| |

৮ বছরেও ছাত্রলীগ কর্মী আল মামুন শিহাব হত্যার বিচার হয়নি!

আপডেটঃ 2:33 pm | October 13, 2019

Ad

মদন মোহন কলেজের একজন মেধাবী ছাত্র ও ছাত্রলীগ কর্মী আল মামুন শিহাব ছিল ছাত্রলীগের নিবেদিত প্রাণ।ছাত্রলীগের প্রতিটি কর্মসূচিতে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে রাজপথ মুখরিত রাখতো।আল মামুন শিহাব পড়াশোনায় ছিল অত্যন্ত মেধাবী।এস এস সি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.৪৪ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়ে মদন মোহন কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি হয়।পড়াশোনার পাশে শিহাব বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগ দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই ররাজনীতিতে সুপরিচিতি লাভ করে।

আল মামুন শিহাবের হাত ধরে তার অনেক বন্ধুবান্ধব ও
ছোট ভাইয়েরা ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগ দেয়।
কিন্তু আল মামুন শিহাব কে বেশি দূর এগিয়ে যেতে দেওয়া হয়নি।খালেদা জিয়া মদদপুষ্ট ছাত্রদলের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হাতে অকালেই তার প্রাণ ঝরে যায়।২০১১ সালের ১৮ ই অক্টোবর জল্লাড়পাড় ছাত্রলীগের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কাজী ম্যানশনের দোকানে প্রতিদিনের ন্যায় সেদিনও দোকানের হিসাব নিকাশ বোঝার জন্য সে যায়।তখন ঘরিতে রাত প্রায় ৮ টা।কাজী ম্যানশন এর সামনে পৌছালেই আগে থেকেই ঘাপটি মেরে থাকা ছাত্রদলের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা তার উপর এলোপাথাড়ি হামলা চালায়।
নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা জিন্দাবাজারে সেদিন হাজার হাজার মানুষের সম্মুখে ছাত্রদলের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা তাকে রামদা, ছুরি,চাপাতি দিয়ে কোপাতে থাকে।তার শরীরের বুকে, পিঠে,পেটে,কোমরে,পায়ের উরুতে, হাতের কবজিতে, মাথায়,কপালে রামদা দিয়ে কোপিয়ে একটা সময় তাকে মৃত ভেবে তারা জিন্দাবাজার এলাকা ত্যাগ করে।
শিহাবকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেলে নেওয়ার সাথে সাথে সে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যায়।

সেদিন নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা জিন্দাবাজারে হাজারো জনতার সম্মুখে যারা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে তারা সকলেই সিলেটের চিহ্নিত ছিনতাইকারী ও ছাত্রদলের চিহ্নিত সন্ত্রাসী।

শিহাব হত্যার বিচারের দাবিতে সিলেট সহ দেশের সকল
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আন্দোলন শুরু হয়।এ ঘটনায় সিলেট কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার কয়েকজন আসামি কিছুদিন জেল খাটলেও পরবর্তীতে ছাত্রদলের সেই সকল চিহ্নিত হত্যাকারী ও সন্ত্রাসীরা সিলেটের মাটিতে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়।
৮ বছর পেরিয়ে গেলেও শিহাব হত্যার কোন বিচার হয়নি।

ব্রেকিং নিউজঃ