| |

অবসটিষ্ট্রিক্যাল এন্ড গাইনীকলোজিষ্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ ময়মনসিংহ শাখার আয়োজনে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত ডা: টি.এ চৌধুরী ও চিকিৎসাসেবায় ডা: কামরুননাহার এর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও অতিথি অধ্যাপক ডা: এম.এ আজিজ

আপডেটঃ 11:43 am | October 08, 2017

Ad

ইব্রাহিম মুকুট ॥ ৫ অক্টোবর ২০১৭ সকাল ১০টায় হোটেল সিলভার ক্যাসেল এন্ড স্পা, ময়মনসিংহে অবসটিষ্ট্রিক্যাল এন্ড গাইনীকলোজিষ্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ ময়মনসিংহ শাখার আয়োজনে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত ডা: টি.এ চৌধুরী ও চিকিৎসাসেবায় ডা: কামরুননাহার এর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এর মহাসচিব, ময়মনসিংহের কৃতি সন্তান অধ্যাপক ডা: এম.এ আজিজ ।

 

তিনি তার উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বলেন ব্রহ্মপুত্রের এই উর্বর ভূমি ঘেষা এই প্রাকৃতিক পরিবেশে আয়োজিত স্বাধীনতা পদকে ভূষিত ডা: টি.এ চৌধুরী ও চিকিৎসাসেবায় ডা: কামরুননাহার এর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজক অবসটিষ্ট্রিক্যাল এন্ড গাইনীকলোজিষ্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ ময়মনসিংহ শাখার কর্মকর্তাগণ এবং বাংলাদেশের স্বনামধন্য ঔষধ কোম্পানী রেনেটার সহযোগিতায় অনুষ্ঠানের জন্য সকলের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং আজকের এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষনা করছি। পরে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ বিএম এর সাধারণ সম্পাদক ডা: এইচ এ গোলন্দাজ তারা।

 

তিনি বলেন মানুষ তার কর্মের মধ্যেই বেচে থাকেন। সমাজে ভাল কাজের জন্য মানুষ এক সময় বিরল সম্মাননা পায়। আজকের এই অনুষ্ঠানের মূল মধ্যমনি উদ্বোধক ও অতিথি অধ্যাপক ডা: এম.এ আজিজ ময়মনসিংহের কৃতি সন্তান তিনি ডাক্তার সমাজের অহংকার। অধ্যাপক ডা: এম.এ আজিজ আজকের এই অনুষ্ঠানে আমরা যাদেরকে নিয়ে গর্ব করতে পারি সেই দুইজন ডা: টি.এ চৌধুরী ও ডা: কামরুননাহার মানবতার সেবক।

 

স্বাধীনতা পদকে ভূষিত একজন ডা: টি.এ চৌধুরী ও ময়মনসিংহের মাদার তেরেসা ডা: কামরুন্নাহার। যাদের চিকিৎসা সেবা ময়মনসিংহের সাধারণ মানুষ কখনো ভুলতে পারবে না। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় স্বাচিপের সহ-সভাপতি, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা: আ.ন.ম ফজলুল হক পাঠান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন যেকোন ভাল মানুষের জন্য ভবিষ্যতে ভাল কিছু অপেক্ষা করে।

 

তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আজকের এই অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানের সংবর্ধিত চিকিৎসা সেবায় ডা: টি.এ চৌধুরী স্যার ও ডা: কামরুননাহার ম্যাডামকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ সিবিএমসিবি এর অধ্যক্ষ ডা: মির্জা মানজুরুল হক, প্রফেসর ডা: এম.করিম খান, অধ্যাপক ডা: তাইয়্যাবা তানজিম মির্জা, অবসটিষ্ট্রিক্যাল এন্ড গাইনীকলোজিষ্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ এর মহাসচিব ডা: ফিরোজা বেগম, ডা: জিন্নাতুন নূর সহ অন্যান্য ডাক্তারবৃন্দ।

 

