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শের রাজপথের লকাকু সংগ্রামী সৈনিক হবেন।

 

মুসলিম স্কুল হতে এসএসসি পরিক্ষায় পাশ করলেও আনন্দ মোহন কলেজে ছাত্রলীগ করার সুযোগ না থাকায় ছাত্রলীগ নেত্রী হওয়ার আকাংখায় ভর্তি হন আলমগীর মনসুর মেমোরিয়াল মিন্টু কলেজে।

 

তখন ছাত্রনেতা এহতেশামুল আলম, সাবেক ভিপি মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, গোলাম ফেরদৌস জিল্লু, কাজী আজাদ জাহান শামীম সহ ছাত্রলীগ নেতারা রাজপথের লড়াকু সৈনিক ছিলেন।

 

ছাত্রলীগ নেতাদের তুখোড় রাজনীতি দেখে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতর প্রতি তার শ্রদ্ধা ও আগ্রহ জাগে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি নেতাদের শ্রদ্ধা ও ভালবাসা দেখে তখন তার ভিতরে আগ্রহ জাগে, স্কুল পাশ করে কলেজে ভর্তি হয়েই ছাত্রলীগের একজন আদর্শবান ও সংগ্রামী নেত্রী হবেন।

 

তিনি কলেজে ভর্তি হয়েই সেই ইচ্ছা পুরন করেন। মুসলিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করা অবস্থায় কলেজ রোডের বাসা হতে স্কুলে আসার সময় মাঝে মধ্যে চোখে পড়ত আনন্দ মোহন কলেজের ছাত্রদের মিটিং মিছিল।

 

ছোট বেলা থেকেই তিনি জাতির জনক বন্ধবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধা করেন ও ভালবাসেন ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি আস্তাশীল হয়ে দেশ সেবার কাজে নিজেকে মনোনিবেশ করেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের নিসংস হত্যাকান্ড তার হৃদয়ে ব্যাপক কষ্ট বয়ে আনে।

 

সেই থেকে আওয়ামীলীগের নেত্রী হওয়ার প্রত্যাশায় রাজনীতিতে জড়িয়ে পরেন ময়মনসিংহের আলমগীর মনসুর মেমোরিয়াল মিন্টু কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী জেসমিন বেগম মিনু।

 

মিন্টু কলেজের তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা আজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তুমুল প্রতিদন্দিতায় সাধারন সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন।

 

তখন ভিপি কবির সহ তিনি রাজপথে নেমে বিভিন্ন মিছিল, মিটিং, বিভিন্ন সভা, মানববন্ধনসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক, মানব সেবা, স্বাস্থ্য সেবা, দরিদ্র শিশু, নারী পুরুষের সহযোগিতা এবং নানাদিকে পাশে থাকেন।

 

মিন্টু কলেজে লেখাপাড়া করা অবস্থায় তিনি বিভিন্ন দরিদ্র অসহায় ছাত্রছাত্রীদের ফরম ফিলাপ সহ লেখাপড়ায় বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করেছেন।

 

ডিগ্রী পাশ করা পর্যন্ত মিন্টু কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রী হিসাবে মিটিং, মিছিল ও সমাবেশে অগ্রনী ভুমিকা পালন করেন। ১৯৯৮ সনের বন্যার সময় তিনি নিজ হাতে রুটি তৈরী করে আসহায় মানুষের মাঝে বিতরন করেন।

 

পরবর্তীতে বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর কিছুদিন ব্র্যাকের প্রোগ্রাম অর্গেনাইজার হিসাবে গফরগাঁও, ময়মনসিংহ শম্ভুগঞ্জ অফিসে ৬ বছর চাকুরী করেন। চাকুরী করলেও তিনি রাজনীতি হতে দুরে সরে যাননি।

 

যতটুকু সময় পেয়েছেন রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থেকে মানুষের সেবা করেছেন। সব সময় রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার চেষ্টা করেছেন। ব্রাকের সহযোগিতায় চাকুরী করেও তিনি বিনা মুল্যে দরিদ্রদের স্বাস্থ্যসেবা, গর্ভবর্তী মহিলাদের চেকআপ ও যক্ষা রোগীদের বিনামুল্যে স্বাস্থ্য চিকিৎসা ও ঔষদ বিতরন করেন।

 

ব্রাকের সহযোগিতায় বিনা মুল্যে ল্যাট্রিন ও টিউবওয়েল বিতরন করেন। তিনি সব সময় অসহায় গরীব দু:খীদের পাশে থাকতে ভালবাসেন। ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগ নেতা এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের নেতৃত্বে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের উজ্জীবিত করার আন্দোলনে অংশ গ্রহন করেন।

 

বর্তমানে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জননেতা এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের নেতৃত্বে সংগঠিত প্রায় সকল অনুষ্ঠানে পুনরায় সক্রিয় রয়েছেন।

 

এছাড়া তিনি সাংস্কৃতিক অঙ্গন সহ সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে উতপোত ভাবে জড়িত রয়েছেন। তিনি সব সময় দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে থাকতে ভাল বাসেন। তিনি রাজনীতির পাশাপাশি বিটিভির এ্যাক্টর ও মডেল হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি নাটক, শর্টফিল্ম ও কবিতা লিখেন। তিনি রাজনীতি, সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও দরিদ্র মানুষ নিয়ে থাকতে ভালবাসেন।

 

তিনি বলেন, আমার কথা হচ্ছে, মানব সেবাই, বড় সেবা। মানব ধর্মই হচ্ছে, পরম ধর্ম। মুত্যুর পুর্ব পর্যন্ত যেন আমি মানব সেবার কাজ করে মরতে পারি। পাশাপাশি মানব সেবার জন্য রাজপথে থেকে লড়াকু সৈনিক হিসাবে কাজ করতে পারি।

 

জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সর্বশেষ শক্তি পর্যন্ত ব্যায় করতে পারি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শকে বুকে লালন করে ত্যাগী নেত্রী হিসাবে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করতে পারি।

 

রাজ পথে থেকেই যেন মৃত্যু বরন করতে পারি। বঙ্গবন্ধুর মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি তার পিতার আদর্শ ও পরিবারের নিসংস হত্যাকান্ডের কষ্ট বুকে লালন করে আজকে বাংলাদেশে একজন জননেত্রী,

 

জনমাতা, সারা বিশ্বের মডেল হয়ে আসহায় মানুষের পাশে থেকে সংগ্রাম করে দেশ চালিয়ে যেতে পারেন, তবে আমরা কেন তার পদাঙ্ক অনুসরন করে যোগ্যতম রাজপথের সৈনিক হতে পারবোনা।

 

জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের পাশে থেকে নানা দুর্যোগ, সন্ত্রাস ও জঙ্গি নির্র্মূল এবং মায়ানমারের ৮লাখ রোহিঙ্গাদের সমস্যা সমাধানের প্রশংসনীয় উদ্দোগ নিয়ে বিশ্বব্যাপী সারা জাগিয়েছেন ও দক্ষতার সাথে কাজ করে সুনাম অর্জন করেছেন।

 

যার ফলে জাতিসংঘে তিনি বিশ্বের সেরা ১০ জনের মধ্যে একজন হিসাবে মাদার অফ হিউমিনিটি খ্যাতিতে ভুষিত হয়েছেন। আমরা কামনা করি তিনি সুনাম ও সুখ্যাতির সাথে বাকী জীবন দেশ পরিচালনা করুক। মহান আল্লাহতালা তাকে দীর্ঘায়ু দান করুক।

ব্রেকিং নিউজঃ