| |

শহীদ জনীনি জাহানার ইমামের মৃত্যুবার্ষীকিতে বিনম্র শ্রদ্ধা

আপডেটঃ 8:17 pm | June 26, 2019

Ad

সুমন ঘোষ: আজ মহিয়সী নারী শহীদ জননীখ্যাত জাহানারা ইমামের ২৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী… ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন ক্যানসারে অাক্রান্ত হয়ে দেশবাসীকে কাদিয়ে তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বেই নব্বইয়ের দশকে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবীতে দুর্বার গণঅান্দোলনের সূত্রপাত।একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে প্রিয় সন্তানহারা বরেণ্য এই লেখক মুক্তবুদ্ধির চিন্তা পোষণ করে বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক অান্দোলনেরও অগ্রপথিক ছিলেন।একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার প্রিয় সন্তান শফী ইমাম রুমী দেশমাতৃকার টানে শহীদ হন। শহীদজননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি(ঘাদানিক) গঠন করা হয়।তিনি ছিলেন এর প্রতিষ্ঠাতা অাহ্বায়ক। তারই সুযোগ্য নেতৃত্বে প্রতিকী গণ-অাদালত গঠিত হয়েছিল এবং কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী গোলাম অাযম গংদের প্রতিকী ফাসির অাদেশ ঘোষিত হয়েছিল যারই অান্দোলনের ফসল বর্তমান জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন অাওয়ামীলীগ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার মোতাবেক গঠিত অাজকের যুদ্ধাপরাধ তথা মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল( অাইসিটি)।উল্লেখ্য ব্যক্তিগত জীবনে মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকতা পেশার এক উজ্জল নক্ষত্র শহীদজননী জাহানারা ইমাম কর্মজীবনের শুরুতে নারী শিক্ষার অন্যতম সূতিকাগার ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাময়ী সরকারী বালিকা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষয়িত্রী ছিলেন। অামৃত্যু মৌলবাদ এবং সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ অান্দোলনের অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী ও রাজাকার-অালবদর-অালশামস তথা যুদ্ধাপরাধী- মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের দাবীতে সোচ্চার সংগ্রামী এই নারীর মৃত্যুবার্ষিকীতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা.

ব্রেকিং নিউজঃ