| |

হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে যা খাবেন না

আপডেটঃ ৭:০৬ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ২৩, ২০১৯

Ad

আধুনিক জীবনের কর্মব্যস্ততার জন্য মানসিক চাপ, জীবনযাপনের অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস এগুলোর কারণে যে কোনো সময়ে হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ে। ধূমপান ছাড়াও অনিদ্রা বা অনিয়মিত ঘুম, সময় মতো না খাওয়া, বেশি ফাস্ট ফুড খাওয়া ইত্যাদি কারণেই হার্টের নানা সমস্যা দেখা দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, বিশ্ব জুড়ে হৃদরোগে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। অনেকেরই মনে করেন শুধু ধূমপান বন্ধ করলেই হার্টকে সুস্থ রাখা যায়।

কিন্তু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা বলেন, ধূমপান হৃদরোগের অন্যতম কারণ নিকোটিনের প্রভাবে হৃদযন্ত্র, ফুসফুসের ক্ষতি হয়। কিন্তু ধূমপান ছাড়াও আমাদেরই নানা খাদ্যাভ্যাস হার্টের ক্ষতি করে। প্রতিদিন যে খাবার আমরা খাই তার মধ্যে কিছু খাবার আমাদের হার্টের জন্য একেবারেই ভাল নয়। প্রতিদিন এসব খাবারে অভ্যস্ত হতে হতে আমরা হার্টের ক্ষতি করেই চলেছি। দেখে নিন চিকিৎসকদের মতে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে ও হার্টকে সুস্থ রাখতে ধূমপান ছাড়াও কোনো কোনো খাবার একেবারেই খাবেন না।

ঠাণ্ডা পানীয়

তৃষ্ণা লাগলে বোতলের ঠাণ্ডা পানীয় খান অনেকেই। কিন্তু কোল্ড ড্রিঙ্কের অতিরিক্ত সুগার ও সোডা ধমনির উপর চাপ ফেলে। এছাড়াও শরীরে পানির পরিমান কমিয়ে ভিতর থেকে শুকনো করে দেয় এই সব পানীয়।

চিপস

শিশু থেকে বয়স্ক অনেকেই চিপস পছন্দ করেন। মাঝে মাঝে কয়েক টুকরো চিপসে অতটা সমস্যা হয় না। কিন্তু চিপস খাওয়া অভ্যাসে পরিণত হলে তা থেকেই হয় হার্টের সমস্যা। চিপসের ট্রান্স ফ্যাট ও অতিরিক্ত লবণ হার্টের উপর চাপ দেয়। দিনের পর দিন শরীরে জমতে থাকা অতিরিক্ত সোডিয়াম হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

জাঙ্ক ফুড

পিৎজা, বার্গারসহ চাইনিজ খাবার কম খান। নানা চাইনিজ সসে প্রিজারভেটিভের পরিমান অনেক বেশি থাকে এবং হার্টের ক্ষতি হয়। পিৎজা, বার্গারের সোডিয়াম ও অতিরিক্ত ফ্যাট ওবেসিটি বাড়িয়ে হার্টের উপর চাপ ফেলে। এছাড়া জাঙ্ক ফুডে ব্যবহৃত তেলও শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

প্রক্রিয়াজাত মাছ-মাংস

যেকোনো প্রক্রিয়াজাত খাবারেই লবণ ও চিনির মাত্রা অনেক বেশি থাকে। সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয় নানা রাসায়নিকও। এগুলোর কোনোটাই হার্টের জন্য ভাল নয়। কেবল ওবেসিটিই নয়, হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের পিছনেও এমন কিছু খাদ্যাভ্যাস দায়ি। এসব খাবারে হৃদযন্ত্র দুর্বল হয় সহজে।

কফি

যখন তখন কফি খাওয়া যাবে না। ব্লেন্ডেড কফিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি এবং ফ্যাট জাতীয় উপাদান থাকে। এছাড়া কফির ক্যাফিন রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে হার্টকে দুর্বল করে।

ব্রেকিং নিউজঃ