| |

“টিটুর পরিবর্তন নয় প্রত্যাবর্তন চাই”

আপডেটঃ ৭:৪৫ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২৩, ২০১৮

Ad

আলোকিত ডেস্কঃ নবগঠিত ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকদের মাঝে একটি আওয়াজ আজ প্রতিধ্বনিত হয় তা হলো “পরিবর্তন নয় প্রত্যাবর্তন চাই” অর্থ্যাৎ তারা মনে করেন আগামী দিনে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সার্বিক উন্নয়নের জন্য যে মানুষটির দরকার তিনি হলেন ময়মনসিংহ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইকরামুল হক টিটু।

ময়মনসিংহের সাধারন মানুষ সব ধর্মের সব পেশার যুব,বৃদ্ধ,নারী, কিশোর, কিশোরীদের কাছে যে মানুষটি প্রিয় ময়মনসিংহের উন্নয়নের ব্যাপারে যে মানুষটির উপর সর্বস্তরের মানুষের বিশ^াস ও আস্থা রয়েছে তিনি হলেন ইকরামুল হক টিটু। দলমত নির্বিশেষে ময়মনসিংহবাসী বিশ^াস করে বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক টিটুর পক্ষেই সম্ভব নবগঠিত সিটি কর্পোরেশনকে উন্নয়নের শিঁখরে পৌছে দেওয়া। যেমন করে অতীতে মেয়র হিসেবে ময়মনসিংহ পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভা হিসেবে তিনি গড়ে তুলেছেন।

তাই ময়মনসিংহের মানুষ তাকে উন্নয়নের রূপকার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ময়মনসিংহ পৌরসভায় রাস্তা, পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল সংস্কার ও পূণঃখনন এবং নতুন খাল নির্মাণসহ তিনি বিভিন্ন উন্নয়নের কাজ করেছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরিক্ষায় ময়মনসিংহ মহানগরের বিভিন্ন স্কুল কলেজ থেকে যে সমস্ত ছাত্র ছাত্রী জি.পি.এ ৫ পেয়েছে তাদেরকে তিনি প্রতিবছরেই পুরষ্কৃত করেন।

তাদেরকে নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করেন। বিভিন্ন স্কুল কলেজে তিনি অভিভাবকদের জন্য বসার ছাউনী নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করেছেন। ময়মনসিংহে জয়নুল আবেদিন পৌর পার্ককে একটি সুন্দর দৃষ্টিনন্দন পার্ক হিসেবে গড়ে তুলেছেন। ব্রহ্মপুত্র নদীর পার ঘেষে সবুজ বনায়ন সৃষ্টিসহ শিশুদের জন্য জয়নাল আবেদিন পার্কে একটি মিনি চিড়িয়াখানা গড়ে তুলেছেন যা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

তিনি সাংস্কৃতিক ও পহেলা বৈশাখসহ বিশেষ দিনগুলি উদযাপনের জন্য জয়নাল আবেদিন পার্কে একটি মুক্তমঞ্চ গড়ে তুলেছেন যেখানে প্রায় সারা বৎসর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসব ও বিশেষ দিনগুলি উদযাপিত হয়। তাছাড়া পার্ক এলাকাতে ভ্রমনার্থীদের নিরাপত্তার জন্য বৈদ্যতিক বাতি ও বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করেন বলেই ময়মনসিংহ পৌরসভার বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্থাপনা নির্মাণ করেছেন।

বাঙ্গালী জাতির শ্রেষ্ট সন্তানদের আগামী প্রজন্মের কাছে স্বরণীয় করে রাখার জন্য তিনি নির্মাণ করেছেন ভাষা সৈনিক মুক্তিযোদ্ধকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বরনী, ভাষা সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক মুক্ত মঞ্চ,

ভাষা সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধ এম এ মতিন পাঠাগাড়, বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাষা সৈনিক মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক রফিক উদ্দিন স্মৃতি রক্ষার্থে স্থাপনাসহ ময়মনসিংহের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কীর্তিমান ব্যক্তিবর্গের স্বরণে রাস্তার নামাকরণ ও ময়মনসিংহ পৌরসভার সাবেক মেয়র তারেক স্বরণে তারেক স্মৃতি অডিটরিয়াম, ময়মনসিংহ পৌরসভার অফিস সংলগ্ন আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন শহীদ শাহাবউদ্দিন স্মৃতি অডিটরিয়ামসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

