| |

ভালুকায় ভেজাল মাংসের ছড়াছড়ি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জবাই

আপডেটঃ ৮:০৮ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২৯, ২০১৮

Ad

শেখ আজমল হুদা মাদানী ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহ ভালুকা বাজার সহ পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ৮/১০ টি কসাইয়ের দোকানে ডাক্তারী পরীক্ষা ছাড়াই পশু জবাই করে ভেজাল মাংস বিক্রি করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

 

গত ২৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে ভালুকা বাজার কসাই পট্রিতে সবুজ মিয়া ও কালামের মাংসের দোকানে পেটে বাছুরসহ গাভী জবাই করায় লিটন ও মাহবুব নামে দুই সহযোগী কসাইকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে জরিমানা করে ছেড়ে দেন। ৪ দিন দোকান বন্ধ থাকার পর ২৯ অক্টোবর সোমবার সকাল হতে পুনরায় ওই দোকানে গরুর মাংস কিক্রি শুরু হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে পৌর এলাকার লাইসেন্স বিহীন এসব কসাইরা যে যার মত গোপন স্থানে রোগা, অস্বাস্থ্যকর গরু, গাভী, ছাগী জবাই করে তা দোকানে তুলে দেদারসে বিক্রি করছে। ছাগী বা বরকীর মাংস খাসীর মাংসের সমান দামে বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা।

 

সোমবার সকালে ভালুকা উপজেলা মসজিদ হতে কয়েকজন মুসল্লী ভালুকা বাজারের ঈদগা মাঠ সংলগ্ন একটি ছাপড়া ঘরের সামনের ডালা ফেলা অবস্থায় ভিতরে ছাগী (বরকী) জবাই করছে শোনে তা দেখতে যান। এসময় তারা দেখতে পান ভিতরে থাকা বেশ কয়েকটি ছাগী জবাইয়ের প্রস্তুতি চলছিল আর পাশে ছাগলের চামড়া স্তুপিকৃত রয়েছে।

 

ভিতরে থাকা ব্যক্তিরা জানায় ওই ঘরটি বাবুল কসাইয়ের পশু জবাইখানা। উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হেলাল আহম্মদ জানান প্রজননক্ষম কোন গাভী, বকন, ছাগী, ভেড়া জবাই সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ, তাছার ডাক্তারী পরীক্ষার ছাড়পত্র ছাড়া পশুজবাই নিয়ম বহির্ভূত। ভালুকা পৌর এলাকার হাট বাজারে মাংস বিক্রেতাদেরকে প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে কোন লাইসেন্স দেয়া হয়নি এটা পৌরসভার আওতাধীন। পৌর কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানাযায় কসাইদের কোন লাইসেন্স দেয়া হয়নি।

ব্রেকিং নিউজঃ