| |

জামালপুরে সরিষাবাড়ী মেয়ের সামনেই স্ত্রীকে হত্যা করেন পাষণ্ড স্বামী

আপডেটঃ ১১:৩৮ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৬, ২০১৯

Ad

মোঃ রিয়াজুর রহমান লাভলু ঃ  জামালপুর সরিষাবাড়ীতে উপজেলায় মেয়ের সামনেই স্ত্রী হামিদা বেগমকে (৪০) শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন পাষণ্ড স্বামী সুরুজ মিয়া। শনিবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের চরসরিষাবাড়ী অলিপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

রাত ৮টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে সরিষাবাড়ী থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। নিহত হামিদা বেগম সরিষাবাড়ী পৌরসভার কাঠিয়ারবাড়ী গ্রামের মৃত রমিজ উদ্দিনের ময়ে। তিনি চার সন্তানের মা।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সরিষাবাড়ী উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের চরসরিষাবাড়ী অলিপাড়ার কৃষক সুরুজ মিয়া পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী হামিদা বেগমকে শনিবার বিকেল ৫টার দিকে তিনি তার মেয়ে সনেকা আক্তারের (১৯) সামনেই স্ত্রী হামিদা বেগমকে মারধরের একপর্যায়ে তাকে গলাচেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। হত্যার পর ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখেন।

এ সময় মেয়ে সনেকার ডাকচিৎকারে প্রতিবেশীরা ওই বাড়িতে গিয়ে ঘরের ধর্ণা থেকে হামিদার ঝুলন্ত মরদেহ খাটে নামায়। এ অবস্থার মধ্যেই সুরুজ মিয়া তার নিকটাত্মীয়ের সহায়তায় মরদেহ দাফনের চেষ্টা চালায়। ঘটনা জানতে পেরে নিহত হামিদা বেগমের দুঃসম্পর্কের চাচা মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোফাজ্জল হোসেন এবং আরো অনেকেই সরিষাবাড়ী থানায় খবর দিলে উপপরিদর্শক (এসআই) মোঃ আমিনুল ইসলাম পুলিশ ফোর্স নিয়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে হামিদার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ওই বাড়িতে পুলিশ পৌঁছার আগেই সুরুজ মিয়া পালিয়ে যায়।

লাশ উদ্ধারের সময় মেয়ে সনেকা পুলিশ, স্থানীয় লোকজন ও সাংবাদিকদের কাছে তার বাবা তার মাকে মারধর ও গলাচেপে ধরে নির্মমভাবে হত্যার পর ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখার বর্ণনা দেন।

সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজেদুর রহমান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় আনা হয়। রবিবার সকালে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। পোসমেডাম রিপোট আসার পর এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হবে।

 

ব্রেকিং নিউজঃ