| |

ময়মনসিংহে শাকের আহমেদ এর অভিযানে নকল মুড়ি তৈরীর দায়ে ২ ব্যক্তি আটক। অবশেষে মুছলেখা দিয়ে ছাড়া পেলেন।

আপডেটঃ ৭:৫৪ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ৩০, ২০১৯

Ad

স্টাফ রিপোর্টার: ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) খন্দকার শাকের আহমেদ এর নেতৃত্বে আজ ২৯ এপ্রিল সোমবার দুপুর ২টার দিকে ময়মনসিংহ শহরতলী চরনিলক্ষীয়া নূরুল ইসলামের ফ্যাক্টরীতে অভিযান পরিচালনা করে ২ ব্যক্তিসহ বেশ কিছু নকল মুড়ি ও মুড়ির তৈরির সরঞ্জামসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করেছে। প্রকাশ ‘মেসার্স নূর চিড়া-মুড়ি’ মিল মাসকান্দা বিসিক শিল্প নগরী থেকে পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, সিটি কর্পোরেশন এর কর্তৃক স্বাস্থ্য পরীক্ষা সহ যাবতীয় সরকারী অনুমোদন নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত মুড়ি বাজারজাত এবং ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। কিন্তু কিছু দিন ধরে ‘মেসার্স নিউ নূর চিড়া-মুড়ি’ মিলের মালিক মো: মাহবুব আলম লক্ষ্য করে যাছেন যে, একই নামে ও একই লেভেলে (হাতি মার্কা) গুটি কয়েক অসৎ ব্যক্তি তার লাইসেন্সকৃত মুড়ি-চিড়া লেভেল হুবুহু নকল করে বাজারে বিক্রি করছে এবং বাজার জাত করে যাচ্ছে। মোঃ মাহবুব আলম নিশ্চিত হওয়ার পর ময়মনসিংহ কোতোয়ালী পুলিশের শরণাপন্ন হন এবং জলিল ব্যাপারীর পুত্র ইসলাম মিয়া শম্ভগঞ্জ সদর, নূরুল ইসলাম ফুলপুর, নয়নপাল লিটন সরকার চুরখাই বাজার, মাহফুজ পরাণগঞ্জ, শাহীন বিদ্যাগঞ্জ, শহীদ দুর্গাপুর, তারক পাল জিলাপীপট্টি, মিন্টু পাল-মানিক চুরখাই, স্বপন সরকার-আমিনা পরাণগঞ্জ, ছোটন সরকার পরাণগঞ্জ-সারবাজার, স্বপন মিয়া শম্ভুগঞ্জ বাজার, ভজন সাহা তারাকান্দা বাজার প্রমুখকে সনাক্ত করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন কোতোয়ালী মডেল থানায়। সূত্র ধরে পুলিশ চরনিলক্ষীয়ায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে নূরুল ইসলাম এবং অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে আজ। জিজ্ঞাসাবাদে আসামী মুড়ির মিলের যাবতীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। আর ভবিষ্যতে হাতি মার্কার লেভেল আর ব্যবহার করিব না বলে অঙ্গীকার করেন। জানা গেছে, কোতোয়ালী মডেল থানার ইন্সপেক্টর খন্দকার শাকের আহমেদ এর নেতৃত্বে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ব্রেকিং নিউজঃ