| |

জামালপুরে স্মার্ট কার্ড বিতরণের ব্যাংক চালানের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ সহ সংশ্লিষ্ট ভোটারদের স্মার্ট কার্ডের কাভার কিনতে হচ্ছে ১০টাকায়

আপডেটঃ 10:04 pm | December 08, 2019

Ad

মোঃ রিয়াজুর রহমান লাভলু ঃ জামালপুর মেলান্দহ উপজেলার ঘুষেরপাড়া ইউনিয়নে স্মার্ট কার্ড বিতরনে ব্যাংক চালানের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। জামালপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ মোখলেছুর রহমান সহ মেলান্দহ উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ার মাহমুদের বিরুদ্ধে রাজস্ব খাতের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ সহ বিনামুল্যে স্মার্ট কার্ডের সাথে দুইটি কাভারের মধ্যে একটি হচ্ছে সাদাকাগজের আরেকটি হচ্ছে প্লাস্টিকের,সংশ্লিষ্ট ভোটারদেরকে কাভার না দেওয়ার কারুনে কিনতে হচ্ছে ১০টাকায়।গত ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘুষেরপাড়া ইউনিয়নে করিমুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয়ে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়।টিম ম্যানেজার কাম টেকনিক্যাল এক্সপার্ট সোহেব সহ ২৮ জনের একটি প্রতিনিধি দল এবং মেলান্দহ উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তার অফিস সহায়ক খলিল ও টাইগার প্রকল্পের কম্পিউটার ডাটা অফিস অপারেটর রাকিবকে দেখা যায়া।এ বিষয়ে টিম ম্যানেজার কাম টেকনিক্যাল এক্সপার্ট সোহেবের সাথে কথা বলতে চাইলে অফিস সহায়ক খলিল আমাদেরকে পরিচয় করিয়েদেন মামুন নামের একজনের সাথে তিনি বলেন আমি টিম ম্যানেজার কাম টেকনিক্যাল এক্সপার্ট এর দায়িত্বে আছি তখন আমারা পরিচয়দিয়ে বললাম আ্মরা সাংবাদিক প্রথমেই আমাদের চখে পরলো কালোরঙের স্কুলব্যাগ বুঝায় চেন খোলা অবস্থায় একটি টাকার ব্যাগ ও তার পাশে লেপটপে কাজ করার পাশাপাশি রাকিব নামের একজনকে দেখা যায়।তিনি সাদা কা্গজে লিখিত আকারে সাইনকরার পর সিলদিয়ে টাকা নিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ভোটাদের কাছ থেকে। পরে দায়িত্বরত টিম ম্যানেজার কাম টেকনিক্যাল এক্সপার্ট মামুনের কাছে জানতে চাইলাম স্কুল ব্যাগের মধ্যে এত টাকা কিসের তিনি বলেন এগুলো হচ্ছে সোনালী ব্যাংক চালানের টাকা আমরা নিজেরাই জমা দেই।তাহলে পাশের দুইজন সাইনকরার পর সিলদিয়ে কিসের টাকা নিচ্ছে,আমাদের উপর রেগে বলেন নির্বাচন অফিসের অনুমতি ছাড়া কি আমরা টাকা এমনেই নিতাছি জান তাদেরকে বলেন গিয়া আমাদের কিছুই করতে পারবেন না। কিছুখন পরে সাংবাদিকদের মেনেজকরার চেষ্টা করা হয়।পরে আমরা বাইয়ে এসে, ভোটাদের কাছে গিয়ে দেখতে পাই সাদা কাগজে সাইনের পাশে নির্বাচন অফিসের সিল ব্যবহার করা হচ্ছে। সরজমিনে সংশ্লিষ্ট ভোটার এ বিষয়য়ে অভিযোগ কারীরা জানান, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেছে অথবা ডুপ্লিকেট কপি আছে তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৩৪৫ টাকার পরিবর্তে ৩৫০ টাকা থেকে পুরাতন কার্ড হারিয়ে ফেলেছে যায়া। তাদেরকে নির্বাচন কর্মকর্তা করার সিলসহ লিখিত স্লিপ দিয়ে ৩৫০ টাকা থেকে শুরু করে। ৪০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।এতে অভিযোগকারীরা মনে করেন নির্বাচন অফিসারের যোগসাযোগে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব ফাকি দিচ্ছেন সংঘবদ্ধ এই চক্রটি। মেলান্দহ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকতার কাছে জানতে চাইলে, স্মার্ট কার্ড নিতে হলে অথবা কার্ড হারিয়ে গেলে সেই ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংক চালান কপির টাকা আপনাদের অফিসের কেউ নিতে পারে কি,না । তিনি বলেন,যদি জনপ্রতিনিধি অথবা চেয়ারম্যান মেম্বাররা যদি কোন ভোটারদের জন্য সুপারিশ করে। সেই ক্ষেত্রে ব্যাংক চালান কপির টাকা নির্বাচন অফিস নিতে পারে। আর ৩৪৫ টাকা ব্যাংক চালান জমা দেওয়ার নিয়ম সেই ক্ষেত্রে ৩৫০ টাকা আমাদের অফিসের কেউ যদি নিয়ে থাকে তা হলে চালান ফরম সংগ্রাহ করে ঐ ক্ষেত্রে তারা নিতে পারে। তিনি আরো বলেন, ব্যাংক চালানের টাকা নিয়ে ঐ দিন স্মার্ট কার্ড দিতে পারে। আমাদের লোকেরা একটি স্মার্ট কার্ডের দুইটি করে কাভার দেওয়া কথা ভোটারা যদি বাইয়ে থেকে ১০ টাকা করে কাভার কিনে সেইটা হচ্ছে তাদের বিষয়। জামালপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মোঃ মোখলেছুর রহমানের কাছে গেলে তিনি বলেন, স্মার্ট কার্ড ও কাভারসহ ঢাকা থেকে যখন আসে তখন সরাসরি কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে চলে যায়। এর আগে জামালপুর পৌরসভাসহ সদর উপজেলার স্মার্ট কার্ডসহ কাভার গুলো একই ভাবে ঢাকা থেকে সরাসরি সদরউপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে আসে এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার হিসাবে আমাদের কাজ হচ্ছে শুধু মনিটরিং করা। আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ময়মনসিংহ আলীমুজ্জামান মুকুল বলেন, জামালপুর জেলা ও মেলান্দহ উপজেলার কোন নির্বাচন কর্মকর্তারা যদি স্মার্ট কার্ড বিতরণের ব্যাংক চালানের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার মতো অনৈতিক কাজের থাকে জড়িত থাকে ও স্মার্ট কার্ডের সাথে সরকারি বিনামুল্যে সংশ্লিষ্ট ভোটারদেরকে দুইটি কাভার না দেওয়া হয়। তা হলে তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