| |

আজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রানিত এডভোকেট জালাল উদ্দিন খান আগামী নির্বাচনে ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী

আপডেটঃ 2:05 am | October 03, 2017

Ad

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় নৌর্কা প্রতিকের মনোনয়ন প্রত্যাশী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানিত আজীবন লড়াকু সৈনিক ও ত্যাগী আওয়ামীলীগ নেতা এডভোকেট মোঃ জালাল উদ্দিন খান।

 

শিক্ষা জীবন শেষে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে রাজনীতিতে যোগদান করে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ত্রিশাল থানার আহবায়ক হন। ত্রিশাল যুবলীগের আহবায়ক হয়ে তিনি যুবলীগকে সুসংগঠিত করেন। পরে তিনি ১৯৯১ সনে ত্রিশাল থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে তিনি ত্রিশাল আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ছিলেন।

 

তিনি সফল ভাবে ১৯৯৬ সন পর্যন্ত ত্রিশাল আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি ১৯৯৭ সন হতে ২০১৬ সন পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ছিলেন। সৎ রাজনীতিবীদ হিসাবে এলাকার তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। তিনি অদ্যবদি রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন।

 

ক্লিন ইমেজ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবীদ হিসাবে ত্রিশালে তার বিকল্প নেই। শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে ঐতিহ্যমন্ডিত ত্রিশাল উপজেলা ধানীখোলা ইউনিয়নে ১লা ফেব্র“য়ারী ১৯৫৪ইং সনে তিনি জন্মগ্রহন করেন। ধানীখোলা চর কুমারিয়া গ্রামের মরহুম আব্দুর রহমান খান এর পুত্র এডভোকেট মোঃ জালাল উদ্দিন খান পেশাগত কারনে বর্তমানে ১৫৮/এ, কালীবাড়ী রোড, ময়মনসিংহ শহরে বসবাস করেন। তিনি ৩০/০৮/১৯৮২ খ্রীঃ আইনজীবী হিসাবে যোগদান করেন।

 

১৯৮৫ সনে ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সনে জেলা আইনজীবী সমিতির ময়মনসিংহের সহ-সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৮ সনে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় জেলা আইনজীবী সমিতি ময়মনসিংহের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৯ সনে ২য় বার জেলা আইনজীবী সমিতি ময়মনসিংহের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

 

২০১২ সনে জেলা আইনজীবী সমিতি ময়মনসিংহের সহ সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ত্রিশাল উপজেলা শাখা কার্য্যকরী কমিটির সদস্য। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখা (২০১৬ সনে বিলুপ্ত) সাবেক স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, ময়মনসিংহ জেলা শাখা (১৯৯৭-২০০৩) সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ত্রিশাল থানা শাখা (১৯৯১-১৯৯৬) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

 

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ত্রিশাল থানা শাখা ( ১৯৮৫-১৯৯১) সাবেক যুব সম্পাদক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখা সহ সভাপতি ছিলেন। পাশাপাশি তিনি বড় মসজিদ, ওয়াকফ কমিটি, ময়মনসিংহ (২০০৯) হতে অদ্যাবধি) সহ-সভাপতি। বায়তুল হামদ জামে মসজিদ, ময়মনসিংহ (১৯৯৮/১৯৯৯) সন হতে অদ্যাবধি) সাধারণ সম্পাদক হিসাবে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

তিনি ঐতিহ্যবাহী মিলন সমাজ ক্লাব ধানীখোলা, ত্রিশাল উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ময়মনসিংহ এর আজীবন সদস্য, নাটাব, ময়মনসিংহ সদস্য হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ত্রিশাল থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক থাকা কালীন সময়ে ১৯৯৫ সনে সারের জন্য কৃষকগণ থানা সদরে মিছিল করার সময় প্রশাসনের নির্দেশে পুলিশ গুলি ছুড়ে। গুলিতে ১৭ জন কৃষক আহত হয়। এর প্রতিবাদে ত্রিশাল থানা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা হয়।

সভায় তৎ সময়ের মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি দেশরতœ গণমানুষের নেতা জনাবা শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে নজরুল ডিগ্রী কলেজ মাঠের সভায় বক্তব্য রাখেন। তিনি সাধারণ সম্পাদক হিসাবে উক্ত সভা পরিচালনা করেছেন। ১৯৯১ সন হতে ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চেয়ে আসছেন।

 

অনেকেই মনে করেন আজীবন বঙ্গবন্ধু প্রেমিক, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া সংগঠন আওয়ামীলীগের একনিষ্ট কর্মী, শিক্ষিত, কর্মচঞ্চল, ত্যাগী এই নেতাকে আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়া হলে মতবেদ ভুলে সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরো তরান্নিত করা সম্ভব হবে। আওয়ামীলীগের দলীয় নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ কাজ করা সুযোগ পাবে।

ব্রেকিং নিউজঃ