| |

শুভ জন্মদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

আপডেটঃ 12:00 pm | September 28, 2019

Ad

কদ্দুছ মাখন: শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ১ম স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীনতার পরিকল্পনাকারী, স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রধান নেতা, জাতির পিতা ও বাংলাদেশের ১ম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১ম সন্তান। তার মায়ের নাম বেগম ফজিলাতুন্নেছা। শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সনের ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিভাগের অধিনস্থ ফরিদপুর জেলার, গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গীপাড়ায় জন্ম গ্রহন করেন।
১৯৫৪ সন থেকে শেখ হাসিনা ঢাকা শহরের মোঘল টুলি এলাকার রজনী বোস লেনে পরিবারের সাথে বসবাস শুরু করেন। পিতা মন্ত্রী হলে কিছু দিন মিন্টু রোডের সরকারী বাসভবনে থাকেন। ১/১০/১৯৬১ থেকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ীতে থাকা শুরু করেন।
শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ায় বাল্য শিক্ষা গ্রহন করেন। ১৯৫৬ সালে তাকে টিকাটুলির নারী শিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। এর পর আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে ১৯৬৫ সনে মেট্রিক পাশ করেন। ১৯৬৭ সালে ঢাকার বক্সী বাজারের গভর্নমেন্ট ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজ (বর্তমানে বদরুন্নেছা সরকারী মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন। সে বছরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর তৎকালীন মেধাবী ছাত্র ও ছাত্রলীগ কর্মি পরবর্তীতে পরমাণু বিজ্ঞানী মরহুম ড. এমএ ওয়াজেদ মিয়া (সুধা মিয়া)’র সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। শেখ হাসিনার জন্ম এবং বিবাহের সময় বঙ্গবন্ধু জেলে ছিলেন। বিবাহের পূর্বে সুধা মিয়াকে জেল গেটে দেখে পছন্দ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাকে তাদের সব থেকে দূর্দিনে আগলে রেখেছিলেন মরহুম ড.এমএ ওয়াজেদ (সুধা মিয়া)। শেখ হাসিনা দুই সন্তানের জননী। পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় স্বনামধন্য কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার ও তথ্য প্রযুক্তি বিশারদ। কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল একজন মনোবিজ্ঞানী। অঢিষ্টিক শিশুদের কল্যানে কাজ করে বিশ্বে নিজ নামে পরিচিত।
স্কুল কলেজে অধ্যয়ন কালে উনি আইয়ুব বিরোধী ও ৬দফা আন্দোলনে ছাত্রলীগ নেত্রী হিসাবে অংশ গ্রহন করেন। ১৯৬২ সালে স্কুলের ছাত্রী থাকাবস্থায় আজিমপুর গার্লস স্কুল থেকে তার নেতৃত্বে একটি ছাত্রী মিছিল যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। ১৯৬৬-৬৭ শিক্ষা বৎসরে কলেজ ছাত্রী সংসদে ছাত্রলীগের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ভিপি নির্বাচিত হন। শেখ হাসিনা উক্ত কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন কালে রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বোন রেহানা ও ভাই রাসেলের সাথে ৩২ নং ধানমন্ডির বাড়ীতে গৃহবন্দী ছিলেন। মা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও মেয়ে শেখ হাসিনার কৌশলী ভুমিকা মুক্তিযুদ্ধকে ব্যাপক সহায়তা করেছে।
১৯৭৫ সনের ১৫ আগষ্ট নির্মম ভাবে হত্যা করা হয় তার পিতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার মাতা, ভ্রাতা ও অন্যান্য নিকটাত্মীয়দের। স্বামী, পুত্র, কন্যা ও ছোট বোন শেখ রেহানা সহ ৫ জন পশ্চিম জার্মানীতে থাকায় প্রানে বেচে যান।
পরবর্তী ৬ বৎসর নিদারুণ কষ্টে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে নির্বাসিত জীবন কাটাতে বাধ্য হন। এসময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের দাবীতে জনমত গঠনের লক্ষ্যে কিছুদিন লন্ডনে কাটিয়েছেন।
১৯৮১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আওয়ামীলীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে সর্বসম্মতি ক্রমে শেখ হাসিনাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করে আওয়ামীলীগের ঐক্য সুসংহত করা হয়।
১৯৮১ সনের ১৭ মে ঝড় তুফান সহ বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে বিমান বন্দরে রেকর্ড সংখ্যক লাখো মানুষের উপস্থিতিতে শেখ হাসিনা দেশের মাটিতে অবতরণ করেন। বিমানবন্দর থেকে সোজা ৩২ নং ধানমন্ডিতে গেলে জিয়া সরকারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাগন উপরের নির্দ্দেশে নিজ বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেয় শেখ হাসিনাকে। শেখ হাসিনা পিতা, মাতা, ভাই সহ পরিবারের নিহত সদস্যদের জন্য দলীয় নেতা কর্মিদের সাথে রাস্তায় বসে মিলাদে অংশ গ্রহন করেন। বাড়ীটি ফেরত পাওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরিত করে দেশবাসীকে উৎসর্গ করেছেন দুই বোন।
দেশে ফিরে দলের দায়ীত্ব নিয়ে শেখ হাসিনা দল শক্তিশালী করন সহ দেশের মানুষের গনতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে আত্ম নিয়োগ করেন। তার বিচক্ষন নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ আন্দোলন ও লড়াই সংগ্রামে বিশেষ পারদর্শী দল হিসাবে খ্যাতী অর্জন করে। ১৯৮২ সালে সামরিক আইন জারী করে জেনারেল এরশাদের ক্ষমতা দখলকে অবৈধ ঘোষণা দিয়ে দূর্বার গন আন্দোলনের ডাক দিয়ে ১৫ দলীয় জোট গঠন করেন।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তীব্র গন আন্দোলন গড়ে উঠলে ১৯৮৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৮৪ সনের ফেব্রুয়ারি ও নভেম্বর মাসে দুবার তাকে গৃহবন্দী করা হয়। ২/৩/১৯৮৫ তারিখে আটক করে তিন মাস তাকে গৃহবন্দী রাখা হয়। ১৯৮৬ সনের ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ দিন গৃহবন্দী ছিলেন। ১৯৮৭ সনের ১১ নভেম্বর ও ১৮৮৯ সনের ২৭ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনাকে গৃহবন্দী করা হয়। ১৯৯০ সনের ২৭ নভেম্বর আন্দোলন দমনের লক্ষ্যে দেশে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করে শেখ হাসিনাকে গৃহবন্দী করা হয়। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই তাকে গ্রেফতার করে সংসদ ভবন এলাকায় সাব জেলে প্রায় এক বৎসর বন্দী করে রাখা হয়।
উনি ১৯৮৫ সনে প্রথম বার হজ্জ ব্রত পালন করেন।
