| |

আগামী ভোটের বৈতরণী পাড়ি দিতে মাঠে নেমেছেন ডাঃ লিটন

আপডেটঃ ৯:১৫ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ১০, ২০১৮

Ad

ফয়জুর রহমান ফরহাদঃ সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ ৭ ত্রিশাল আসনে বিএনপি জাতীয়ঐক্যফ্রন্টের চূড়ান্ত মনোনয়নপত্র পেয়েছেন কেন্দ্রীয় নিবার্হী কমিটির সম্মানিত সদস্য ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডাঃ মাহাবুবুর রহমান লিটন। ত্রিশাল উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ওয়ার্ড ও তৃর্ণমুল নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে গণসংযোগ করে ভোটারের দারে দারে গিয়ে বিগত দিনের উন্নয়ন বার্তার লিফলেট সহ খালেদা জিয়ার সালাম নিন ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিন, ডাঃ মাহাবুবুর রহমান লিটনের সালাম নিন ধারেন শীষ মার্কায় ভোট দিন। এদিকে ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন ত্রিশাল উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের সিংরাইল গ্রামে সস্ব্রান্ত তরফদার পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। ১৯৯০ এর স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী ছ্ত্রা আন্দোলনের প্রথম সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন। ১৯৯১সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে খালেদা জিয়ার নির্দেশে তৎকালীন স্বাস্থ্য মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের সহকারী ও একান্ত সচিবের দয়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩ সালে উচ্চতর শিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে উ্চ্চ শিক্ষা লাভ করেন। প্রধান মন্ত্রী ছফর সঙ্গী হয়ে বিভিন্ন দেশ ছফর করেন।প্রায় এক দশক স্থানীয় রাজনীতির একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রক, ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পযর্ন্ত সময়ে সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অগ্রাধীকার প্রকল্পের মাধ্যমে সাড়ে ৩ বছরে ত্রিশাল উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ব্যপক উন্নায়নমুলক কাজ করেন।মোক্ষপুর ইউনিয়ন যখন বিদ্যুৎ সুবিদা পায়নি তখন তিনি সর্ব প্রথম পল্লী বিদ্যুৎ টি এসআর মাধ্যমে বিদুৎবিহীন মোক্ষিপুর বাসীকে বিদ্যুতের সংযুগ লাইন স্বাপন করে আলোকিত করেন। মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির সংস্কার সহ উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স কে ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নিত করেন। বালিপাড়া বাজারে পুলিশ ক্যা স্থাপন করেন,একশত পরিবারের জন্য ৪.৮০একর জমির উপর মাগুরজোরা আবাসন প্রকল্প নির্মান করেন,জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় অবকাঠামুরগত উন্নয়নের জন্য ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেন।ত্রিশাল উপজেলায় বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ কোন কোন্দল না থাকায় নির্বাচনে সুবিদা জনক অবস্থানে রয়েছেন তিনি ক্লিন ইমেজের মানুষ হিসেবে এলাকায় খুবই জনপ্রিয় ব্যাক্তি হিসেবে শোনাম কুড়িয়েছেন তিনি। একাদশ নির্বাচনে জয়ী হবেন বলে নেতা কর্মীরা জানান। ২০০৮ সালের দলের মনোনয়ন পেয়েও হেরে যান। স্থানীয় নেতারা জানান কেন্দ্রে তার অবস্থা খুবি শক্ত,যদি সুষ্ঠনির্বাচন হয় তাহলে একাদশ নির্বাচনে জনগনের ভোটে এমপি নির্বাচিত হবেন তিনি। ডা. লিটন বলেছেন, দল নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধানিলে সকল নেতা কমীদেকে সাথে নিয়ে ভোটের মাঠে নামবেন তিনি । দলের নেতা-কর্মীরা সবাই ঔক্য বদ্ধ তার সঙ্গেই রয়েছেন। ডাঃ লিটন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের অত্যাচার নির্যাতন মামলা হালা থেকে কেউ রেহায় পাইনি তার পরও দুঃসময়ে দলের হাল ধরেছি দলের নির্যাতিত নেতা কর্মীদের পাশে রয়েছি। প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও দলের উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছি।ত্রিশাল উপজেলায় ডাঃ লিটনের রাজনীতির পরিচয় ছাড়াও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠা করেছেন ঢাকার শ্যামলীতে বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল টেকনোলজি নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এবং তিনি ল্যাব এইড গ্রুপের পরিচালকসহ টি.এ.সি ট্রিনিটি মেডিকেল সেন্টার ত্রিশাল কনভেংশন সেন্টারের প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলমত নীবিষেশে প্রতিটি মানুষের কাছে এক জন সেবক হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন । উনার দলের ভুট ছাড়াও বেক্তিগত রিজার্ভ’ ভোট রয়েছে।

ব্রেকিং নিউজঃ