| |

ময়মনসিংহে ধান কেটে মাড়াই শেষে কৃষকের বাড়ি পৌঁছে দিল ছাত্রলীগ

আপডেটঃ 5:16 pm | April 23, 2020

Ad

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বালিয়াপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক আব্দুর রহিম মিয়া ধানচাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সারাদেশ লকডাউন হওয়ায় পরিস্থিতির কারণে শ্রমিক না পাওয়ায় আব্দুর রহিম মিয়া তার ধান কাটা নিয়ে অনেক কষ্টে আছেন। খবর পেয়ে আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রলীগের আহব্বায়ক মোঃ মাহমুদুল হাসান সবুজের নেতৃত্বে ধানকাটা, ধান মাড়াইসহ ধান কৃষকের বাড়ি পৌঁছে দিয়ে আসেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল)সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা কৃষক আব্দুর রহিম মিয়ার পাঁচ কাঠা জমিতে ধান কেটে দেয়া হয়। এসময় প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী ধান কাটার কাজে অংশ নেন। ধান কাটা শেষে নেতাকর্মীরা নান্দাইল উপজেলার বালিয়াপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক আব্দুর রহিম মিয়ার বাড়িতে পৌঁছে দেন।

এসময় আনন্দ মোহন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ইয়াসিন আরাফাত খোকন, শেখ সজল, মাহফুজুল আলম ফাহাদ, রেদুয়ান হুদা আজাদ, জুনায়েদ হোসেন টিপু, ছাত্রনেতা তোফাজ্জল হোসেন, উমর ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এক দিকে করোনাভাইরাস অন্যদিকে শ্রমিক সংকটসহ কৃষি মজুরি আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় পাকা ধান নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। যেখানে আগে দৈনিক মজুরি ছিল ৩০০ টাকা এখন তা দাঁড়িয়েছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। ফলে কৃষকরা মাত্রারিক্ত টাকায় শ্রমিক জোগার করতে দিশাহারা হয়ে পড়ায় ধান নষ্ট হতে চলেছে। এ অবস্থায় খবর পেয়ে আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রলীগের আহব্বায়ক মোঃ মাহমুদুল হাসান সবুজের নেতৃত্বে ধানকাটা, ধানমাড়াইসহ ধান কৃষকের ঘরে পৌঁছে দিয়ে আসেন এবং নিজ এলাকার দরিদ্র কৃষকের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রলীগের আহব্বায়ক মোঃ মাহমুদুল হাসান সবুজ বলেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নির্দেশ দিয়েছে হতদরিদ্র ও চাষী, কৃষকদের পাশে থাকতে। ছাত্রলীগ যেকোনো মানবিক সঙ্কটে সাধারণ মানুষের পাশে থাকে।

তিনি বলেন, করোনা মোকাবেলায় মাঠে থেকে সর্বোচ্চ কাজ করছে ছাত্রলীগ। এরই ধারাবাহিকতায় আব্দুর রহিম মিয়া তার ধান নিয়ে কষ্টে আছেন। কাল বৈশাখী মাস যে কোনো সময়ে ঝড় বৃষ্টি হলে ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই আমরা ছাত্রলীগের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী নিয়ে হাজির হই। তাতে চাষী অনেক খুশি হন, আমরা বিনা পারিশ্রমিকে তার ধান ঘরে তুলে দেই।

ব্রেকিং নিউজঃ