| |

স্বামীর মৃত্যুতে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে যা বললেন রওশন এরশাদ

আপডেটঃ ৪:৩৩ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৫, ২০১৯

Ad

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হু্সেইন মুহম্মদ এরশাদের রুহের মাগফিরাতে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার স্ত্রী ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ। ঢাকার সম্মিলিত সামরিত হাসপাতালে তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে এই দোয়া চান।

রওশন এরশাদ বলেন, ‘ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে এরশাহের প্রথম জানাজা হবে। রংপুরেও এরশাদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে। রংপুরে জানাজা শেষে ঢাকায় সামরিক কবরস্থানে এরশাদকে দাফন করা হবে।’

রবিবার (১৪ জুলাই) ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে সিএমএইচে ছুটে যান রওশন এরশাদ। তার সঙ্গে ছেলে রাহগির আল মাহি এরশাদও (শাদ এরশাদ) ছিলেন।

সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদের জন্ম ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি। ভারতের কোচবিহারের দিনহাটায় তার জন্ম। ১৯৮২ সালে ২৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতায় আসেন এরশাদ। ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর নাগাদ তিনি প্রধান আইন প্রশাসক হিসেবে দেশ শাসন শুরু করেন।

১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন এবং দলের মনোনয়ন নিয়ে ১৯৮৬ সালে পাঁচ বছরের জন্য দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। গণআন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন এ সামরিক শাসক। এরপর তাকে বেশ কয়েকবছর কারাবরণ করতে হয়। রক্তে হিমোগ্লোবিন ও লিভারে দীর্ঘদিনের সমস্যার পাশাপাশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বুধবার (২৬ জুন) সিএমএইচ-এ ভর্তি হন এরশাদ। সেখানে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত বছর ১২ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয় তাকে। ফলে জাতীয় নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে পারেননি তিনি। নির্বাচনে জয়লাভের পর দেশে ফিরে শপথ নেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং একাদশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা নির্বাচিত হন। এরপর স্বাস্থ্যের অবনতি হলে গত ২০ জানুয়ারি ফের চিকিৎসা নিতে সিঙ্গাপুর যান তিনি। দেশে ফেরেন ৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর থেকে সিএমএইচেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এরশাদ।

ব্রেকিং নিউজঃ