| |

ত্রিশালে মনোনয়ন দ্বন্ধে আওয়ামীলীগের ডজন নেতা বিএনপির একক প্রাথী হতে পারেন ডাঃ লিটন

আপডেটঃ 11:24 pm | October 09, 2017

Ad

মো: নাজমুল হুদা মানিক/ ফয়জুর রহমান ফরহাদ ॥ ময়মনসিংহ ৭ (ত্রিশাল) আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশ গ্রহণে ব্যাপক প্রতিযোগিতা মূলক নির্বাচন হবে এমনটা ধরে নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমে গেছে রাজনৈতিক দলগুলো। নিজ নিজ কৌশলে ঘর গোছানোর পাশাপাশি জোর প্রস্তুতি চলছে ভোটযুদ্ধের। ভোটারদের নিজের দিকে আকৃষ্ট করতে নেয়া হচ্ছে নানা কর্মসূচি। চলছে নানা কৌশল। অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটিয়ে উপযুক্ত প্রার্থী বাছাইয়ের কাজও এগিয়ে রাখছে রাজনৈতিক দলগুলো।

 

নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তৃণমূলে তীক্ষ্ম নজর রাখছেন সকল দলে জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের হাইকমান্ড থেকে শুরু করে দলের নীতি নির্ধারণী মহল। সব মিলিয়ে সবাই এখন নির্বাচনমুখী। জানাযায়, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল সংসদীয় আসনটি রাজনৈতিক কৌশলগত কারণে জাতীয় পার্টিও (জাপা) প্রার্থীকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আওয়ামী লীগ।

 

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে মহাজোট রক্ষার স্বার্থে জাতীয় পার্টিকে আসনটি ছেড়ে দিতে হয়।। তবুও কথিত আছে, অন্ধকারের নানান প্রভাব কাজে লাগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব হাফেজ রুহুল আমীন মাদানীকে পরাজিত করানো হয়েছে। সাবেক সংসদ সদস্য হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী ত্রিশাল ইউনিয়নের সতের পাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

 

তিনি ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি এমপি থাকাকালীন সময়ে ত্রিশালের ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এছাড়াও ব্যক্তিগত ভাবে তিনি মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করে যাচ্ছেন, তিনি সাংসদ থাকাকালীন সময় ত্রিশাল উপজেলা এলাকায় ১৫০ কি: মি: পাকা রাস্তা, ৯০টি প্রাইমারী,উচ্চ বিদ্যালয়,মাদ্রাসার বিন্ডিং নির্মান করেছেন। ১৯টি বড় ব্রীজ ্ও ছোট ব্রীজ নির্মান করেছেন শতাধিক।

 

তিনি ত্রিশালের উল্লেখযোগ্য সকল হাইস্কুল, মাদ্রাসা,কলেজগুলো এমপ্ওি ভুক্ত করেছেন। তিনি গত ২৪-৯-১৭ তারিখে নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে মিয়ানমার রাখাইন রাজ্যের সেনাবাহিনীর গনহত্যা আর ভয়ংকর নির্য়াতনের হাত থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশা কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের জন্য প্রায় ১২ লক্ষ টাকা নিজ হাতে রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতরন করেছেন।

 

এই জন্যই ত্রিশালবাসী তাকে উন্নয়নের রুপকার বলে আখ্যায়িত করেন। সৌদি আরবের মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ ডিগ্রীধারী হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী জনপ্রিয় জননেতা হিসেবে ত্রিশালবাসীর অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন। যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় জাতীয়পার্টির নেতা এম এ হান্নান কারাবন্দি থাকায় আগামী নির্বাচন ঘিরে এই আসনের আওয়ামী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

 

নৌকায় চড়ে আগামী ভোটের বৈতরণী পাড়ি দিতে মাঠে নেমেছেন ক্ষমতাসীন দলের সাবেক তিন এমপিসহ একাধিক উদীয়মান নেতাও। এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন ত্রিশাল উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের সিংরাইল গ্রামে সস্ব্রান্ত তরফদার পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।

 

১৯৯০ এর স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী ছ্ত্রা আন্দোলনের প্রথম সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন। ১৯৯১সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে খালেদা জিয়ার নির্দেশে তৎকালীন স্বাস্থ্য মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের সহকারী একান্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩ সালে উচ্চতর শিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে উ্চ্চ শিক্ষা লাভ করেন।

 

তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হয়ে বিভিন্ন দেশ সফর করেন। প্রায় এক দশক স্থানীয় রাজনীতির একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রক তিনি। ডা: লিটন ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত আহবায়ক হিসাবে দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অগ্রাধীকার প্রকল্পের মাধ্যমে সাড়ে ৩ বছরে ত্রিশাল উপজেলায় ব্রাপক উন্নায়ন মুলক কাজ করেন।

 

মোক্ষপুর ইউনিয়ন যখন বিদ্যুৎ সুবিদা পায়নি, তখন তিনি সর্ব প্রথম পল্লী বিদ্যুৎ টি এস আর এর মাধ্যমে বিদুৎবিহীন মোক্ষপুরবাসীকে বিদ্যুতের সংযোগ লাইন স্বাপন করে আলোকিত করেন। ত্রিশাল উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নে মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির সংস্কার সহ উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স কে ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নিত করেন।

