| |

নগরকে ধূলাবালি মুক্ত করতে সিটি’র প্রশাসক টিটু’র প্রশংসনীয় উদ্যোগ

আপডেটঃ 8:57 pm | March 27, 2019

Ad

রবীন্দ্র নাথ পালঃ ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকাকে ধূলামুক্ত করতে সিটি প্রশাসক ইকরামুল হক টিটু গত ১লা ফেব্রুয়ারী থেকে একটি নতুন পদক্ষেপ নিয়েছেন। নগরীকে ধূলা মুক্ত ও বাসযোগ্য করতে প্রতিদিন সকাল বিকাল দুবেলা নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পানি ছিটানো হয়েছে গাড়ী দিয়ে। পাকিস্তান আমলে শহরের পানি ছিটিয়ে ধূলামুক্ত করার একটি উদ্যোগ দেখা যেতো।

কিন্তু‘ স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সেটা আর দেখা যায়নি। পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন ঘোষনা হলেও কারো নগরের ধূলামুক্ত করার প্রয়াস কেউ নেয়নি। যার জন্য নগরের জীবন দিন দিন দূর্বিসহ হয়ে উঠে।

দীর্ঘদিন যাবৎ এ দাবীটি উচ্চারিত হলেও কোন মেয়র বাস্তবায়ন করতে এগিয়ে আসেনি। এমন পরবর্তীতে নগরবাসীর জীবন যখন অতিষ্ঠ,তখন সিটির প্রশাসক টিটু বিষয়টি উপলব্ধি করে নগরে সকাল বিকাল গাড়ী দিয়ে পানি ছিটিয়ে কিছুটা ধূলামুক্ত করার প্রয়াস নিয়েছেন। এটি নি:সন্দেহে প্রশংসার দাবীদার।

সুত্রজানায়, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইকরামুল হক টিটু’র নির্দেশে নির্বাহী কমকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের তত্বাবধানে মেডিকেল অফিসার এস কে দেবনাথ এর অধীন কনজারভেন্সি অফিসার মো: মহব্বত আলীর পরিদর্শনে নগরের বড়বড় সড়কে সকাল বিকাল পানি ছিটানো হয়। পানি ছিটানোর পাশাপাশি টাউনহলমোড়,জিলাস্কুলমোড়, বাউন্ডারীরোড,ব্রীজমোড়,রেলিরমোড়,সানকীপাড়া এলাকায় রাতের বেলা সড়কের ধূলাবালি পরিস্কার করা হয়।

সিটি করপোরেশনের একটি সুত্রজানায়, নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে প্রতিদিন দুটি গাড়ীতে (প্রতিগাড়ীতে ২হাজার লিটার) পানি ভর্তি করে টাউনহল মোড় থেকে ব্রীজমোড়. স্টেশনরোড,ছোটবাজার,বড়বাজার, দুর্গাবাড়ীরোড,প্রেসকাব এলাকা,সানকিপাড়া,নতুনবাজার মোড়থেকে চড়পাড়ামোড়,ব্রাহ্মপল্লী,বাউন্ডারীরোড এলাকায় সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ও বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মোট ৪০হাজার লিটার পানি গাড়ী দিয়ে ছিটানো হয়।

এছাড়াও সিটি করপোরেশন থেকে নগরের ধূলাবালি হ্রাস করার লক্ষ্যে ও জনগনের ভোগান্তি দূর করতে বালুবাহী ট্রাককে ত্রিপাল দিয়ে ঢেকে বালি পরিবহনের নির্দেশ দেয়া হয়। এনিয়ে বালি শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সাথে প্রশাসক টিটু বৈঠক করে কঠোর ভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। তা না হলে সিটি করপোরেশন যথোপুক্ত ব্যবস্থা নিবে বলে হুশিয়ারী দেন।

নবগঠিত সিটি করপোরেশনের সবচেয়ে বড় সমস্যার একটি নগরের ধূলাবালিতে সয়লাব হয়ে থাকা। প্রতিদিন নিয়মিত ২০গাড়ী পানি ছিটানোর ফলে নগরের ধূলাবালি কিছুটা কমায় জনগনের ভোগান্তি কমেছে নি:সন্দেহে।

তবে আরো ক’টি গাড়ী ব্যবহার করে বেশী পরিমান পানি ছিটানো হলে নগরের ধূলাবালি থেকে জনগন আরো সাচ্ছন্দবোধ করতো। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে নগরের ক্রিয়েটিভ মেয়র কাম প্রশাসক ইকরামুল হক টিটু জনগনের ভোগান্তি কমাতে পানি ছিটানোর পরিমান আরো কিছুটা বাড়াতে উদ্যোগ নেবেন,নগরবাসীর সেটাই প্রত্যাশা।

ব্রেকিং নিউজঃ