| |

জনগুরুত্বপূর্ণ কোটি টাকা ইজারা মূল্যের শম্ভূগঞ্জ বাজার দীর্ঘদিন যাবৎ লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া।।

আপডেটঃ ৮:১০ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৫, ২০১৯

Ad

ময়মনসিংহ সদরের উপশহর খ্যাত শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহি হাট শম্ভূগঞ্জ হাট। এই হাটে প্রতিদিনই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কেনাকাটা হয়। ময়মনসিংহ সদরসহ আশেপাশের বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত সবজি এই হাটে এনে প্রতিদিন খুচরা ও পাইকারী বিক্রয় করে। দিন যাচ্ছে প্রতি বছর এই হাটের ইজারার মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু বিন্দুমাত্র বৃদ্ধি পাচ্ছে না হাটের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার পরিসর।

বর্তমানে এই হাটের ড্রেনেজ ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন যাবত হাটের একমাত্র ড্রেনেজ ব্যবস্থার কোন সংস্কার না করায় ড্রেনে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা ড্রেন উপচে প্রবেশ করছে হাটের নিম্মাঞ্চলগুলোতে। এতে করে বর্তমানে হাটের সব জায়গায় বিরাজ করছে দুর্গন্ধ। প্রতিদিন হাটে এসে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এই দুর্ভোগ আরো চরমে রূপ নেয়। তবুও কারো নজর নেই এই জনগুরুত্বপূর্ণ হাটের দিকে।

গত কিছুদিন পূর্বে এই হাটের রাস্তার কিছুটা সংস্কার করা হয়। এরপর কোন সংস্কার কিংবা উন্নয়নের ছোঁয়া স্পর্শ করেনি এই হাটটিতে। সেই সময় এই হাটের বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য হাটের মধ্যে দিয়ে তৈরি করা হয়েছিলো ড্রেন। বর্তমানে এই ড্রেনের অবস্থা খুবই করুন। হাটের প্রবেশ মুখে বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন যাবত ড্রেনের উপর নেই স্লাব। এছাড়াও দীর্ঘদিন যাবত এই ড্রেন পরিস্কার ও সংস্কার না করার কারণে ড্রেন পূরন হয়ে গেছে। পানি বের হতে না পারায় হাটের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে কৃত্রিম জলাবদ্ধতার। ড্রেন উপচে এই সব ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে পড়ছে হাটের বিভিন্ন জায়গায়। হাটের আশেপাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট কোন জায়গা না থাকায় ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয় হাটের এখানে-সেখানে ও ড্রেনের মধ্যে। এই সব নানা কারণে বর্ষা মৌসুমে হাটে এসে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন শত শত ক্রেতা ও বিক্রেতারা। আধুনিকতার কোন ছোঁয়াই এই হাটে লাগেনি।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন প্রতিবছর সরকার এই হাট থেকে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব হিসেবে আদায় করছেন। কিন্তু হাটের মান উন্নয়নের জন্য কারো কোন দৃষ্টিপাত নেই। হাটের ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সরু সরু রাস্তা তাও আবার দখল করে রেখেছে খুচরা ব্যবসায়ীরা নিদির্ষ্ট শেডে না বসে যত্রতত্র দোকানের পসরা নিয়ে বসায় যাতায়াতের দুর্ভোগ সহ নানা সমস্যয় জর্জরিত বিশেষ করে ড্রেনেজ ব্যবস্থার অবস্থা খুবই করুন। হাটের ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার ও ড্রেন দিয়ে পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা করা অতি জরুরী হয়ে পড়েছে। এছাড়াও হাটের যে সব জায়গা অবৈধ ভাবে বেদখল হয়ে রয়েছে প্রশাসন যদি সেই জায়গাগুলো উদ্ধার করে হাটের পরিসর আরো বদ্ধি করে তাহলে সরকার এই হাট থেকে দ্বিগুন পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে পারেন। তাই হাটের ঐতিহ্য ধরে রাখার স্বার্থে আধুনিক মানের হাটে পরিণত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

ব্রেকিং নিউজঃ