 

বালিপাড়া বাজারে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করেন, একশত পরিবারের জন্য ৪.৮০ একর জমির উপর মাগুরজোরা আবাসন প্রকল্প নির্মান করেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ এনে দেন। বর্তমানেও তিনি বিএনপির কান্ডারী হিসাবে সার্বক্ষনিক কাজ করেছেন। ডা: লিটনের নেতৃত্বে ত্রিশাল উপজেলায় বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল নেই। ত্রিশালে তিনি খুবই জনপ্রিয় ব্যাক্তি হিসাবে পরিচিত। বিগত বছরগুলোতে ত্রিশালে জাপার একমাত্র মুখ ছিলেন আলহাজ্ব এম এ হান্নান। তিনি যুদ্ধাপরাধের মতো স্পর্শকাতর অভিযোগে কারাগারে যাওয়ার দলটির আর কোনো তৎপরতাই নেই ত্রিশালে।

 

সাবেক জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সস্পাদক মতিন সরকার সাবেক একজন এমপি হয়েও পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচন করেন। বিগত দিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারনে তিনি দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য কেন্দ্রে লবিং শুরু করেছেন। ২০০৮ সালে মনোনয়ন পাওয়ার পর এমপি নির্বাচিত হন এডভোকেট রেজা আলী। তিনিও ত্রিশালের উন্নয়নের জন্য কাজ করেছেন। উপজেলা আওয়ামীগের অনেক নেতাই মনে করেন কেন্দ্রীয় ভাবে মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে আছেন এড. রেজা আলী।

 

ত্রিশালের জন্য উন্নয়র মুলক কাজ করলেও তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি পরের নির্বাচনে। এড. রেজা আলী ব্যবসায়ী হিসাবেই অধিক পরিচিতি রয়েছে। ত্রিশালের রাজনীতিতে তিনি প্রতিটি সমাবেশে অংশগ্রহন করছেন। আগামী নির্বাচনে এবারও এই তিন সাবেক এমপি প্রার্থী হতে চান। প্রত্যেকের রয়েছে পৃথক বলয়, তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বও প্রবল।

 

‘ত্রিশালে আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক’ ও ‘পূর্ণাঙ্গ’ কমিটি রয়েছে। দুই কমিটি দলীয় কর্মসূচি পালন করে পৃথক ভাবে। এ তিন নেতা ছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা, সাবেক যুবলীগ নেতা ও ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ত্যাগী আওয়ামীলীগ নেতা এড. জালাল উদ্দিন খাঁন ।

 

তিনি ধানীখোলা চর কুমারিয়া গ্রামের মরহুম আব্দুর রহমান খান এর ছেলে ১লা ফেব্রুয়ারী ১৯৫৪ ইং সনে জন্মগ্রহন করেন। এড.জালাল উদ্দিন খাঁন আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন প্রত্যাশী। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে শিক্ষা জীবন শেষে রাজনীতিতে যোগদান করার পর ত্রিশাল উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে দলকে সুসংগঠিত করেন।

 

১৯৯১ সালে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সস্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি মসজিদ, মাদ্রাসা, সহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করছেন। ধানীখোলা ইউনিয়নবাসীর কাছে সৎ আদর্শ বান ও ক্লিন ইমেজের রাজনীতীবীদ হিসেবে তার জনপ্রিয়তা রয়েছে। আগামী নির্বাচনে তিনিই মনোনয়ন পাবেন বলে আশা করছেন।

 

তিনি ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবি সমিতির নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক ও সহ সভাপতি হিসাবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। গত পৌর নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে বিজয়ী হন মেয়র এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ। তিনি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। এর আগে তিনি ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক ছিলেন।

 

বর্তমানে সফল মেয়র হিসাবে কাজ করে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিযতা অর্জন করেছেন। মনোনয়নের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। মেয়র আনিস কে মনোনয়ন দেয়া হলে নৌকার পাল তুলে আওয়ামীলীগের এই সিটটি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। আগামী নির্বাচনে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সরকারও সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পাওয়ার জন্য দলীয ভাবে কর্মসুচি পালন করে যাচ্ছেন। উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা নবী নেওয়াজ সরকার, এএনএম শোভা মিয়া আকন্দ, অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক সবুজ, আবুল কালাম আজাদ, আনোয়ার হোসেন আকন্দ,

 

আশরাফুল ইসলাম মন্ডল, শরীফ তালুকদার, ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিচার্স অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল আলম পাঠান (মিলন পাঠান) দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী। এক সময় তারা সাবেক তিন এমপির কারও না কারও অনুসারী ছিলেন। এবার নিজেরাই প্রার্থী হতে মাঠে নেমেছেন।

 

