| |

আমিনুল হক শামীম ও কিছু কথা

আপডেটঃ ৮:৪৭ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ০১, ২০১৮

Ad

আলোকিত ডেস্কঃ ময়মনসিংহের আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে কোটামুক্ত বিতর্কীত ও স্বজনপ্রীতির ধারকদের হাত থেকে কর্মীবান্ধব ও গণমানুষের কাছে পৌছে দিতে যিনি কাজ করে যাচ্ছেন তিনি হলেন বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এফ.বি.সি.সি আই এর সাবেক পরিচালক দি ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আলহাজ¦ আমিনুল হক শামীম (সি.আই.পি)। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ ৪ সদর আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচন করার জন্য তিনি মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিলের পর ময়মনসিংহ মহানগরসহ সদর উপজেলার সর্বত্র আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। নেতাকর্মীরা স্বস্থির নিশ^াস ফেলে এই জন্য তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী আওয়ামী লীগের একজন নেতা মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন এই ভেবে। মনোনয়ন পত্র দাখিলের ব্যাপারে আমিনুল হক শামীম বলেন, যেহেতু ময়মনসিংহ ৪ সদর আসনে মহাজোটের পক্ষ থেকে এখনো কাউকে প্রার্থী ঘোষনা করা হয়নি তাই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন। মহাজোট যদি জাতীয় পার্টির রওশন এরশাদকে প্রার্থী হিসেবে ময়মনসিংহ ৪ সদর আসন থেকে এমপি হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করার জন্য ঘোষনা করে সেক্ষেত্রে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিবেন বলে জানান। প্রসঙ্গত উল্লেখ থাকে যে, বেগম রওশন এরশাদ ময়মনসিংহ ৪ সদর আসন ছাড়াও ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করার জন্য মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ রুহুল আমিন মাদানীকে ত্রিশাল সংসদীয় আসন থেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা করেছেন। মহাজোট রওশন র্এশাদকে যদি ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসন থেকে মনোনয়ন প্রদান করে তবে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে তিনি সেই অনুযায়ী কাজ করবেন বলে জানান। ময়মনসিংহ ৪ সদর আসনের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল এবার অন্তত নৌকা মার্কার কাউকে এই আসনে মনোনয়ন দেওয়া হবে কারণ হিসেবে তারা মনে করেন, বিগত বছরগুলিতে রওশন এরশাদ বিরোধী দলীয় নেত্রী থাকা সত্তে¦ও তার নির্বাচনী এলাকায় তিনি দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন করেন নি। ছিলনা তার কোন জনসম্পৃক্ততা। বেগম রওশণ এরশাদ বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে জনসাধারনের কাছে কোন প্রকার প্রচার ও প্রচারনা চালায়নি। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ কর্মীরা মনে করে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের পথযাত্রায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী যদি এবারের নির্বাচনে ময়মনসিংহ ৪ সদর আসন থেকে নির্বাচিত হতে পারে ও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে এলাকার উন্নয়ন সম্ভব। তাই ময়মনসিংহ ৪ সদর আসনের সর্বস্তরের জনগনের মাঝে গ্রহনযোগ্য মার্কা হলো নৌকা আর তারা আমিনুল হক শামীমকে যোগ্য প্রার্থী বলে মনে করে। আমিনুল হক শামীম এফ.বি.সি.সি.আই এর পরিচালক থাকা অবস্থায় বিভিন্ন সময় সরকারের কাছে হালুয়াঘাটকে ইমিগ্রেসন সুবিধাসহ পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর, ব্যবসা ক্ষেত্রে আমদানী রপ্তানির জন্য কম খরচে পণ্য পরিবহনের নিমিত্তে হালুয়াঘাট পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ হালুয়াঘাট থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে পণ্য পরিবহনের জন্য ফোর লেন রাস্তা নির্মান করে ময়মনসিংহ ঢাকার ফোর লেন রাস্তার সাথে সংযোগ স্থাপন ও সরকারের কাছে ময়মনসিংহকে ইকোনোমিক জোন হিসেবে গঠন, শিল্প উদ্যোক্তাদের কাছে শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে স্থানীয় জনগনের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ ব্যবসা বাণিজ্যে ব্যবসায়ীদের প্রসার লাভ করার জন্য প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন। ব্যবসায়িক জীবনে আমিনূল হক শামীম কক্সবাজারে বাংলাদেশের প্রথম পাঁচ তার হোটেল “রয়েল টিউলিপ সি পার্ল বীচ রিসোর্ট”। কক্সবাজারের কলাতলিতে “সি ক্রাউন” নামে একটি তিন তারা আবাসিক হোটেল নির্মাণ করেছেন। তিনি এয়ার এভিয়েশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান, ময়মনসিংহ জুট মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এফ.বি.সি.সি.আই এর স্থায়ী কমিটির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ও গনপরিবহন যোগাযোগের দায়িত্ব পালন করছেন। শামীম এন্টারপ্রাইজ (প্রাঃ) লিমিটেডের নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি সর্বপ্রথম ব্যবসায়িক যাত্রা শুরু করে আজ বাংলাদেশসহ বিদেশেও একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। পরিবহন ব্যবসার ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ বিভাগসহ সারাদেশে তিনি একজন মুকুটহীন স¤্রাট। ময়মনসিংহ জেলা মটরমালিক সমিতির তিনি সাবেক মহাসচিব। শামীম এন্টারপ্রাইজ নামে তার রয়েছে একটি পরিবহন ব্যবসা যা ইতিমধ্যে সারাদেশব্যাপী সুনাম কুড়িয়েছে। আমিনুল হক শামীমের আরও রয়েছে কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা, ট্যুরিজম, ব্রিক্সিস, হাউজিংসহ আমদানী রপ্তানির ব্যবসা। তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলিতে হাজারও বেকার যুবককে কর্মসংস্থান করে দিয়েছেন। মানবদরদী, দানশীল, সাধারন জনগনের বিপদের বন্ধু হিসেবে পরিচিত আমিনুল হক শামীম ধর্মীয়, শিক্ষা, সামাজিক ও বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানকে নিসার্থভাবে নিরবে আর্থিক সাহায্য করেন। নিঃস্ব ও দুস্থদের মাঝে তিনি হলেন ময়মনসিংহের সবচাইতে প্রিয় ব্যাক্তি। আমিনুল হক শামীম মনে করেন, ময়মনসিংহের দরিদ্র ও নি¤œ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা যারা অর্থাভাবে ও সুযোগের অভাবে উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয় তিনি সর্বাগ্রে নিজ উদ্যোগে তাদের জন্য একটি বেসরকারী বিশ^বিদ্যালয় স্থাপন করবেন। যেখানে কম খরচে মেধাবী ও দরিদ্র ছেলে মেয়েরা লেখাপড়া করে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। তিনি নির্মাণ করতে চান একটি আন্তর্জাতিক মানের বেসরকারী হাসপাতাল। যেখানে ময়মনসিংহের দরিদ্র জনগন স্বাস্থ্য সেবা নিতে পারবে সহজেই। দেশের উন্নয়নের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর তার রয়েছে অগাধ বিশ^াস। তরুণ,ব্যবসায়ী শামীম বিশ্¦াস করেন যতদিন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকবেন ততদিন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দ্রুততারসহিত এগিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে পৃথীবির অপরাপর উন্নত দেশেরমত বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশে পরিণত হবে। দলীয় ব্যাপারে তিনি মনে করেন, আওয়ামী লীগে যোগ্য, কর্মঠ ও সৎ নিষ্ঠাবান নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। এক পরিবার থেকে একাধিক ব্যক্তিকে দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃত্বে দেওয়া ঠিক নয়। এতে দলের ভিতর স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপ্রীতি বেড়ে যায়। অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ও বিরোধী দলীয় নেত্রী দুই দুইবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু ময়মনসিংহের মানুষ মনে করে এই আসনে এমন একজন প্রার্থী দরকার যার হাত ধরে জনগনের জন্য দৃশ্যমান উন্নয়ন হবে আর সে ব্যক্তিটি হলো শ্রমিক, কৃষক ও সাধারণ মানুষের সুখ দুঃখের সাথী মানবদরদী, পরউপকারী ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল হক শামীম। ময়মনসিংহবাসী এই প্রত্যাশায় রইল।