আনন্দঘন এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা: এম.এ আজিজ বলেন আমাদের এই ময়মনসিংহের অহংকার, ময়মনসিংহবাসীর চিকিৎসা সেবায় ডা: কামরুন্নাহার ময়মনসিংহের সাধারণ মানুষের কাছে মাদার তেরেসা বলে অভিভূত হয়েছে এবং তিনি মানবতার স্বপক্ষে কাজ করেছেন। তার এই সম্মাননা প্রাপ্য। ময়মনসিংহবাসী তাকে আজীবন স্মরণ রাখবে।

 

ডা: টি.এ চৌধুরী স্যার তার সারাজীবনের মানবিক গুণাবলী বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবায় বিরল দৃষ্টান্ত রাখায় তার স্বীকৃতি স্বরূপ স্বাধীনতা পদক আমাদের আনন্দের বিষয়। আজকে যারা এই ব্যাতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গুণীজনদেরকে সম্মান জানালেন সেই অবসটিষ্ট্রিক্যাল এন্ড গাইনীকলোজিষ্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ ময়মনসিংহ শাখা ও রেনেটাকে আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

 

এই ভাল উদ্দেশ্যে যেন সব সময় মানুষের দাড়প্রান্তে পৌছে দিতে পারে এইসব প্রতিষ্ঠানগুলো। তিনি বলেন মানবতার জননী বঙ্গবন্ধু কন্যা, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আজকে এই বাংলাদেশে প্রায় ৫/৬ লক্ষ রোহিঙ্গা আশ্রয় দেয়া হয়েছে।

 

তাদের খাদ্য, স্বাস্থ্য চিকিৎসা থেকে শুরু করে যতদিন পর্যন্ত তারা তাদের দেশে ফিরে যাওয়ার ফিরে না পাচ্ছে ততদিন পর্যন্ত এ দেশে তারা মেহমান হিসেবে থাকবে। একজন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মানবতার জননী তিনি বলেছেন প্রয়োজনে একবেলা খাব, তারপরেও এই রোহিঙ্গাদের দেশে না ফেরা পর্যন্ত আমরা সহযোগিতা করব।

 

আপনারা বঙ্গবন্ধু কন্যার জন্য দোয়া করবেন। পুনরায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নৌকায় ভোট দেবেন। আজকের এই স্বাস্থ্য খাত থেকে শুরু করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিকল্পে বাংলাদেশের মানুষ অন্য কাউকেই ভাবতে পারেনা। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

 

ডা: টি.এ চৌধুরী স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশে বলেন আপনারা আমাকে আজকে সংবর্ধনা দিচ্ছেন। তার জন্য আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। কিন্তু আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার এই স্বাধীনতা পদকে নাম ঘোষনা করায় কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

 

একজন প্রধানমন্ত্রীর সফলতার দাড়প্রান্তে তখনি পৌছায় যখন তার চিন্তা চেতনায় শুভ চিন্তা লালন করে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সব সময় বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যায়, ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নেয়। জয় হোক জননেত্রী শেখ হাসিনার, জয় হোক বাংলাদেশের।

 

অনুভূতি প্রকাশে ময়মনসিংহের মাদার তেরেসা বলে অবহিত ডা: কামরুন্নাহার বলেন আজকে আমাকে এই অনুষ্ঠানে সম্মান জানানোর জন্য আয়োজকদেরকে ধন্যবাদ। আমি মনে করি মানুষ যদি সর্বক্ষেত্রে চেতনাকে সু-চেতনা হিসেবে ভেতরে লালন করে, ভাল কাজে নিজেকে নিয়োজিত করে সে একদিন মানুষের কাছে প্রিয় হিসেবে আখ্যায়িত হবেই।

 

আমি আমার কর্মজীবনে মানবতার বিষয়টাকেই মুখ্য হিসেবে ধরে রেখেছি। প্রতিটা কাজের জন্য প্রয়োজন ধৈর্য্য। সে ধৈর্য্য ও অধ্যাবসায় আমাকে আজকে মানুষের কাছে ডা: কামরুন্নাহার হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।

ব্রেকিং নিউজঃ