| |

“কমিটী ও পদ বানিজ্য”

আপডেটঃ ৯:৩৭ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৭, ২০১৯

Ad

প্রদীপ ভৌমিক: আমরা যারা অতীতে যুবলীগের সাথে সন্পৃতছিলাম কোনদিন টাকা দিয়ে কেন্দ্র থেকে কমিটীর অনুমোদন আনতে হয়েছে বলে শুনিনি এখন নাকি জেলা উপজেলার কমিটী আনতে অবস্হা ভেদে কোটি কিংবা অর্ধকোটি টাকা কেন্দ্রের সভাপতি/সাধারন সন্পাদককে দিতে হয়। এক্ষেত্রে দলীয় আর্দশ, ত্যাগ কিংবা যোগ্যতার প্রয়োজন নেই,প্রয়োজন নেই কর্মী সমর্থকদের সর্মথনের। টাকাই যথেষ্ট।এর জন্য দায়ী দলীয় গনতন্ত্র বিনষ্ট করে কেন্দ্রের ক্ষমতায়ন বলে মনে করে যুবলীগের সাবেক নেতা কর্মীরা যা দলীয় গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী। ময়মনসিংহও নাকি এর আওতাভূক্ত। এখন রাজনীতিতে একটি বহুল আলোচিত শব্দ আছে যা হল কমিটী বানিজ্য ও পদবানিজ্য।জনশ্রুতি আছে যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাঃ সন্পাদক হারুনর রশীদ একাজটি কোন রাকডাক রেখে করতেন না।যুবলীগের তৃনমূলের ত্যাগি নেতা কর্মীদের দাবী সম্রাট ও আরমানের বহিস্কারের সাথে সাথে এদের বহিস্কার করে যুবলীগকে কলন্কমুুক্ত করা হউক।।

ব্রেকিং নিউজঃ