| |

নেতা অনেক পাওয়া যাবে কিন্তু মানব দরদী জনগনের সেবক দেশবরেন্য নন্দিত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা: এম এ আজিজ পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার

আপডেটঃ 9:57 am | October 12, 2017

Ad

মো: নাজমুল হুদা মানিক ॥ ফোন বা যে কোন ভাবে এলাকার কোন মানুষের ভাল, মন্দ, সমস্যা, অসুবিধা, সাহায্য ও চিকিৎসা সহ যেকোন প্রয়োজনে স্মরন করার সাথে সাথেই যিনি সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তিনি হলেন বাংলাদেশ স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিব) কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব দেশ বরেন্য চিকিৎসক অধ্যাপক ডা: এম এ আজিজ।

 

সরকারী প্রয়োজনে বা চিকিৎসক সংগঠন অথবা ব্যাক্তিগত কোন কারনে নিজে ব্যাস্ত থাকলেও ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক কর্মচঞ্চল স্নেহধন্য আদরের ছোট ভাই এইচ এম ফারুকের মাধ্যমে সার্বক্ষনিক মানুষের সকল প্রয়োজন সহ সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

 

ডা: আজিজকে ফোন করে বা সাক্ষাৎ করে এলাকার ও নিজেদের সমস্যা মিটিয়েছেন এমন অনেকেই বলেন, নেতা অনেক পাওয়া যাবে কিন্তু মানব দরদী জনগনের সেবক দেশবরেন্য নন্দিত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা: এম এ আজিজ পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।

 

মানুষের কল্যনের জন্য মহান আল্লাহতালা যুগে যুগে এমন মানুষ ২/১ জনই পাঠায়। এসব মানুষ নিজেদের কথা ভাবেনা। তারা সমাজের কথা ভাবেন। সমাজ উন্নয়নের কথা ভাবেন। সমাজ পরিবর্তন করেন।

 

সমাজের উন্নয়ন করেন। যারা অন্যায় অত্যাচার হানাহানি মারামারি দুর্নীতির প্রেক্ষাপটে নিমজ্জিত থাকে পাল্টেদেন সেই সব মানুষের ধ্যান ধারনা। চরাঞ্চল তথা ময়মনসিংহের কৃতি সন্তান স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার পর ময়মনসিংহের বিভিন্ন স্থানে সংবর্ধনা দেয়া হয় অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজকে ।

 

ঐদিন স্বাচিপ মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ তার নিজ শহর ময়মনসিংহ ঢোকার সময় দীর্ঘ এক মোটরসাইকেল বহর তাকে স্বাগত জানায়। অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে প্রবেশ করলে তাকে স্বাগত জানান সেখানকার চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা।

 

অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ এর ছাত্রলীছেন ও মমেক শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। পরে তাকে তারাকান্দা উপজেলার গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পৃথক আরেকটি সংবর্ধনা দেন স্থানীয় সুশীল সমাজ। এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজের অবদানের কথা স্মরণ করা হয়।

 

এসময় স্বাচিপ নেতা তার সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। এছাড়া ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ মোড়ে পাঁচটি চরের জনসাধারণের পক্ষ থেকে অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজকে বিশাল গণসংবর্ধনা দেয়া হয়। সেখানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিকদের সংগঠন, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসহ ৪০টি সংগঠনের পক্ষ থেকে নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। স্বাভাবিক নিয়মে এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল এ চরাঞ্চলের মানুষেরও। কিন্তু একটি চক্র এ চরগুলোর উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে একেক সময় একেক উপজেলায় নিয়ে গেছে। চরাঞ্চলের মানুষ নির্দিষ্ট পরিচয় চায়।

 

প্রয়োজনে পাঁচটি চর নিয়ে আলাদা উপজেলা করার জন্য যা করা দরকার তার জন্য আমি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে উত্থাপন করবো। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও চরঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: মোরশেদুল আলম জাহাঙ্গীর বলেন, অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজ নিজের চেষ্টায় আজ এ পর্যায়ে এসেছেন।

 

আমরা তাকে সংবর্ধিত করছিনা বরং আমরা নিজেরাই সংবর্ধিত হয়েছি। পূর্বের ন্যায় অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজ চরাঞ্চালের জন্য সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন। চরাঞ্চলের সর্বস্তরের নাগরিক সমাজ আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন ডা. এ এফ এম রফিকুল ইসলাম, ডা. মতিউর রহমান ভূইয়া, ডা. এ এইচ তারা গোলন্দাজ, চরনিলক্ষিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মীর,

 

বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. হেকিম মন্ডল, চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান, পরানগঞ্জের নুরুল হক, আফতাব উদ্দিন মাস্টার, শহীদুল্লা শহীদ, আইনুল হক, শাহজাহান কবির সুমন, মো. মুক্তার উদ্দিন,

