| |

বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নারীর অধিকার সংরক্ষন করে চলছেন

আপডেটঃ ১১:০০ অপরাহ্ণ | মার্চ ১১, ২০১৯

Ad

মো: নাজমুল হুদা মানিক ॥ ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নারীর অধিকার সংরক্ষন করে চলছেন। তিনি মনে করেন, নারীর জয় সবার জয়। এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বলেন, নারীর প্রতি সহমর্মিতা বাড়াতে হবে।

তাদের মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত রেখে কাজ করতে হবে। নারীদের চেতনা উজ্জীবিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, আইন করে রাজনীতিতে নারীদের কোটা সংরক্ষর করেতে হবে। নির্বাচন কমিশন এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা পালন করতে পারে।

যে সব রাজনৈতিক দল নারীদের ৩৩ শতাংশ কোটা সংরক্ষন করবে না, নির্বাচন কমিশন যদি তাদের চাপ প্রয়োগ করে তবে এটি সহজেই বাস্তবায়ন হতে পারে। তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে গনতন্ত্র বিদ্যমান আছে, ভবিষতেও থাকবে।

১১ মার্চ আন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহে ডেমোক্রেসি ইন্টরন্যাশনাল আয়োজিত ‘অগ্রগতির জন্য সমতা: রাজনীতিতে নারী’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ময়মনসিংহ আঞ্চলিক কার্যালয় কর্তৃক আন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহ নগরীর জোবেদা কমিউনিটি সেন্টারে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এ আলোচনা সভায় বাংলাদেশে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, অবস্থান ও ক্ষমতায়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় নারীর ক্ষমতায়নকে সুদৃঢ় করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে আড়াই দশকেরও বেশি সময় ধরে রাষ্ট রাজনৈতিক দলের চালকের আসনে রয়েছে নারী। প্রধান ৩টি রাজনৈতিক দলের র্শীষ পদে নারী নেতৃত্ব থাকা সত্ত্বেও আমাদের রাজনৈতিক কাঠামো নারীর ক্ষমতায়নের সহায়ক নয়।

পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতাও নারীর রাজনীতিতে আসার পথে বাধাঁ বলে তারা মনে করেন। রাজনৈতিক দলগুলোকে অঙ্গীকার পূরণ করতে হলে তৃণমল থেকে নারী নের্তৃত্ব গড়ে তুলতে হবে।

রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক চর্চা বাড়াতে পারলে তৃণমূল থেকে নারী নের্তত্ব গড়ে তুলা সম্ভব। বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষিত রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ২০০৯(সংশোধিত) অনুযায়ী ২০২০ সালের মধ্যে মূল দলের সকল পর্যায়ে কমিটিগুলোতে বাধ্যতামূলক ভাবে ৩৩% নারী অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

কিন্তু জাতীয় পর্যায়ে এর অগ্রগতি থাকলেও ই্উনিয়ন ও জেলা পর্যায়ে তেমন উল্লেখযগ্য অগ্রগতি নেই। ‘নারীর জয়ে সবার জয়’ ক্যাম্পেইনে মূলদলে নারীদের চ্যালেঞ্জসমূহ, নারী বান্ধব রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরিতে করণীয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ২০০৯ বাস্তবায়নে নির্বাচন কমিশনের করণীয় ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ২০০৯ বাস্তবায়নে আলোচনা করা হয়।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সভাপতি এহতেশামুল আলম এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, ময়মনসিংহ আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনার (অতিরিক্ত) মো. মোশাররফ হোসেন, ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় পার্টির দপ্তর সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান আরজু, ময়মনসিংহ মহিলা পরিষদের সভাপতি মনিরা বেগম মনি, জাতীয়তাবাদী দল শেরপুর এর প্রতিনিধি মামুনুর রশিদ পলাশ,

জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুন্নহার রুবি, আওয়ামীলীগের প্রতিনিধি জামালপুর এর প্রতিনিধি মুহাম্মদ সামিউল আউয়াল গনি, জাতীয়তাবাদী দল জামালপুর এর প্রতিনিধি সাইদা বেগম শ্যামা, জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিনিধি গোলাপ রব্বানী, জাতীয়তাবাদী দল টাঙ্গাইল এর প্রতিনিধি শফিকুর রহমান খান, আওয়ামীলীগ এর প্রতিনিধি জেবুন নাহার চায়না, শেরপুর আওয়ামীলীগ এর প্রতিনিধি ফকরুল মজিদ খোকন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ময়মনসিংহ এর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, শম্ভুগঞ্জ জিকেপি ডিগ্রী কলেজ এর অধ্যাপক দিলরুবা শারমিন, জামালপুরের ফারহানা সোমা,

সাইদা বেগম সীমা, টাঙ্গাইলের এলেন মল্লিক প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভায় বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর ও ময়মনসিংহ মহানগরের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন। আনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডেমোক্রেসি ইন্টরন্যাশনাল ময়মনসিংহ অঞ্চলের আঞ্চলিক ম্যানেজার নার্গিস আক্তার।

ব্রেকিং নিউজঃ