| |

ত্রিশালে ইউপি চেয়ারম্যানকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জমি বেদখল

আপডেটঃ ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৯

Ad

মার্কেট দখল করে উল্টো মার্কেট মালিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তার ভাইদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার অভিযোগ করেছেন ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার আমিরাবাড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দারা । মার্কেট তথা জমির মালিক ত্রিশালে আমিরাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান ভুট্টো এবং তার ভাইদেরকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

আর অভিযোগ রয়েছে, এতে সরাসরি যুক্ত রয়েছেন ত্রিশাল থানা পুলিশ । অভিযোগ উঠেছে, ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুরকে প্রথমে গ্রেফতার করে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি । পরে ত্রিশাল থানা পুলিশ বিভিন্ন জনকে বাদী করে একের পর এক ৪টি মামলা রের্কড করেন । মামলায় চেয়ারম্যানের  বড় ভাই আসাদুল হককে গ্রেফতার করে ত্রিশাল থানা  পুলিশের এস আই রুবেল হোসেন । গত বৃহস্পতিবার আমিরাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান ভুট্টোর মুক্তি, তার নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং মার্কেটের ৩০টি দোকান ভাঙচুর ও মালামাল  লুটেরাদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

ঐদিন সকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এর আগে উপজেলার নারায়ণপুর বানারপাড় গ্রাম থেকে হাজারো নারী-পুরুষ মিছিল সহকারে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় এসে মহাসড়কের পার্শ্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে যোগদান করে। ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন আমিরাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ মোস্তাক মিয়া, নারায়নপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শামসুল হক, গুজিয়াম ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি জৈনউদ্দিন ও নারী নেত্রী সালমা আক্তার।

বক্তারা আমিরাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান ভুট্টোর নামে দায়ের করা সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে তাকে অবিলম্বে মুক্তি প্রদান এবং সাইনবোর্ড বাজারে গভীর রাতে বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া মার্কেটের ৩০টি দোকানের মালামাল লুটেরাদের গ্রেফতার করে বিচারের দাবি জানান।

গত শুক্র ও শনিবার গভীর রাতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ত্রিশাল উপজেলার সাইনবোর্ড এলাকায় বিরোধপূর্ণ জমির একটি মার্কেটের ৩০টি দোকান ভাঙচুর ও কয়েক কোটি টাকার মালামাল লুট করে নেয় প্রতিপক্ষরা। ওই মার্কেটের জমি নিয়ে আমিরাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান ভুট্টোর সাথে প্রতিবেশি সাবিনুর ও তার স্বামী ইতালী প্রবাসী মোখলেছুর রহমানের বিরোধ চলছিল। বিরোধপূর্ণ জমিতে কারো অনাধিকার হস্তক্ষেপ বন্ধে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারির পাঁচ দিনের মাথায় গত শুক্রবার গভীর রাতে বুলডোজার দিয়ে মার্কেটের ভবনগুলো গুঁড়িয়ে দিয়ে দখল করে নেয় সাবিনুর ও মোখলেছুর রহমান।

এদিকে গত ২১ আগস্ট চাঁদাবাজির মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান ভুট্টোকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হলে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। তিনি এখনো কারাগারে রয়েছেন। চেয়ারম্যানকে সাাজনো চাঁদাবাজির মামলায় কারাগারে পাঠিয়ে ওই মার্কেট দখল করা হয় । অভিযোগ উঠেছে, ইটালী প্রবাসী মোখলেছুর রহমান নিজেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আতœীয় পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তার করে থানা পুলিশকে দিয়ে এহেন অপতৎরতায় লিপ্ত রয়েছে ।

ব্রেকিং নিউজঃ