| |

জামালপুর সরিষাবাড়ীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের রমরমা ব্যবসা

আপডেটঃ 9:33 am | October 12, 2017

Ad

মোঃ রিয়াজুর রহমান লাভলু ॥ জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল। উপজেলার এমন কোন হাট বাজার নেই যেখানে বিক্রি হচ্ছে না মাছ ধরা এসব নিসিদ্ধ উপকরন।

 

প্রতি বর্ষা মৌশুমে উপজেলার এক শ্রেনীর অতি মুনাফা লোভী মৎস্য জীবিরা এসব নিষিদ্ধ জাল নিয়ে মাছ ধরায় মেতে উঠে। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। এতে বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে দেশী প্রজাতীর মাছ।

 

ঐতিহ্য হারাচ্ছে সরিষাবাড়ী, উপজেলার বেশ কিছু পাইকারী ব্যবসায়ী দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নিষিদ্ধ এ কারেন্ট জাল আমদানী করে বিভিন্ন হাটে বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি করছে। আর যাদের দেখার দায়িত্ব সেই মৎস্য বিভাগ রয়েছে নিশ্চুপ।

 

উপজেলা মৎস্য বিভাগের তদারকি না থাকায় প্রতিদিন হাটবাজারে হাজার হাজার টাকার কারেন্ট জাল বিক্রি হচ্ছে। বেশ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী উপজেলা মৎস্য বিভাগের সাথে অলিখিত চুক্তির মাধ্যমে নিষিদ্ধ এসব কারেন্ট জাল আমদানী করে নির্ভয়ে বিক্রি করছে বলে একাধিক সূত্র থেকে জানিয়েছেন।

 

বিভিন্ন হাট বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ভীর দেখলেই বিষয়টি সত্যতা সম্পর্কে বোঝা যায়। সরেজমিনে বিভিণ স্থানে দেখা যায়, উপজেলার আরাম নগর হাট,বয়ড়া হাট, পিংনা হাট, বাউসী হাট, ভাটারা হাট, পন্চাশি হাট, ডোয়াইল হাট, জগন্নাথগঞ্জ ঘাট, পিংনা বাজার সহ বিভিন্ন হাট বাজারে প্রতিদিন শত শত কেজি কারেন্ট জাল বিক্রি হয়।

 

নিষেধাজ্ঞা থাকলেও দারসে চলছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি। দেখার যেন কেউ নেই। যমুনা নদী, সূবর্ণখালী নদীতে প্রকাশ্যে চলছে ডিম ও পোনা মাছ ধরা। ডিমওয়ালা মাছ শিকার করে বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে।

 

ফলে বিলুপ্তি ঘটছে নদ নদীর মিঠা পানির মাছ কাতলা পাবতা, শিং, কৈ, সরপুঠি, মাগুর, শোলসহ প্রভৃতি মাছগুলি। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুল হক জানান কারেন্ট জাল মজুদ,ক্রয় ও বহন সম্পুর্ন নিষেধ।

 

কারেন্ট জাল উদ্ধারে আমাদের কায্যক্রম অব্যাহত আছে। অচিরেই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে বলে জানান।

ব্রেকিং নিউজঃ