| |

হালুয়াঘাটে কিশোরী ধর্ষনের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়, স্থানীয় মিমাংশার চেষ্টা চলছে

আপডেটঃ ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ | অক্টোবর ৩১, ২০১৭

Ad

আব্দুল হক লিটন. হালুয়াঘাট ॥ ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে নিচ ধারা গ্রামের এক কিশোরীকে ধর্ষনের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি ধামা-চাপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় মাতাব্বরগন উঠে পরে লেগেছে।

 

ধর্ষিতা কিশোরী অভিযোগ করে বলেন, সে গার্মেন্সে কাজ করার জন্য তার বাবার সাথে গাজীপুর সালনায় গিয়েছিলেন । তার পার্শ্ববর্তী বাড়ির আব্দুল হামিদ ওরফে বুইজ্ঞার পুত্র ৪ সন্তানের জনক আব্দুস সালাম ধর্ষিতাকে ফুসলিয়ে বিয়ে করবে মর্মে গত ২২ তারিখে হালুয়াঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।

 

ধর্ষিতাকে নিজ বাড়িতে না এনে আব্দুস সালামের মামার বাড়ি স্বদেশী ইউনিয়নে বাউশী গ্রামে আজিজুলের বাড়িতে নিয়ে যায় । সেখানে আব্দুস সালাম রাতভর ধর্ষন করে সকালে বিয়ে পড়াবে বলে কাজী সাহেবের উদ্দেশ্যে ধারা বাজারে আসে। এ দিকে ধর্ষতা সারাদিন অপেক্ষা করার পর আব্দুস সালামের পরিবারের লোকজন বাউশী গ্রাম থেকে নিয়ে এসে তার মার কাছে রেখে যায়।

 

এ দিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্ষিতা আইনী সহায়তা যাতে না নিতে পারে সেই ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছে স্থানীয় কিছু দালাল চক্রের লোকজন। তাদের উদ্দেশ্য হাছিল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। চলছে তাদেরে মধ্যে রফাদফার আলোচনা।

 

মেয়ের মা জানান, এলাকার কতিপয় মাতাব্বরগন ফয়সালার ভার নিয়েছে। তারা নাকি এর বিচার করে দিবেন এমনটিই জানালেন এ প্রতিবেদকে। এ ঘটনায় স্থানীয় চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ বিপ্লব বলেন, ধর্ষণের ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা।

 

যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটেই থাকে স্থানীয়ভাবে তা আপোস মিমাংসার কোন সুযোগ নেই। মেয়েটি আইনের আশ্রয় নিবে এটাই স্বাভাবিক। তবে বিষয়টি তিনি তলিয়ে দেখবেন বলে জানান।

 

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ নুরে আলম বলেন, ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিবার কোন সুযোগ নেই। তিনি ওসি সাহেবকে আইনগত ব্যাবস্থা নিতে বলে দিবেন বলে জানান। হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম মিয়া বলেন, আমি বিষয়টি দেখবো।

ব্রেকিং নিউজঃ