| |

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে টানা ৫দিনের বর্ষণে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছে বহু আমন বীজতলা

আপডেটঃ ৩:৪০ অপরাহ্ণ | জুলাই ০৯, ২০১৯

Ad

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী পজেলাতে গত ৫দিনের টানা বর্ষণ আর পাহাড়ী ঢলে নিম্ঞ্চলসহ ব্যাপক এলাকা প্লাবিত। সদ্য রোপনকৃত আমন বীজতলাসহ শাক-সবজির ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। অনেক গ্রামাঞ্চলের রাস্তা-ঘাটগুলি কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অনুপুযোগী হয়ে পড়েছে। এতে গ্রামাঞ্চলের সাথে উপজেলা সদরের যোগযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, অবিরাম বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা বন্যার পানি মহারশী, সোমেশ্বরী, কালঘোষা, কর্ণঝোড়া, ভোগাইসহ অন্যান্য নদী দিয়ে প্রবল বেগে বন্যার পানি নেমে এসেছে। এতে ভারী বর্ষণের পানি ও ঢলের পানি মিলে উপজেলার প্রায় ২৫-৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত গ্রামগুলি হচ্ছে, কান্দুলী, ধানশাইল, বাগেরভিটা, আয়নাপুর, বিষ্ণপুর, দুপুরিয়া, বগাডুবি, চতল, রামনগর, বনগাঁও, জিগাতলা, সুরিহারা, হাসলিবাতিয়া, হাসলিগাঁও, রাঙ্গামাটিয়াসহ আরও বহু এলাকা। প্রকাশ থাকে যে, বর্তমানে আমন বীজতলার সময়। ব্যাপক বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলের পানিতে বহু চাষীদের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ্য এলাকায় ঝিনাইগাতী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন চাঁন প্লাবিত এলাকাগুলি ঘুরে দেখেছেন এবং সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে ত্রান সহায়তা প্রদানের জন্য দাবী জানান।
এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বন্যা কবলিত দূর্গতদের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। যদি ত্রান সহায়তা পাওয়া যায় তাহলে ক্ষতিগ্রস্থ্য কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