১৯৮৬ সনে বিরোধী দলীয় নেতা নির্বাচিত হন। ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত জেনারেল এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বিরামহীন সংগ্রাম ও গতিশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে দুঃশাসনের নাগপাশ থেকে মুক্তি পায় বাংলাদেশের জনগণ ফিরে পায় ভোটাধিকার।
১৯৯১ সনে পূনরায় বিরোধী দলীয় নেতা নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা।
১৯৯৬ সনের ১৫ ফেব্রুয়ারীর ভোটার ও ভোট বিহীন বিতর্কিত নির্বাচন সম্পন্ন করে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে বিএনপি। শেখ হাসিনার ডাকে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ে দেশবাসী। সামান্য কয়েক দিনের ব্যবধানে পদত্যাগে বাধ্য হয় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার।
১৯৯৬ সনের ১২ জুন অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা সহ ১৪৬ আসনে বিজয়ী হয়ে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর দিন ২৩ জুন সরকার গঠন করে প্রথম বারের মত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহন করেন শেখ হাসিনা।
৫ বৎসর দায়িত্ব পালন শেষে স্বাধীনতার পর প্রথমবার সাংবিধানিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর করে রেকর্ড সৃষ্টি করেন শেখ হাসিনা
২০০১ সনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে পূনরায় বিরোধী দলীয় নেতা নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা। ২০০১ সনে বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় এসে আওয়ামীলীগ নেতা কর্মি সমর্থক সহ সংখ্যা লঘুদের উপর নজির বিহীন জুলুম,নির্যাতন, খুন,গুম, ধর্ষন ও সহিংসতা শুরু করে। এসময়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় শতশত নারী ধর্ষিত হয়। হাজার হাজার আওয়ামীলীগ নেতা কর্মিদের গুম ও খুন করা হয়।ঘরবাড়ী জালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করা হয়। বাড়ীর ভিটেয় পুকুর খনন করা হয়। সারা দেশে ৮০ হাজারের উপরে মামলা দিয়ে আওয়ামীলীগের লক্ষ লক্ষ কর্মি সমর্থককে জেলে ভরে বিনা বিচারে আটক রাখা হয়। বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ন্যায় বিচার বঞ্চিত করা হয়।ক্ষমতা কুক্ষিগত করার লক্ষ্যে সংবিধান সংশোধন করা হয়। দৃঢ়তা, দক্ষতা, বিচক্ষণতা ও লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা উক্ত দূর্যোগ থেকে দেশবাসীকে মুক্ত করেন।
১/১১ সরকার ক্ষমতায় এসে মাইনাস-২ ফর্মূলায় শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু শেখ হাসিনার দৃঢ়তা ও আওয়ামীলীগ নেতা কর্মিদের কঠোর মনোভাবের কারনে তাদের অপচেষ্টা ব্যার্থ হয়।
শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মোট ১৯ বার হামলা চালানো হয়েছে। উল্লেখযোগ্য হামলার মাঝে রয়েছে ১৯৮৭ সালে “সচিবালয় ঘেরাও” কর্মসূচী পালন কালে তাকে লক্ষ্য করে পুলিশের গুলি বর্ষন। প্রেসক্লাবের সামনে থেকে তাকে সহ তার গাড়ি ক্রেন দিয়ে তুলে নেয়ার চেষ্টা করা হয়। ১৯৮৮ সনের ২৪ জানুয়ারী চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিংয়ের সামনে শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে পুলিশ বাহিনী গুলি বর্ষন করে।এ ঘটনায় শেখ হাসিনা রক্ষা পেলেও ৩০ জন নেতা কর্মি নিহত হয়। লালদিঘি ময়দানে ভাষন দেয়ার সময় তাকে লক্ষ্য করে ২ বার গুলি বর্ষন করা হয়। জনসভা শেষে ফেরার সময় আবারো তার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। ১৯৯১ সনের ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের উপ নির্বাচন চলাকালে তাকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষন করা হয়। ১৯৯৪ সনে রেল যাত্রার সময় ঈশ্বরদী রেল ষ্টেশনে তার কামড়া লক্ষ্য করে অবিরাম গুলি বর্ষন করা হয়। ২০০০ সালে কোটালিপাড়ায় হেলিপ্যাডে ও জনসভা স্থলে যথাক্রমে ৭৬ ও ৮৪ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখা হয়। বিএনপি আমলে সবথেকে প্রানঘাতী হামলা হয় ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট। ঐ দিন তাকে লক্ষ্য করে এক ডজনেরও বেশী আর্জেস গ্র্যানেড ছোড়া হয়। নেতাদের মানব ঢালে আহতাবস্থায় শেখ হাসিনা রক্ষা পেলেও নিহত হন আইভি রহমান সহ ২৪ জন,আহত হয় শতশত।
শত বাধা বিপত্তি এবং হত্যার হুমকি সহ নানা প্রতিকুলতা উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য অবিচল সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ অর্জন করেছে উন্নয়নের গনতন্ত্র।বাংলাদেশ পেয়েছে মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা। শেখ হাসিনার শাসনামলে আর্থ সামজিক খাতে দেশে অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছে। চার মেয়াদে শেখ হাসিনা সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য হলো, ভারতের সাথে ৩০ বছর মেয়াদি পানি চুক্তি।, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি, যমুনা নদীর উপর বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মান, খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ং সম্পূর্নতা অর্জন, কৃষকের জন্য বিভিন্ন কল্যান মূখী ও ভুমিহীন দুঃস্থ মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা মূলক কর্মসূচী চালু করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, দুঃস্থ মহিলা ও বিধবা ভাতা,প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়স্ক ভাতা, শান্তি নিবাস, আশ্রয়ন প্রকল্প এবং একটি বাড়ী একটি খামার অন্যতম।
শেখ হাসিনা সরকার ব্যাপক হারে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে। ৬ শতাংশের উপরে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, ভারত ও মায়ানমারের সাথে সামুদ্রিক বিরোধ নিষ্পত্তি করেছে, প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন, মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে বই বিতরণ, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড ও ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খোলা, বিনা জামানতে বর্গা চাষীদের জন্য ঋন প্রদান, চিকিৎসা সেবার জন্য সারাদেশে ১৬ হাজার কম্যুনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপন, দারিদ্র্যের হার ২১% হ্রাস করা, ৩২ বিলিয়ন ডলারের উপর বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন, ভারতের সাথে ৬৮ বৎসরের সীমানা বিরোধের অবসান বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করন, শেখ হাসিনার কৃতিত্ব।

শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, ১৯৯৬-২০০১, ২০০৯-২০১৩, ২০১৪-২০১৮ ও ২০১৯ থেকে আজ পর্যন্ত পর্যন্ত মোট ১৫ বৎসর ৯ মাস রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে এবং করছে। শেখ হাসিনা একাধারে তিনবার প্রধানমন্ত্রী ও ১০ বৎসর ৯মাস রাস্ট্র পরিচালনা করে রেকর্ড গড়েছেন।
১৯৮৬-১৯৮৭, ১৯৯১-১৯৯৫ ও ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত মোট ১২ বৎসর আওয়ামীলীগ জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল থাকাবস্থায় শেখ হাসিনা ছিলো প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা। এটিও একটি রেকর্ড।

যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, স্কটল্যান্ড, ভারত, অষ্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স ও বাংলাদেশের নামী দামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শেখ হাসিনাকে ডক্টরেট ও ডিপ্লোমা ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে।
UN, UNESCO, ফোর্বস, গ্লোবাল পার্টনারশীপ ফোরাম, সর্ব ভারতীয় সংঘ, মহাত্মা গান্ধী ফাউন্ডেশন, আন্তর্জাতিক লায়ন্স ক্লাব, FAO, রোটারী ফাউন্ডশন সহ অনেক নামী দামী আন্তর্জাতিক সংস্থা শেখ হাসিনাকে মোট ৩৯ টি পুরুস্কারে ভুষিত করেছে।
শেখ হাসিনার অপরিসীম আত্মত্যাগের ফলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাড়াতে সক্ষম হয়েছে
এই মহীয়সী প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে মহান সৃষ্টি কর্তার দরবারে দীর্ঘায়ু ও রহমত প্রার্থনা করছি।

ব্রেকিং নিউজঃ