 

শাহজাহান কামাল, তোফাজ্জল হোসেন, জয়নাল আবেদীন সরকার প্রমুখ। অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজ ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার ৬নং চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নের চর বড়বিলা গ্রামে এক আওয়ামী সমর্থিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

 

তার পিতা হাসান আলী ছিলেন আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী। গত বছর ১৮ নভেম্বর জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অধ্যাপক ডা. ইকেবাল আর্সনালকে সভাপতি ও অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজকে মহাসচিবকে করে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) কমিটি ঘোষণা করেন।

 

ডা: এম এ আজিজের মত সৎ ও নিষ্ঠাবান প্রার্থী আওয়ামীলীগ মনোনয়ন দিলে দলীয় নেতাকর্মী সহ আপামর জনগন উপকৃত হবে বলে চরাঞ্চল সহ সদর আসনের অনেকেই মন্তব্য করেন। ময়মনসিংহ সদর আসনের চরাঞ্চলের ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে যার রয়েছে ভোট ব্যাংক। যিনি চরাঞ্চলের মানুষকে ভালবাসা দিয়ে জয় করেছেন তাদের হৃদয়।

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানিত আজীবন বাঙ্গালী এমন একজন নেতা অধ্যাপক ডা: এম এ আজিজের মত সৎ ও নিষ্ঠাবান প্রার্থী আওয়ামীলীগ মনোনয়ন দিলে দলীয় নেতাকর্মী সহ আপামর জনগন উপকৃত হবে বলে মনে করেন দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারন জনগন।

 

সদর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ইতিমধ্যেই ডা: এম এ আজিজ চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানুষের দোড়গোড়ায় পৌছে গিয়েছেন। এসব অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবার প্রয়োজন হলে প্রথমেই তারা যার নাম স্মরন করেন তিনি হলেন চিকিৎসা জগতের কিংবদন্তী নেতা ডা: এম এ আজিজ।

 

তাছাড়া এলাকার বন্যা,ঝড় বৃষ্টি, ঈদ, পুজা পার্বন সহ সকল আচার অনুষ্ঠানে তিনি মানুষের পাশে থাকেন সবার আগে। এসব নানা কারনেই মানুষ তাকে সর্বাধিক ভালবাসতে শুরু করেছে। চরাঞ্চলের মানুষের মাঝে গড়ে তুলেছেন নতুন বলয়। গড়ে উঠছে ডা: আজিজের ভোট ব্যাংক।

 

ডা: আজিজের মহানুভাবতায় অন্যদলীয় মানুষও নৌকার প্রতি আস্তাশীল হয়ে উঠছে। অনেকেই বলছেন জাতির জনকের আদর্শের প্রকৃত প্রেমিকরাই এমন জনদরদী হয়। সদর উপজেলার বোররচর ইউনিয়নের তোতা মিয়া জানান, ডা: আজিজ খুব সহজেই সাধারন মানুষের সাথে মিশে যেতে পারে।

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু যেভাবে বাঙ্গালী জাতিকে অকাতরে ভালবেসেছে তারই পদাঙ্ক অনুসরন করে পথ চলছেন তিনি। এ রকম সৎ মানুষ নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন হবে। যার মধ্যে মানুষের সম্পদ লুটপাট করে খাওয়ার কোন লোভ নেই। যিনি কোন দুর্নীতিতে জড়িত হতে পারেন এমন সম্বাবনা নেই। যার আদর্শই হলো মানুষের সেবা করা।

 

পরানগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হারুন আর রশিদ জানান, ডাক্তার সমাজের প্রান পুরুষ জননেতা এম এ আজিজ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাবেন এমনটাই অনেকেই আশা করেন। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার অভুতপুর্ব উন্নয়ন হবে বলেও অনেকের ধারনা।

 

সিরতা ইউনিয়নের আক্কেল চৌধুরী, যুবলীগ,নেতা হারেজ সহ অনেকেই মনে করেন আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন দৌড়ে ডা: আজিজই এগিয়ে আছেন। চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নের রাজিব,শাহ আলম সহ অনেকেই মনে করেন চিকিৎসা সেবায় উচ্চ শিক্ষিত ডা: এম আজিজ নির্বাচিত হলে ময়মনসিংহবাসী একজন পুর্ন মন্ত্রী উপহার পাবে।

 

চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা বাজারের মঞ্জুরুল হক জানান, জনগন যাকে ভালবাসে আওয়ামীলীগ নেত্রী প্রধানমন্ত্রী তাকেই মনোনয়ন দিবে। জনগনের সাথে যার নিবির যোগাযোগ রয়েছে এমন লোকই আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পাবেন। এলাকায় গনযোগাযোগের ক্ষেত্রে ডা: আজিজ অগ্রনী ভুমিকায় রয়েছে।

