| |

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে দেয়ালে দেয়ালে বঙ্গবন্ধুর বাণী

আপডেটঃ ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০

Ad

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, ময়মনসিংহঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উচ্চারণগুলোই যেন অমর বাণী। মহান এই নেতার কণ্ঠে বিভিন্ন সময় দেশের গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, অসাম্প্রদায়িকতা, রাজনৈতিক সমঝোতা ও সহনশীলতা, দুর্নীতিসহ নানা বিষয়ে যে কথাগুলো উচ্চারিত হয়েছে, তা যেন এখনো সাম্প্রতিক। তাঁর এমন কিছু অমর, কালোত্তীর্ণ উচ্চারণ আনন্দ মোহন কলেজের দেয়ালে দেয়ালে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে মহান এই নেতার অমর বাণী লিখছে ছাত্রলীগ।

উক্ত দেয়াল লিখন উদ্বোধন করেন অত্র কলেজের সুযোগ্য উপাধ্যক্ষ প্রফেসর নুরুল আফসার। এসময় একাত্মতা পোষণ করেন অত্র কলেজের সুযোগ্য অধ্যক্ষ প্রফেসর নারায়ন চন্দ্র ভৌমিক, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট এর সুযোগ্য আহ্বায়ক প্রফেসর আবদুল হামিদ, আহব্বায়ক কমিটির সদস্য খান মোহাম্মদ শেখ সাদী, সদস্য তোফায়েল আহমেদকে সাথে নিয়ে নিজ হাতে দেয়ালে লিখেন।

এসময় অধ্যক্ষ প্রফেসর নারায়ন চন্দ্র ভৌমিক বলেন, সবুজের অনুরোধক্রমে আমি সাধারণ শিক্ষার্থীদের কে নিয়ে সেই দেয়ালে অর্থাৎ দেয়ালের যেখানে ওরা লেখাটি নির্ধারণ করেছে সেটি আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি বাণী।

বাণীটি হলো, আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না আমি এদেশের মানুষের অধিকার চাই। সেই আমি কথাটি আমার শিক্ষার্থীদের অনুরোধকমে আমি লিখেছি।

তাহলে আমি মানে কি ?কে বলেছিলেন? বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন
এক মুজিব লোকান্তরে কোটি মুজিব ঘরে ঘরে ১৭কোটি মানুষের এই বাংলাদেশ। আমি আমার জায়গা থেকে যখন লিখেছি আমি বঙ্গবন্ধুর প্রতিনিধি হিসেবে লিখেছি তার সন্তান হিসেবে আমি লিখেছি তার সমকক্ষ বিশ্বের কেউ হইতে পারবে না বলে আমি মনে করি। তারপর পেরালাল/ প্যারালাল কেউ নয় কিন্তু তাঁর পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে একটি ছোট ব্যক্তি হিসেবে আমি লিখেছি।

তিনি বলেন এমন সৃষ্টিশীল উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার এবং এই লিখনি থেকে যদি একটি বাণী ও কারো হৃদয় স্পর্শ করে তাহলে তোমরা সার্থক।

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রলীগের আহব্বায়ক মোঃ মাহমুদুল হাসান সবুজ জানান, দেয়ালে এধরনের লেখার কারণ শিক্ষার্থীরা যাওয়া-আসার সময় যাতে ভালো উক্তি বা বাণীগুলো পড়ে নিজেকে বদলাতে পারে। নিজের চেতনাকে শাণিত করতে পারে। সে যাতে ভালো ও বড় হওয়ার অনুপ্রেরণা পায়।

তিনি বলেন, শিক্ষা তো শুধু স্কুলের গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একজন শিক্ষার্থী তো স্কুলে যাওয়া-আসার পথে, প্রকৃতি ও মানুষের থেকে শিখতে পারে। শিক্ষার যেমন শেষ নেই তেমনি শেখার পদ্ধতিরও শেষ নেই।

ব্রেকিং নিউজঃ