| |

বেপরোয়া বালুর ট্রাকে ধ্বংস হচ্ছে সড়ক নগরবাসীও মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে

আপডেটঃ 6:08 am | March 01, 2020

Ad

ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহ নগরীর সড়ক-মহাসড়কে আইন অমান্য করে দিনরাত বেপরোয়া গতিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মাল ও বালুবাহী ট্রাক। সড়কপথে বিভিন্ন যানবাহনে ইটের গুঁড়া, বালু, পাথরকুচি, সিমেন্ট আনা-নেওয়ার সময় গাড়িতে ঢাকনা ব্যবহার না করায় চলন্ত যানবাহন থেকে বালু উড়ে পথচারী, মোটরসাইকেলচালক, রিকশাচালক, যাত্রী, বাইসাইকেল চালকসহ সবার গায়েই লাগে। এতে করে মানুষ শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত অসুখসহ নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সুত্রে জানাযায়, ময়মনসিংহে দিনের বেলায় নগরীর ভেতরে ট্রাকসহ ভারি যানবাহন চলাচল পুরোপুরি নিষিদ্ধ। রাত ৮টার পর হালকা ও মাঝারি যানবাহন চলাচল করতে পারে। তবে ১০ বা ১৬ চাকার ট্রাক ও ডাম্পার কোনো সময়ই চলাচলের আইন নেই। আইন উপেক্ষা করে ভারি যান চলাচল অব্যাহত রেখেছেন ট্রাক মালিকরা। সড়কগুলোতে বেপরোয়া যানবাহন চলাচলের নির্দিষ্ট সময় ও নিয়ম কার্যকর করছে না পুলিশ।

অভিযোগ রয়েছে, ময়মনসিংহ মহানগরে অবাধে বালু বিক্রি ও বিপণন চলছে। খোলা ট্রাকে বহনের ফলে নগরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে বালু। এমন পরিবেশে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও পড়ছে নগরবাসী।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন একাধিক কর্মকর্তা জানান, ওভার লোডেড বালুর ট্রাক চলাচলে নগরীর সড়কগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। নির্দিষ্ট পথে বালুট্রাকগুলো চলাচল করলে সড়কগুলো বাঁচে। দিনের বেলায় বালু ট্রাক নগরীতে প্রবেশে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা থাকা জরুরি।

স্বানীয় বাসিন্দারা জানান, এ ধরনের পরোক্ষ ভোগান্তি ও পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য বাজায় রাখতে ঢাকনাবিহীন বালুর ট্রাক সড়ক পথে চলাচল করা নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারির মাধ্যমে তা রোধ করা সম্ভব। যারা নিয়ম না মেনে ঢাকনা ছাড়া বালুর ট্রাকেবোঝাই করে আনা-নেওয়া করে তাদের নিদির্ষ্ট হারে জরিমানা নিধার্রণ করে তা নিয়ন্ত্রণে আনা আবশ্যক। এতে করে পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য বাজায় থাকবে।

ব্রেকিং নিউজঃ