| |

সেই চার প্রতিবন্ধী বোনের স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণে লন্ডন প্রবাসীর আগ্রহ

আপডেটঃ 2:21 pm | November 05, 2019

Ad

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ার চার প্রতিবন্ধী বোনের পাশে এবার দাড়িয়েছে লন্ডন প্রবাসী নাজমুল হুদা।

ময়মনসিংহ নগরীর সাকিপাড়া এলাকার বাসিন্দা নাসিরাবাদ কলেজিয়েট স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র লন্ডন প্রবাসী নাজমুল হুদা এবার এই চার বোনের জন্য প্রতিবন্ধীবান্ধব আধুনিক স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণের পুরো খরচ বহনের অঙ্গিকার করেছে।

বিগত কয়েকদিনে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে “৪ প্রতিবন্ধী কন্যা নিয়ে অসহায় দিনমজুর পিতা” শিরোনামে বিভিন্ন সংবাদ প্রচার হওয়ায় অনেকে সাহ্যয্যে এগিয়ে আসে।

এরই ধারাবাহিকতায় সমাজসেবী আলী ইউসুফ এর প্রতিবন্ধীদের জন্য স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণের ফেসবুক পোষ্টটি লন্ডন প্রবাসী নাজমুল হুদার নজরে আসে। পরে তিনি একটি প্রতিবন্ধীবান্ধব আধুনিক বাড়ি নির্মাণের পুরো খরচ বহনের অঙ্গিকার করে।

media image
প্রতিবন্ধীবান্ধব আধুনিক স্বপ্নের বাড়ি

সমাজসেবী আলী ইফসুফ বলেন, আমরা আনোয়ারা করিম সমাজ কল্যান সংস্থার মাধ্যমে এই ৪ বোনের সন্ধান পায়। চার প্রতিবন্ধী বোনের মানবেতর জীবনের ইতি টেনে এবং তাদের বাবা ইব্রাহীম মিয়াকেও আমরা এখন একটু স্বস্তির জীবন দিতে চাই। প্রতিবন্ধীবান্ধব আধুনিক একটি বাড়ি নির্মাণ করতে পারলে প্রতিবন্ধী পারুল, বিউটি, তাপসী এবং শাবনূর খুব শীঘ্রই একটি সুন্দর বাড়িতে উঠবে, ওরা খেলবে, নামাজ পড়বে, টিভি দেখবে,পাকা উঠোনে হুইল চেয়ারে ঘুরে বেড়াবে।

তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে প্রতিবন্ধী চার বোনের সাহায্যের জন্য তাদের বাবা ইব্রাহীম মিয়াকে ১নং গ্রাহক হোল্ডার রেখে কাব্য সুমী সরকার এবং আলী ইউসুফ সহ তিন জনের নামে একটি যৌথ হিসাব খোলা হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ময়মনসিংহ ফুলবাড়িয়া শাখায়। যার হিসাব নং : ৪৭১১.০৩১০২০৭৩২৮। ইতোমধ্যে বিভিন্নজন নানা ধরনের সহযোগিতার অঙ্গিকার করছে।

media image
ফুলবাড়ীয়ার চার প্রতিবন্ধী বোন

উল্লেখ্য, ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার রাধাকানাই গ্রামের চৌরঙ্গি পাড়ার দিনমজুর ইব্রাহিমের ঘরে জন্ম নেওয়া ৪টি কন্যা সন্তান ৩০ বছরের মিনারা পারভিন, ২০ বছরের বিউটি আক্তার, ১৫ বছরের তাপসী আর ১১ বছরের শাবনূও বড় হওয়ার সাথে সাথে তাদের হাত-পা চিকন হয়ে অবশ হয়ে যায়। তারা সকলেই শারিরীক প্রতিবন্ধী। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নড়াচড়াও করতে পারে না। ৮ দিনে ১০ দিনে গোসল করারও ভাগ্য হয়না। যেখানে খাওয়া দাওয়া সেখানেই পায়খানা প্রস্রাব। অন্যের সাহায্য ছাড়া এরা এক ইঞ্চিও নড়তে পারে না। চার প্রাপ্ত বয়ষ্ক মেয়েকে খাওয়ানো, গোসল করানো, পায়খানা-প্রস্রাব করানো সব কিছুই করতে হয় বৃদ্ধ পিতা ইব্রাহীম মিয়াকে।

ব্রেকিং নিউজঃ