 

অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ মৃত্যুঞ্জয় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৬ সালে বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়ে আনন্দ মোহন কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৭৮ সালে একই বিভাগে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। আর সেখান থেকেই সক্রিয় ভাবে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে তিনি যুক্ত হন।

 

তিনি ১৯৮২ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নির্বাচিত হন। ১৯৮৩ সালে একই শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ১৯৮৪ সালে সরাসরি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই বছর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি নির্বাচিত হন।

 

এরপর ১৯৮৫ সালে এম বি বি এস পাশ করে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের (বিএমএ) ময়মনসিংহ শাখার সেন্ট্রাল কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে এই সংগঠনের নেত্রকোনা জেলার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

 

১৯৯০ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম পেশাজীবি সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য পদ লাভ করেন। ১৯৯৫ সালে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন আইপিজিএম এন্ড আর এর হোস্টেল ওয়েলফেয়ার কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

 

১৯৯৬ সালে বিএমএ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পদ লাভ করেন। দু‘বছর পর ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর দলের দু‘র্দিনে তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হয়ে দলের পক্ষে কাজ করে যান।

 

১/১১ আওয়ামী লীগের দু‘সময়ে যখন আওয়ামী লীগের নেতা থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা ভোল পাল্টাতে ব্যাস্ত ঠিক সে সময়ে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের চিকিৎকদের ঐক্যবদ্ধ করে রাখেন তিনি। ভোল পাল্টানো নেতারা তখন আওয়ামীলীগের সংস্কার পন্থীতে যোগ দেন।

 

কিন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া বঙ্গবন্ধু প্রেমিক এই নেতা অধ্যাপক ডা. আজিজ শত চাপের মধ্যেও একটি ক্ষনের জন্য আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর পাশ থেকে সরে যাননি। নেত্রীর মুক্তির প্রতিটি কর্মসূচীতে সর্বাগ্নে অংশ করেছেন। সাংগঠনিক যোগ্যতা বলে ২০০৯ সালে বিএমএ এর যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন তিনি।

 

রাজনৈতিক কর্মকান্ড সহজ ভাবে পরিচালনা করতে ২০১০ সালের ৪ঠা জানুয়ারীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা পেশা থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করে তিনি ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে যোগদান করেন।

 

বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী কালীন সময় সরাসরি রাজনীতি করার বাঁধা না থাকায় বঙ্গবন্ধু আদর্শের ডাক্তারদের ঐক্যবদ্ধ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে বেড়ান তিনি। ২০১২ সালে ফের মেধা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি বিএমএ এর যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে অধ্যক্ষ পদে নিয়োজিত আছেন।

 

চিকিৎসা খাতে অবদানের জন্য আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব হিসেবে চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজের নাম ঘোষণা করেন।

 

বৃহত্তর ময়মনসিংহের চিকিৎসার কেন্দ্রবিন্দু ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নাছির উদ্দিন আহমেদ যখন তার কর্মগুনে আলো ছড়ালো ঠিক এমনই সময় তাকে নীতিনির্ধারকদের উদাসীনতা, দায়িত্বহীনতা ও অপরাজনীতির কারনে অন্যত্র বদলী করার গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়ে ছিল।

 

কাঙ্খিত সেবা ও উন্নত চিকিৎসার কথা চিন্তা বাংলাদেশ স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিব) এর মহাসচিব দেশের পথিতযশা চিকিৎসক নেতা অধ্যাপক ডা: এম এ আজিজ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাছির উদ্দিন আহমেদ সাহেবের বদলী ফেরাতে সফল হন।

 

হাসপাতালের এই উন্নয়ন মুলক মুহুর্তে তাকে বদলী করা হলে বঞ্চিত হতো ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা।

 

আগামীতেও তিনি ময়মনসিংহবাসীর চিকিৎসা সেবা সহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আরো বলিষ্ট ভুমিকা রাখতে পারেন সেই প্রত্যয়ে অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ মহাসচিব স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ আসন্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৪ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী।তিনি ময়মনসিংহ সদরের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

 

ময়মনসিংহ চর এলাকায় উন্নয়নের জন্য তিনি চর ঈশ্বদিয়া, চর নিলক্ষিয়া, বোরর চর, চর সিরতা, খাগডহর বাজার, ঘাগড়া, দাপুনিয়া সহ ময়মনসিংহ শহরে ব্যাপক গনসংযোগ করে যাচ্ছেন। রাস্তা ঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট, মসজিদ নির্মানে কাজ করে যাচ্ছেন।

ব্রেকিং নিউজঃ