| |

পতন হলে বউও পাশে থাকে না!

আপডেটঃ ১১:৩৮ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৭, ২০১৯

Ad

সম্রাটকে গ্রেপ্তারের পর চলমান অভিযানের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তার স্ত্রী শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেন, আমাদের দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে এই অভিযানের জন্য ব্যক্তিগতভাবে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাবো। এই উদ্যোগ আরো আগে নিলে ভালো হত।

এদিকে ‘পতন হলে স্ত্রী ছাড়া কেউ পাশে থাকে না’ বলে মন্তব্য করেছিলেন যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী। নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেছিলেন, জমিনে উত্থান দেখেছি পতনও দেখেছি।

পতন হইলে কেউ নাই, বউ ছাড়া কেউ নাই। তবে তার কথা যেন ফললো না যুবলীগের আলোচিত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের ক্ষেত্রে।

সম্রাটের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমার সাথে ওর একটু মিলতো কম। ও ছেলেপুলে নিয়েই থাকতে বেশি পছন্দ করত। আরো চাইতো না আমি কোনো ক্যামেরার সামনে আসি আমি, ওপেন ফেস হই। আর আমি শুরু থেকে নামাজটা পড়তে পছন্দ করতাম, বাসায় থাকতে পছন্দ করতাম। ও চাইত আমি এভাবেই চলি চলি।

আগে তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে গেলেও দু’বছর ধরে সম্রাট তাকে সাথে নেয় না বলে জানান শারমিন চৌধুরী। বলেন, দু’বছর ধরে সিঙ্গাপুরে নেয় না, ওখানে বোধহয় একটা চায়না প্লাস মালয়েশিয়ান মিক্স একটা মেয়ের সাথে সম্পর্ক হয়েছে। ও গেলে তার সাথেই সময় কাটায় আরকি।

সম্রাট নিয়মিত সিঙ্গাপুর কেন যেতেন- এমন প্রশ্নের জবাবে শারমিন চৌধুরী বলেন, ও সিঙ্গাপুরে জুয়া খেলতেই যেত। জুয়া খেলা ওর নেশা, কিন্তু সম্পদ জমানো তার নেশা না। দোকান, গাড়ি এগুলো তার নেশা না।

শারমিন জানান, ২ বছর ধরে সম্রাটের সাথে তার যোগাযোগ নেই। তার দাবি, ওর সম্পদ বলতে কিছুই নাই। ও যা ইনকাম করে ক্যাসিনো চালিয়ে, সব দলের জন্য খরচ করে।

দল পালে, আর যা থাকে তা দিয়ে সিঙ্গাপুরে জুয়া খেলে। সম্পদ বলতে কিছুই নেই। আগে যেমন ছিল এখনও তেমন। সম্রাটের কোনো নেশা নেই ফ্ল্যাট, বাড়ি, গাড়ির প্রতি। ওর একমাত্র নেশা জুয়া খেলা।

শারমিনের দাবি, সম্রাট চাইতো না অবৈধ টাকা সংসারের খরচ করতে। সে চাইতো না তার পরিবারের লোকজন অবৈধ টাকায় চলুক। সেজন্য সেসব টাকা দলের পেছনেই খরচ করতো। যুগ পাল্টেছে। টাকা না দিলে ছেলেপুলে আসে না। তাই সে সেখানেই খরচ করতো।

ব্রেকিং নিউজঃ