| |

ত্রিশালের এমপি হান্নানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা-সর্বচ্চো শাস্তির দাবী

আপডেটঃ 6:40 pm | February 07, 2016

Ad

স্টাফ রিপোর্টারঃ মানবতাবিরোধী অপরাধে মামলার অভিযোগ এনে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান ও জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি আনিসুর রহমান মানিকসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
রোববার দুপুরে স্থানীয় কানিহারী গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম বাদী হয়ে ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩ নম্বর আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। পরে বিচারক মিটফুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠান।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন ত্রিশাল তালতলার মাওলানা মোফাজ্জল হোসেন ও ইব্রাহিম মিয়া, কানিহারী দেওপাড়ার মোখলেচুর রহমান মুকুল, বইলর হোদ্দারভিটা রাজাকার কমান্ডার আদিল, বিয়ারতা গ্রামের শামসুল হক ফকির, নুরুল হক ফকির, নজরুল ইসলাম ফকির ও সুলতান ফকির, কানিহারি দেওপাড়ার সাইদুর রহমান রতন, কাঠাল গ্রামের মুকুল মাস্টার ও হেলাল উদ্দিন, কানিহারীর মোর্শেদ আলী, কালীর বাজারের কফিল উদ্দিন, বারই গ্রামের খাদেম আলী, সামসুল হক বাচ্চু। এ ছাড়া মৃত ৮ জনকে মামলার আসামি করা হয়েছে। আলহাজ এম. এ হান্নান এমপি বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, ১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন শান্তি কমিটির ময়মনসিংহ শহর শাখার আহ্বায়ক এম এ হান্নানের নির্দেশে রাজাকার কমান্ডার আনিসুর রহমান মানিক ও সামসুল হক বাচ্চুসহ পাক হানাদার বাহিনী এবং এর দোসররা ত্রিশালের কালির বাজার ও কানিহারী এলাকায় শতাধিক গণহত্যা, কয়েক কোটি টাকার সম্পদ লুণ্ঠন, ধর্ষণ, নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগ করেন।
ওই সময় এজাহারভুক্ত রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তানি হানাদাররা এ মামলার সাক্ষী আব্দুল আউয়ালের স্ত্রীসহ ১৪ থেকে ১৫ জন নারীকে ধর্ষণ করে। একইসঙ্গে মামলার বাদী আবুল কালামের বাড়িতেও অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার বাদী আবুল কালামের সাথে আলোকিত ময়মনসিংহ ২৪ ডট কম এর সম্পাদক প্রদীপ ভৌমিকের কথা হলে তিনি বলেন আমি দীর্ঘদিন পরে হলেও বিবেকের টানে এই মামলাটি করেছি মামলার উদেশ্য সমন্ধে বাদী আবুল কালাম বলেন ন্যায় বিচারের সার্থে এই মামলাটি করা হয়েছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে এই যুদ্ধপরাধী দের দ্বারা যারা ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছিলেন তারা প্রায় সবাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোক ছিল বিধায় এতদিন পর্যন্ত মামলা অথবা সাক্ষি দেওয়ার সাহস পায়নি। বর্তমান সরকারের আমলে মামলা করার মত পরিবেশ ও নিরাপত্তা বিরাজ করায় আমি এই মামলাটি করেছি। আমি বিশ্বাস করি এই মামলায় যুদ্ধপরাধীদের সর্বচ্চো শাস্তি হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