| |

*যুবলীগের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে তোফায়েল-আমু*

আপডেটঃ 9:12 pm | October 21, 2019

Ad

*গতকাল রোববার আওয়ামী যুবলীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক ছিল চমকে ভরপুর। এই বৈঠকে যুবলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে বাদ রাখা হয়েছে। যুবলীগের নেতৃত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শেখ সেলিম, তিনি দীর্ঘদিন যুবলীগের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার বড় ভাই শেখ ফজলুল হক মনি যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা। সেই শেখ সেলিমকেই গতকালের বৈঠকে ডাকা হয়নি। ওমর ফারুক চৌধুরীর আগে যিনি যুবলীগের চেয়ারম্যান ছিলেন সেই জাহাঙ্গীর কবির নানকেও বৈঠকে রাখা হয়নি। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের মধ্যে যারা রাজনীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করেন, যেমন- বেগম মতিয়া চৌধুরী, ড. আবদুর রাজ্জাক এদের কাউকেই গতকালের বৈঠকে রাখা হয়নি।*

*বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে যে, আমির হোসেন আমু এবং তোফায়েল আহমেদকে বৈঠকে ডাকা হবে এটা দলের সাধারণ সম্পাদকও জানতেন না। হঠাৎ করে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা কেন আমু এবং তোফায়েলকে ডাকলেন? বিশেষ করে যখন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় দলের সাধারণ সম্পাদক জ্যেষ্ঠ নেতাদেরকে এড়িয়ে চলেন এবং তাদেরকে বাদ দিয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তখন আওয়ামী লীগ সভাপতি আমীর হোসেন আমু এবং তোফায়েল আহমেদকে ডেকে একটা চমক সৃষ্টি করলেন। আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে যে, আমীর হোসেন আমু এবং তোফায়েল আহমেদকে ডাকার প্রধান কারণ ছিল দুটি।*

*প্রথমত, আমু-তোফায়েল কেউই যুবলীগের সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত নন। কাজেই তাদের কাছ থেকে ভালো উপদেশ পাওয়া যাবে। তাদেরকে নিলে যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি বা যুবলীগ নিয়ে কোনও কথা উঠবে না।*
*দ্বিতীয়ত, আওয়ামী লীগের কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে দলের যে সাংগঠনিক তৎপরতা এর সঙ্গে তোফায়েল আহমেদ এবং আমীর হোসেন আমুকে যুক্ত করতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। কারণ তিনি যে ক্লিন ইমেজের দল করতে চাইছেন সেখানে এই দুই বর্ষীয়ান, প্রবীণ এবং জনপ্রিয় নেতার অংশগ্রহণ থাকা উচিৎ বলে আওয়ামী লীগ সভাপতি মনে করছেন। এজন্যই তিনি হঠাৎ করে আমীর হোসেন আমু এবং তোফায়েল আহমেদকে লাইম লাইটে নিয়ে এসেছেন।*

ব্রেকিং নিউজঃ