২০১২ সালে ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগে আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়। পাঁচ বছরেও সম্মেলন হয়নি, আগের কমিটির নেতারা এখনও পদে ‘বহাল’ রয়েছেন। এতে দ্বন্দ্ব চরমে। নেতা কর্মীরাও বিভ্রান্ত। কে কার অনুসারী তা বোঝা মুশকিল। দলটির নেতাদের কাছ থেকে জানা যায়, এক সময় যারা আবদুল মতিন সরকারের অনুসারী ছিলেন, তারা পক্ষ বদলে পরে রেজা আলীর সঙ্গে যোগ দেন।

 

তাদের কেউ পক্ষ বদলে হাফেজ রুহুল আমিন মাদানীর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন, কেউ ফিরে গেছেন মতিন সরকারের সঙ্গে। আবার কেউ কেউ নিজেই পৃথক বলয় গড়ে তুলেছেন। তবে কে কতদিন কার সঙ্গে থাকবেন তার নিশ্চয়তা নেই। মনোনয়ন প্রত্যাশী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক রেজা আলীর।

 

তিনি বলেন, তৃণমূলের কর্মীর এখনও তাকে সমর্থন করেন। তবে যখন এমপি ছিলেন তখন কয়েকজন নেতা তার নাম ব্যবহার করে সম্পদের মালিক হয়েছেন। এখন তারাই তার বিরোধিতা করে দলীয় মনোনয়ন চাইছেন। পরপর দুইবার মেয়র পদে জয়ী নেতা এক সময় রেজা আলীর অনুসারী ছিলেন। তিনিও এবার প্রার্থী হতে চান। জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মতিন সরকারকেও মনোনয়ন দৌড়ে নামতে হচ্ছে তার এক সময়কারদের অনুসারীদের সঙ্গে।

 

তিনি বলেছেন, দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তার পক্ষেই থাকবেন। রুহুল আমিন মাদানী পৃথক ভাবে দলীয় ও জাতীয় কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে ভোটের প্রস্ততি নিয়ে মাঠে নেমেছেন। অন্য নেতার সঙ্গে একমঞ্চে না উঠলেও তার দাবি ত্রিশাল আওয়ামী লীগে কোন্দল নেই। তিনি বলেছেন, এখানে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা রয়েছে। দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তাকেই বিজয়ী করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করব।

 

১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়ী আবদুল খালেকের মৃত্যুর পর ত্রিশালে ডা. লিটন হয়ে ওঠেন বিএনপির নিয়ন্ত্রক। ২০০৮ সালের দলের মনোনয়ন পেয়েও হেরে যান। স্থানীয় নেতারা জানান, কেন্দ্রে তার অবস্থা খুবি শক্ত,যদি সুষ্ঠ নির্বাচন হয় তাহলে আগামী নির্বাচনে জনগনের ভোটে এমপি নির্বাচিত হবেন। ডা. লিটন বলেছেন, দল নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে সকল নেতা কমীদেকে সাথে নিয়ে ভোটের মাঠে নামবেন তিনি। দলের নেতা-কর্মীরা তার সঙ্গেই রয়েছেন। নিজের মনোনয়ন নিশ্চিত বলেই মনে করছেন এ নেতা।

 

ডা. লিটন মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে আছেন তিনি বলেন আওয়ামী লীগ সরকারের অত্যাচার নির্যাতন মামলা হালা থেকেও রেহায় পাইনি তার পরও দুঃসময়ে দলের হাল ধরেছি দলের নির্যাতিত নেতা কর্মীদের পাশে রয়েছি। প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও দলের উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছি। ত্রিশাল উপজেলায় ডাঃ লিটনের রাজনীতির পরিচয় ছাড়াও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠা করেছেন ঢাকার শ্যামলীতে বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল টেকনোলজি নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,

 

এবং তিনি ল্যাব এইড গ্রুপের পরিচালকসহ টি.এ.সি ট্রিনিটি মেডিকেল সেন্টারের প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলমত নীবিষেশে প্রতিটি মানুষের কাছে এক জন সেবক হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন। উনার দলের ভোট ছাড়াও ব্যাক্তিগত রিজার্ভ’ ভোট রয়েছে। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিএনপিকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় হয়ে ছিলেন জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য এম এ হান্নান।

 

অল্প ব্যবধানে হারেন আওয়ামী লীগের বিপক্ষে। যুদ্ধাপরাধের মামলায় দুই বছর ধরে কারাগারে রয়েছেন তিনি। কারাগারে যাওয়ার পর থেকে জাপার তেমন কোনো কার্যক্রম নেই ত্রিশালে। এখনও কেউ আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন চাওয়ার ঘোষণা দেননি।

 

তবে জাপা হতে উপজেলা জাপার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুরুজ আলী মন্ডল, সাধারন সম্পাদক গোলাম সারোয়ার তপন, সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আ: রউফ চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশী হতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।

 

মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূলে জনপ্রিয়তা অন্যতম মাপকাঠি হাইকমান্ডের কাছ থেকে এমন বক্তব্য আসায় ত্রিশালের নির্বাচনী প্রচারণায় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের রীতিমতো প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। যারা দীর্ঘদিন একজন আরেকজনের মুখ দেখতেন না, তারাও এখন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড জনগণের সামনে তুলে ধরছেন।

ব্রেকিং নিউজঃ