| |

শেরপুরের ঝিনাইগাতী সদর বাজারে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভাল না থাকায় ময়লা-আবর্জনার দূর্গন্ধে অতিষ্ট

আপডেটঃ ৭:৫৮ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০২, ২০১৮

Ad

মোঃ আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের সওজ’য়ের রাস্তার উভয় পাশের ড্রেনেশ ব্যবস্থা ভাল না থাকায় ময়লাযুক্ত পানির দূর্গন্ধ এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। একই অবস্থা কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের সদর বাজারটির। বৃষ্টির পানি, ময়লাযুক্ত পানি নিষ্কাষনের ভাল ব্যবস্থা নেই। এই সমস্ত যমে থাকা পানি পঁেচ অসহনীয় দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কিন্তু প্রতিকারের কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না উপজেলা প্রশাসন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুবেল মাহমুদ এর সাথে যোগাযোগ করতে গেলে তাকে পাওয়া যায় নি। ইজারাদার এব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের সাথে কথা বলে কোন শুরাহা পাই নি। চলছে লাগামহিন দূর্ভোগ। উল্লেখ্য, এই সমস্ত জমে থাকা দূর্গন্ধময় ময়লাযুক্ত পানি থেতে বিভিন্ন ধরনের মশা-মাছি জন্মচ্ছে পাশাপাশি ছড়াচ্ছে নানা ধরনের রোগ জীবানু। ফলে এলাকাবাসী বিভিন্ন রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ছে। ওয়ার্লেস গেট এলাকার রাসেল জানান, তারা দীর্ঘদিন থেকে এই দূর্গন্ধময় ময়লাযুক্ত পানি জমে থাকার কারণে ঘর থেকে বেড়িয়ে সদর রাস্তায় আসতে পারে না। এবংকি রাত্রে পঁচা পানির দূর্গন্ধে বাড়িতে অবস্থান করাও কঠিন। এছাড়াও গরুহাটিতেও একই অবস্থা। একদিকে বাজারের নোংরা আবর্জনার স্তুপের দূর্গন্ধ পানি জমে এমন তীব্র দূর্গন্ধের সৃষ্টির কারণে লোকজন বসবাস করা দূরূহ ব্যাপার। ভোক্তভোগি সেই সমস্ত এলাকা হলো ঝিনাইগাতী বাজারের বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন অফিস এলাকায়, গরুহাটি, ধান হাটি, উপজেলা পোস্ট অফিস, সদর বাজারসহ দক্ষিণ এলাকায়। এই সমস্ত এলাকায় প্রায় ১২ মাসই বাজারের পঁচা পানি নেমে আসে। ভাল ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানি বের হতে পারে না। প্রকাশ থাকে যে, ঝিনাইগাতী সদর বাজার থেকে প্রতি বছর বাজার ইজারা থেকে সরকারী রাজস্ব আসে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অথচ এই বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই, একই সাথে হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য নেই শৌচাগার। যদিও বহু পূর্বে ২টি শৌচাগার রয়েছে সেগুলি এখন ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। আর টিউব ওয়েল গুলি এখন আর নেই। হাজার হাজার লোকের ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য কোন পানীয়-জলের ব্যবস্থা না থাকায় পানির জন্য হাহা-কারে ভোগে। তাই উক্ত বাজারে চার পাশে ৮/১০ টি গভীর নলকূপ স্থাপন করে পানীয়-জলের ব্যবস্থা করা অতীব জরুরী বলে বাজার ব্যবসায়ীদের দাবী।

ব্রেকিং নিউজঃ