| |

ময়মনসিংহে কাউন্সিলরের মিষ্টির কারখানায় হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট

আপডেটঃ ৫:০৩ অপরাহ্ণ | জুলাই ০৮, ২০১৯

Ad

ময়মনসিংহ নগরীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে সদ্য সাবেক কাউন্সিলর শরাফ উদ্দিনের দি নিউ “বিউটি সুইট মিট” নামে দোকান ঘর ও মিষ্টি কারখানায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও মালামাল লুটপাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় রবিবার (৭ জুলাই) সকালে শরাফ উদ্দিন বাদি হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ১০/১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ২৩। আসামিরা হলেন, মনিরুজ্জামান মনি (৪৫), হারুন অর রশিদ লিটন (৪৮), স্ত্রী রাজু বেগম (৪৫), সিফাত ওরফে আদর (২০) ও অজ্ঞাত আরও ১০/১২ জন আসামি রয়েছে।

এরআগে শনিবার (৬ জুলাই) বিকেলে নগরীর সেহড়া মুন্সিবাড়ী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হামলার সাথে জড়িত মনির হোসেন ও লিটনকে আটক করেছে পুলিশ।

কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরনে জানা যায়, স্থানীয় স্বপন মিয়া ও তার ভাগ্নে মনির হোসেনের সাথে পারিবারিক জমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। পরে কাউন্সিলর শরাফ উদ্দিন স্বপন মিয়ার কাছ থেকে বায়না রেজিস্ট্রিমূলে জমি কিনে সেখানে দি নিউ “বিউটি সুইট মিট” নামে একটি মিষ্টির করাখানা গড়ে তোলেন।

ময়মনসিংহে কাউন্সিলরের মিষ্টির কারখানায় হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট

সেই জমি দখল নিতে গত শনিবার বিকেলে মনির হোসেন ও তার ভাই লিটন অস্ত্রসহ লোকজন নিয়ে দোকান ঘর ও মিষ্টির কারখানায় অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে। এ সময় নগদ টাকাসহ কারখানায় থাকা মালমাল লুট করে নিয়ে যায়। এতে প্রায় দশ লাক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করেন সাবেক কাউন্সিলর শরাফ।

এবিষয়ে শরাফ উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে মনির হোসেন ও তার ভাই লিটন অস্ত্রসহ ১২/১৫ জন লোক নিয়ে এসে প্রথমে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ও ককটেল ফাটিয়ে এলাকায় আতংক তৈরি করে মিষ্টির কারখানায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। সন্ত্রাসীরা ক্যাশে থাকা নগদ ১ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, ২টি মোবাইল ফোনসহ প্রায় ১০ লাক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন অভিযোগকারি শরাফ উদ্দিন।

অন্যদিকে অভিযুক্ত মনির হোসেন জানান, পারিবারিক জমি চক্রান্ত করে জাল দলিল তৈরি করে তার মামা স্বপন মিয়া বিক্রি করে দিয়েছেন। মায়ের জমি উদ্ধারেই স্থানীয় লোকজন নিয়ে এসে মিষ্টির দোকানে উচ্ছেদ করার কথা জানান তিনি।

স্থানীয় কাউন্সিলর আব্দুল মান্নান জানান, জমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। আদালতে জমি নিয়ে মামলা থাকা অবস্থায় এভাবে দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটানো ঠিক হয়নি।

ব্রেকিং নিউজঃ