| |

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাঃ আশিকের সফলতায় সর্বত্র প্রশংসার ঝড়

আপডেটঃ ৮:২৪ অপরাহ্ণ | মার্চ ১৭, ২০১৯

Ad

নাজমুল হুদা মানিক॥ দেশের ব্যাস্ততম শ্রেষ্ঠ হাসপাতালের অন্যতম ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত ডাঃ আশিকের ব্যাপক সফলতায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রশংসার ঝড় তুলেছে। ময়মনসিহের গর্ব ও অহংকার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আশিকুর রহমান সম্প্রতি একজন রোগীর কানের ভিতরে মাকড়সা ডুকে বাসা বেঁধে ফেলে। বিষয়টি অতি মনযোগ সহকারে দেখে তাৎক্ষনিক চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ্য করে তোলেন তিনি । ডাঃ আশিক কিভাবে মানুষের কানের ভিতরে মাকড়সা বাসা বাঁধেন সেটি ভিডিওর মাধ্যমে ফেইসবুকে প্রকাশ করেন। এমন সফলতা দেখে ডাঃ আশিক ময়মনসিংহের আপমড় জনতার প্রশংসায় প্রশংসিত হয়েছেন । ডাঃ আশিক ময়মনসিংহ নগরীর বাসিন্দা। অসহায় গরীব মানুষের সেবা করাই তার পরম ধর্ম। তার কাছে যদি কোনো রোগী চিকিৎসা নিতে আসে অত্যন্ত মনযোগ সহকারে দেখে পরিক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ্য করে তোলেন তিনি। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ বছর দেশের শ্রেষ্ঠ হাসপাতালে স্বীকৃত পান আর এই হাসপাতালটির পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন আহমেদ এর অক্লান্ত পরিশ্রমে হাসপাতালটি আজ চিকিৎসা সেবার উন্নয়নের সাফল্য অর্জন করে। এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ । সেই সাথে এগিয়ে চলছে দেশের স্বাস্থ্য সেবা। ভালো নেতৃত্বের কারনে আজ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুনাম ছড়িয়ে পরেছে দেশজুড়ে। তেমনি ডাঃ আশিকুর রহমানও এগিয়ে চলছেন মানব সেবার কাজ নিয়ে। তার মতো ডাক্তার এদেশের প্রতিটি হাসপাতালেই বড় প্রয়োজন। তাহলেই এদেশে প্রতিটি মানুষ দেশের চিকিৎসা সেবাকে বুকে ধারন করবে। বহিরবিশ্বের কাছেও দেশের সুনাম ছড়িয়ে পরবে। দেশের মানুষ আর বিদেশে পারি দিবে না। তিনি চরপাড়ার পপুলার সার্ভিসেস প্যাথলজী ক্লিনিকে সাময়িক খন্ডকালীন হিসেবে রোগী সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। গল্পটা এখান থেকেই সূত্রপাত এবং সত্য অনেকটা অবিশ্বাস্য। সহকারী অধ্যাপক ডা. আশিক এর মতে এমন রোগী তিনি এই প্রথম পেলেন। গত ৭ মার্চ সন্ধ্যার পরেপরেই ডা. আশিকের চেম্বারে কানে ব্যাথা নিয়ে এক তরুণ রোগী রকি আসলেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করে ডা. আশিক চমকে গেলেন। বিশেষায়িত যন্ত্রে তিনি দেখতে পেলেন, রকির কানের একেবারে অভ্যন্তরে একটি বৃহদাকার মাকড়সা অলরেডী জাল বুনে বসবাস করছে কিন্তু কানের দ্বিতীয় পর্দা ভেদ করতে পারছেনা মাকড়সাটি। ডা. আশিক তৎক্ষণাৎ তার উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে পরামর্শ বৈঠকে বসলেন পাশাপাশি রোগী রকির কানের ভেতর থেকে মাকড়সাটি জীবিত অবস্থায় উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালালেন। এক পর্যায়ে ডা. আশিক সার্থক হলেন। কোন অপারেশন ছাড়াই কানের ভেতর থেকে জীবিত অবস্থায় মাকড়সাটি বের করে আনলেন। জানা গেছে, এ সময় উৎসুক জনতাও বিষয়টি জেনে ডা. আশিকের চেম্বারে ভিড় জমালেন। ক্ষণিকের জন্য হিরো হয়ে গেল মাকড়সাটি। ডা. আশিক জানান, আমার চিকিৎসক জীবনের প্রথমার্ধে কর্ণ গহ্বর থেকে জীবিত মাকড়সা উদ্ধার একটি ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা এটি।