| |

স্বপ্না খন্দকার বাসায় রান্না করে পৌছে দিচ্ছেন অসহায় অনাহারী মানুষের হাতে

আপডেটঃ 11:45 pm | April 01, 2020

Ad

 

 

মো: নাজমুল হুদা মানিক ॥ অসহায় অনাহারী মানুষ স্বপ্না খন্দকারের রান্না খেয়ে খুব খুশি। বাসায় রান্না করা খাবার নিয়ে পৌছে দিচ্ছেন মানুষের হাতে। অনাহারী অসহায় মানুষ খাবার পেয়ে খুব খুশি। হাসি মুখে খাবার নিয়ে দোয়া করছেন তাদের প্রিয় নেত্রীকে। দু:খী মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে যিনি সদা সর্বদা ব্যাস্থ থাকেন তার নাম স্বপ্না সরকার। মানুষের সেবা করে তিনি পরম তৃপ্তি পান। জাতির জনকের আদর্শের একনিষ্ট কর্মী হয়ে বেঁচে থাকতে চান সারাজীবন। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পালনে জীবন বাজি রেখে কাজ করে চলছেন স্বপ্না সরকার। প্রিয় নেত্রী আহবান জানিয়েছেন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে। এর পর আর একবিন্ধুও বসে থাকেননি তিনি। নিজের স্বাধ্যমত অর্থ দিয়ে, শ্রম দিয়ে অসহায় দারিদ্র মানুষের পাশে থাকতে সদাসর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন স্বপ্না সরকার। মানুষের মাঝে বিলি করেছেন খাদ্য সামগ্রী, হ্যান্ড সেনিটাইজার, মাক্স, সাবান, নিজ বাসায় রান্না করা খাবার সহ বিভিন্ন সামগ্রী। হোম কোয়ারাইন্টাইনে থাকতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে কাজ করে যাচ্ছেন সব সময়। ময়মনসিংহ জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপ্না খন্দকার জানান, করুণা ভাইরাস বর্তমান একটি আতংকের নাম। শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্ব আজ করোনা নিয়ে চিন্তিত। বাংলাদেশ সরকারের প্রতিটি প্রশাসন, প্রতিটি দপ্তর আজ ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবন যাপন স্বাভাবিক গতিময় রাখার তাগিদে। লকডাউন পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে দিনমজুরসহ গরিব দুঃখী মানুষ। এমতাবস্থায় সরকারের দিকে না তাকিয়ে থেকে বাংলাদেশের প্রতিটি বিত্তবান স্বাবলম্বী মানুষের উচিত খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তাদের এক বেলা দু মুঠো ভাত মুখে তুলে দেওয়া। আমাদেরই পারি এই দায়িত্ব পালন করতে। আর তাই আমি স্বপ্না খন্দকার বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার একজন সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নিজের নৈতিক দায়িত্ব বোধ থেকেই ময়মনসিংহ শহরের চরপাড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্মুখে আমার কিছু ভাইদের মুখে খাবার তুলে দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। এভাবে যদি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনা মূলক উদ্যোগের পাশাপাশি প্রত্যেক না খাওয়া মানুষের মুখে খাবার তুলে দিতে পারতাম তাহলে সত্যিই ভালো লাগতো। আরো ভালো লাগতো আমার মতো, আমাদের মতো নেতাকর্মী নিজ নিজ অবস্থানে সচেতন হয়ে মানুষকে মাল্যায়ন করি। নিজের দায়িত্ববোধ কে মূল্যায়ন করি। নিজের মূল্যবোধকে বিকশিত করি।

ব্রেকিং নিউজঃ