| |

ক্রিকেটের রাজত্বে পাঁচ বাংলাদেশি রাজকুমার

আপডেটঃ 9:07 pm | February 18, 2016

Ad

অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের শেষ চারে এবারই প্রথমবারের মত নাম লেখালো। তাই, পারফরম্যান্স অন্তত রায় দিচ্ছে এবারের দলটাই দেশের ইতিহাসের সেরা দল। আর এই অভিযানে এমন কয়েকজন ক্রিকেটার উঠে এসেছেন, যাদের বিবেচনা করা হচ্ছে দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যত প্রজন্মের তারকা হিসেবে। বলা হচ্ছে, এরাই আগামী দিনে নেতৃত্ব দেবেন ক্রিকেটকে।

চলুন এক নজরে জেনে নেয়া যাক তাদের গল্প…

  • মেহেদি হাসান মিরাজ

বাংলাদেশ যুব দলের এই অধিনায়ক টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। আর, অধিনায়কত্ব আর পারফরম্যান্স বিবেচনায় তার নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বাড়তি গুরুত্ব দিতে বাধ্য। ছয় ম্যাচে খুলনার এই ১৮ বছর বয়সী তারকা ২৪২ রানের করেছেন। আর সেখান ব্যাটিং গড়টাও চোখে পড়ার মত – ৬০.৫০! চার হাফ সেঞ্চুরি পাশাপাশি উইকেট নিয়েছেন ১২টি। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন চারেরও কম। এমনকি এই বিশ্বকাপ দিয়েই যুব ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেটের (৮০) মালিক হয়ে গেলেন তিনি। এমনকি তার পারফরম্যান্স এতটাই মুগ্ধতা ছড়িয়েছে যে, তাকে কেউ কেউ আগামী দিনের সাকিব আল হাসানও বলছে!

  • নাজমুল হোসেন শান্ত

রাজশাহীর বাঁ-হাতি এই ব্যাটসম্যান তার স্ট্রোকের ভাণ্ডার আর বড় ইনিংস খেলার দক্ষতা দিয়ে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এসেছেন। বাংলাদেশের হয়ে টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রানের মালিকও তিনি। এক সেঞ্চুরি ও এক হাফ সেঞ্চুরিতে ছয় ম্যাচে ৬৪.৭৫ গড়ে ২৫৯ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। বলে রাখা ভাল, যুব ক্রিকেটে তিনিই সর্বোচ্চ রানের (১,৮২০) মালিক। আগামী দিনে বাংলাদেশের টপ অর্ডারের জন্য দারুণ এক সম্পদ হয়ে উঠতে পারেন তিনি।

  • মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন

জেনুইন সিমিং অলরাউন্ডার বলতে যা বোঝায় তার সব কিছুই আছে তার মধ্যে। বল হাতে দুর্দান্ত সব ইয়র্কার, আর লোয়ার মিডল অর্ডারে প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্বশীল কিংবা ঝড়ো ইনিংস খেলার দক্ষতা দিয়ে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন প্রশংসা কুড়িয়েছেন সবার। চট্টগ্রাম বিভাগীয় দলে খেলা এই ক্রিকেটার ছয় ম্যাচে ১৩ টি উইকেট নেয়ার পাশাপাশি করেছেন গুরুত্বপূর্ণ ৭৭ টি রান। এমন একজন সিমিং অলরাউন্ডারের জন্য কতযুগ অপেক্ষা করেছে বাংলাদেশ। এবার সাইফুদ্দিন আরও বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করতে পারলেই সেই অপেক্ষার অবসান হবে।

  • সালেহ আহমেদ শাওন গাজী

বাংলাদেশের বাঁ-হাতি স্পিনারদের যে অবারিত স্রোত তাদেরই একজন হলেন সালেহ আহমেদ শাওন গাজী। আর যুব বিশ্বকাপে তার আলোচনায় আসার কারণ হল – ব্রেক থ্রু নেয়ার ক্ষেত্রে তার জুড়ি নেই বললেই চলে। ছয় ম্যাচে ১২ টি উইকেট পেয়েছেন, ওভারপ্রতি মাত্র ২.৯৪ রান দিয়ে। বরিশালের ১৮ বছর বয়সী এই তারকাকে চাইলে ভবিষ্যতের জন্য বিবেচনা করতেই পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট।

  • জয়রাজ শেখ

ঢাকার ছেলে জয়রাজ শেখ ইমন যুব বিশ্বকাপে যে ছয়টি ‍ইনিংস খেলেছেন তার কোনটিতেই নিজেকে পুরোপুরি মেলে ধরতে পারেননি। ৩৮.৪০ গড়ে ১৯২ রান করলেও তার এর মধ্যে কোন হাফ সেঞ্চুরি নিয়েই। বড় ইনিংস খেলার দক্ষতা আরও বাড়ালেই তিনি বড় এক সম্পদ হয়ে উঠতে পারেন বাংলাদেশের জন্য। এছাড়া বিশ্বকাপে তিন ম্যাচ খেলা বাঁ-হাতি ফাস্ট বোলার মেহেদি হাসান রানার দিকেও আলাদা চোখ রাখা যেতে পারে।

ব্রেকিং নিউজঃ