| |

গফরগাঁওয়ে মনিটরিং না থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি

আপডেটঃ ৩:৩৪ অপরাহ্ণ | মার্চ ২০, ২০২০

Ad

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে করোনাভাইরাস জনিত পরিস্থিতিকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্যের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধি করে চলেছেন। স্থানীয় প্রশাসনের বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গফরগাঁও বাজার ঘুরে দেখা যায়, সকালে প্রতি কেজি পেয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকায়। সেই পেয়াজ রাতে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায় কেজি প্রতি, যে রসুন কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হতো সেই রসুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়।

৫০ কেজি ওজনের চালের বস্তা বিক্রি হতো ১৫০০-১৬০০ টাকায়, সেই চাল এক সপ্তাহের ব্যবধানে বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ২০০০ থেকে ২১০০ টাকা দরে। এছাড়া প্যাকেটজাত চিনি, দুগ্ধ পণ্যেরও মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা পণ্য সামগ্রী স্টক করে বাজারে সরবরাহ সংকট দেখিয়ে মূল্য বৃদ্ধি করছেন।

মানুষ মনে করেন, স্থানীয় প্রশাসনের বাজার মনিটরিং বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। গফরগাঁও বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ী ইসলাম মিয়া বলেন, আমার আরতে বেশ কয়েক বস্তা পেয়াজ রেখে গিয়েছিলাম। এসে দেখি সব পেঁয়াজ বিক্রি হয়ে গেছে। করোনাভাইরাস আতঙ্কে মানুষ বেশি করে কিনে নিচ্ছেন বলে আগের চেয়ে চাহিদা বেরেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা বলেন, পলিথিনবিরোধী অভিযানের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের এত তৎপরতা থাকলেও লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কোনো তৎপরতা চোখে পড়ে না। এ ব্যাপারে উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মিটিংয়ে জিনিসপত্রের মূল্য-বৃদ্ধি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। হয়তো টিম বের হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