| |

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পরে খালেদা জিয়াকে আমি বাড়ি দিয়েছিলাম, সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি আমাকে জেলে রেখেছিলেন…. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ

আপডেটঃ ৭:০৪ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৮

Ad

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসন থেকে লড়বেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কচুক্ষেত এলাকায় রজনীগন্ধা সুপার মার্কেট চত্বর ও মানিকদী মাঠ কর্নারে নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি একথা জানান।

তিন আসন থেকে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে এরশাদ বলেন, তিনটি আসনে নির্বাচন করব, এরমধ্যে ঢাকা-১৭ এবং রংপুর সদর নিশ্চিত করেছি। বাকী আসনের নাম ঘোষণা করব। উপস্থিত জনতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচন করতে সমর্থন জানায়।

এরশাদ বলেন, জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পরে খালেদা জিয়াকে আমি বাড়ি দিয়েছিলাম, সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি আমাকে বিনা কারণে জেলে রেখেছিলেন, আজ সেই খালেদা জিয়া জেলে বন্দি, এটাই আল্লাহর বিচার।

তিনি বলেন, আমরা মানুষ খুন করিনি, আমাদের হাতে রক্তের দাগ নেই। তাই আল্লাহর রহমত আর সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় এখনো বেঁচে আছি। জাতীয় পার্টি এখন শক্তিশালী দল, আগামী নির্বাচনে রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে প্রস্তুত। ক্ষমতায় গিয়ে মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করব।

‘খবরের পাতা খুললেই শুধু হত্যা আর রক্তের খবর। সড়কে প্রতিদিন মানুষ মারা যাচ্ছে, কারো কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। কারো যেনো কিছু যায় আসে না। এভাবে চলতে পারেনা, মানুষ পরিবর্তন চায়। আমরাই দেশের ভাগ্য বদলে দিতে পারব’ বলেন সাবেক এই রাষ্টপতি।

তিনি বলেন, ১০ হাজার মাইল পাকা রাস্তা করেছি, উন্নয়নের জন্য এলজিআরডি গঠন করেছি, ৪৬০টি উপজেলা করেছি, ২১ জেলা থেকে ৬৪টি জেলা করেছি। আমরা যে উন্নয়ণ করেছি, আর কোন সরকার করতে পারেনি। আমরা ছাড়া কেউ সুশাসন দিতে পারেনি। আবারো মানুষের সামনে এসেছি, আমরা বিজয়ী হয়ে দেশের মানুষকে মুক্তি দিতে চাই।

তিনি বলেন, ঢাকা-১৭ আসন রাজধানীর অভিজাত এলাকা, এখনকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে জাতীয় পার্টির গ্রহণযোগ্যতা আছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই আসনে সাধারণ মানুষ আমাকে প্রায় দেড় লাখ ভোট বেশি দিয়ে নির্বাচিত করেছিলেন। আবারো নির্বাচন করব, দেশের মানুষকে গুম, খুন থেকে মুক্তি দেব।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নুরু, আমানত হোসেন আমানত, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল হক, সুলতান আহমেদ সেলিম, মোঃ জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, হেলাল উদ্দিন, নাসির উদ্দিন, আনিস উর রহমান খোকন, মাখন সরকার, এমএ রাজ্জাক খান, ডা. সেলিমা খান, কাজী আবুল খায়ের, জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, কেন্দ্রীয় নেতা- মিজানুর রহমান দুলাল, আব্দুস সাত্তার গালিব, ফজলে এলাহী সোহাগ, ফারুক শেঠ, আব্দুস সাত্তার, মামুনুর রহমান, মোহাম্মদ আলী খান, মোঃ ইব্রাহিম, জামাল মাতুব্বর, সিরাজ তসলিম, শরিফুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম জহির, প্রিন্সিপাল মোস্তফা চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম মিন্টু, মোঃ কামাল, আলমগীর, বাবু, রিয়াজ, মোস্তফা আল ফয়সাল, এএনএম রফিকুল ইসলাম সেলিম, এমএ হাশেম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।