বস্তিবাসী দরিদ্র জনগোষ্ঠির শিশুদের শিক্ষার জন্য তিনি বিভিন্ন বস্তিতে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তিনি বস্তিগুলিতে রাস্তা, পানি ও পয় ব্যবস্থা করেছেন। দরিদ্র নগরবাসীর চিকিৎসা, এতিম কণ্যাদের বিয়ে, শিশুদের পড়াশোন ও অসহায় মানুষের চিকিৎসার জন্য তিনি আর্থিক সাহায্য করেন উদার হস্তে যা সর্বজনবিদীত।

বিভিন্ন সেবামূলক সামাজিক সংগঠনের সাথে তিনি সম্পৃক্ত থাকেন সহযোগিতা করেন যা অন্যকোন জনপ্রতিনিধি কিংবা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উনারমত ব্যাপকভাবে করেন বলে জানা নেই। তিনি একজন সফল জনপ্রতিনিধি যিনি ময়মনসিংহ পৌরসভার প্রশাসনকে পরিচালনা করেছেন সফলভাবে। তার আমলে ময়মনসিংহ পৌরসভা তিলত্তমা নগরী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

তিনি একজন ধর্মভীরু ও সর্বধর্মের প্রতি তার রয়েছে সমান শ্রদ্ধা যার প্রমাণ পাওয়া যায় পাটগুদাম মোড়ে বিজয় সিং দূরদরিয়া মন্দিরটি ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ ভেঙ্গে দিয়েছিল বোলড্রেজার দিয়ে। তৎকালীন মেয়র টিটু ঘটনাটি শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে যান তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কথা শুনেন এবং মন্দিরটি পূননির্মাণ করার আশস প্রদান করেন।

যার পূননির্মানকাজ ময়মনসিংহ পৌরসভার সহযোগিতায় সমাপ্তি পথে। প্রসঙ্গত উল্লেখ থাকে যে, মন্দিরটি যখন ভেঙ্গে ফেলা হয়েছিল ধর্মমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতার নিজ শহরের মন্দির হওয়া সত্ত্বেও উনারা ঘটনাস্থলটি অদ্যাবদী পরিদর্শন করেন নাই।

পরিদর্শন করেন নাই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ একমাত্র ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল ছাড়া। তাই সংখ্যালঘুদের কাছে ইকরামুল হক টিটু আস্থাভাজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত। শুধু মন্দির নয় শহরের অধিকাংশ মসজিদেও তার অনুদানের স্বাক্ষর রয়েছে। এক কথায় ইকরামুল হক টিটু একজন অসাম্প্রদায়িক সবধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তাই অধিকাংশ সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মনে করেন, আগামীতেও ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে মেয়রের পরিবর্তন নয় দরকার মেয়র টিটুর প্রত্যাবর্তন। মেয়র টিটু আগামী প্রজন্মের শিশুদের কাছেও অত্যন্ত প্রিয়।

উনি যে এলাকাতেই যান শিশুরা তাকে আদরকরে মামা বলে ডাকে ও তাকে জড়িয়ে ধরে। তাই ময়মনসিংহের অনেকেই তাকে শিশুপ্রেমিক ভিয়েতনামের নেতা হোচোমিনের সাথে তুলনা করেন। এমনি একজন সৎ,নিষ্ঠাবান সর্বজনপ্রিয় মানুষকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নবগঠিত ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করায় সর্বস্তরের ময়মনসিংহবাসী মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়। ময়মনসিংহের সর্বত্র জনগনের মাঝে আজ একটি আওয়াজ শুনা যায় তাহলো আগামী সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে “মেয়রের পরিবর্তন নয় মেয়র হিসেবে টিটুর প্রত্যাবর্তন চাই”।

ব্রেকিং নিউজঃ